ফরিদপুর বোয়ালমারী সড়কে পাট শুকানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত।
- আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫ ৫০১ বার পড়া হয়েছে

গালিব মাহাবুব, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালের দিকে বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বাজিদাদপুর গ্রামে পাট শুকানো নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ৭ জনকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এবং বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গুরুতর আহতরা হলেন, বাজিদাদপুর গ্রামের বিশ্বাস গ্রুপের জগদীশ বিশ্বাস (৬০) জয়ন্ত বিশ্বাস (২৬) ও অপূর্ব বিশ্বাস (৩৫), এবং বালা গ্রুপের শিবু বালা (৬০) রতন বালা (৪০) ও সুজন সরকার (২৫) তারা সকলেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া জগদীশের স্ত্রী, ইতি বিশ্বাস (৫২) সুশান্ত বিশ্বাস (৩০) রবিন বিশ্বাস (৫০) সমীর বিশ্বাস (৪০) সুজন সরকার (৩০) শুক্লা বিশ্বাস (৩৩) সহ বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। এবং এদের মধ্যে উত্তম সরকার (৩০) নামে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বাজিদাদপুর গ্রামের, নিতিশ কুমার বালা (৫৫) ও জগদীশ কুমার বিশ্বাসের (৬০) মধ্যে বাড়ির সামনে রাস্তা সংলগ্ন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক বসে।
সম্প্রতি সালিশ মীমাংসা করে সীমানা নির্ধারণ পিলার বসিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালের দিকে জগদীশ কুমার বিশ্বাসরা সড়কের ওপর পাট শুকাতে গেলে প্রতিপক্ষ নিতিশ কুমার বালার লোকজন বাঁধা দেয়। এ সময় বাঁশ সরানো নিয়ে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।
সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী শেখর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাইদ (পান্নু) বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ পক্ষকে নিবৃত করার চেষ্টা করি। সংঘর্ষ থেমে যাওয়ার খবর পেয়ে টহল পুলিশ অর্ধেক পথ থেকে ফিরে গেছেন।
বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা হক রুম্পা বলেন, আহত অবস্থায় ১৭ জন হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে ৭জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বোয়ালমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















