মাগুরা প্রতিনিধি:
জিওমার্ক লি: এর মাগুরা সুপারভাইজার আবির হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, তিনি বিভিন্নভাবে কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ, হাজিরা বাড়িয়ে ভুয়া বিল উত্তোলনসহ দায়িত্বে অবহেলার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন।
ভুক্তভোগী জাকির হোসেন, যিনি ২২ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত জিওমার্ক-এ Field Enumerator পদে কর্মরত ছিলেন, অভিযোগ করেন—তিনি সততার সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের জরিপ সম্পন্ন করলেও হঠাৎ পারিবারিক সমস্যার কারণে চাকরি ছাড়তে হয়। কিন্তু এখনও তার ১৩ দিনের বেতন বকেয়া রাখা হয়েছে। যদিও কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী বেতন ২০ জুলাই প্রদান করা হয়েছিল, তবে সুপারভাইজার আবির হোসেন ইচ্ছাকৃতভাবে তা আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন জাকির।
অভিযোগ রয়েছে, আবির হোসেন—
মাঠকর্মীদের হাজিরা বাড়িয়ে ভুয়া বিল তৈরি করেন,
নিম্নমানের মালামাল কিনে উচ্চমানের ভাউচার দেখান,
অফিস সময়ের অধিকাংশ সময় বাসায় অবস্থান করেন,
জরিপকারীদের সঠিক নিয়মে মাঠে না পাঠিয়ে খাতায় তথ্য লিখে আনার জন্য উৎসাহ দেন।
ফলে মাগুরা শহরের নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা জরিপের ৬০% তথ্য ভুল হচ্ছে বলে স্থানীয় শিক্ষিত সমাজের দাবি। ভুল নাম, ভুয়া মিটার নম্বর, সদস্য সংখ্যা বিভ্রাট, টিনের বাড়িকে পাকা দেখানোসহ নানা অসঙ্গতির জন্য প্রকল্পের মান নষ্ট হচ্ছে।
একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় নাগরিক বলেন, “আবির একজন মাদকসেবী। তিনি নিয়মিত ভাড়া ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ভাউচার দেখিয়ে কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করেন।”
ভুক্তভোগী জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, “যদি দ্রুতই জিওমার্ক লি: এর হেড অফিস কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নেয়, তবে কোম্পানির মানসম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের মান মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জিওমার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
--
--
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ নাজমুল হুদা বাশার ০১৭১১২৫৩৬৭৬
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রেজাউল করিম ০১৭১১৯২৯৪৭৩
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬