ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ফরিদপুরে মিছিল, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি অসুবিধা ও অব্যবস্থাপনায় জরাজীর্ণ ফরিদপুরের আড়াইরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার বদলে ‘প্রাইভেট বাণিজ্য’, অবহেলায় বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর ফরিদপুর জেলা পরিষদ ও বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ৩০ বছরের ভোগান্তি, বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান দিনমজুর নুরুল ইসলাম ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান কালিয়াকৈরে জাল রাজস্ব স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ২৫ লক্ষ টাকার নকল সিগারেট জব্দ আটক ২ জন মোট চার দিনের ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছুটি উপভোগ করার জন্য উত্তরবঙ্গের পথে ছুটছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দায় অভিযান: ২২০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ একজন গ্রেফতার সীমান্ত থেকে ৯৪.৭৫০ কেজি ওজনের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলায় ক্ষতির মুখে বোয়ালমারীর ব্যবসায়ীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৭০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

আব্দুল মতিন মুন্সী
(ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি) :

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলার কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মালামাল পরিবহনে দায়িত্বহীন আচরণ ও অসতর্ক হ্যান্ডলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি বোয়ালমারীর ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া, স্বত্বাধিকারী মিয়া ইলেকট্রনিকস-এর কাছে আগমনী ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ১৫০ পিস কাচের মাল পাঠানো হয়। কার্টনের গায়ে স্পষ্টভাবে “কাচের মাল / সাবধান” লেখা থাকলেও পরিবহনের সময় চরম অবহেলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে পুরো চালানের সব মাল ভেঙে যায় এবং একটিও বিক্রির উপযোগী থাকেনি।

ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ কার্টন মাল আসে। কিন্তু আগমনী ট্রান্সপোর্টের এমন দায়িত্বহীন আচরণের কারণে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের বিষয়ে ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তারা ক্ষতির দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং কোনো ধরনের সহানুভূতিও দেখাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ বা অভিযোগ করতে গেলে উল্টো রূঢ় আচরণ ও গরম ব্যবহার করা হয়, যা একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর জন্য অপমানজনক। এতে অনেক ব্যবসায়ী প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া আগমনী ট্রান্সপোর্ট বয়কটের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বোয়ালমারীর অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার এবং প্রয়োজনে সম্মিলিত প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে আগমনী ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলায় ক্ষতির মুখে বোয়ালমারীর ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ১১:২৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

আব্দুল মতিন মুন্সী
(ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি) :

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলার কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মালামাল পরিবহনে দায়িত্বহীন আচরণ ও অসতর্ক হ্যান্ডলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি বোয়ালমারীর ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া, স্বত্বাধিকারী মিয়া ইলেকট্রনিকস-এর কাছে আগমনী ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ১৫০ পিস কাচের মাল পাঠানো হয়। কার্টনের গায়ে স্পষ্টভাবে “কাচের মাল / সাবধান” লেখা থাকলেও পরিবহনের সময় চরম অবহেলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে পুরো চালানের সব মাল ভেঙে যায় এবং একটিও বিক্রির উপযোগী থাকেনি।

ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ কার্টন মাল আসে। কিন্তু আগমনী ট্রান্সপোর্টের এমন দায়িত্বহীন আচরণের কারণে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের বিষয়ে ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তারা ক্ষতির দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং কোনো ধরনের সহানুভূতিও দেখাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ বা অভিযোগ করতে গেলে উল্টো রূঢ় আচরণ ও গরম ব্যবহার করা হয়, যা একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর জন্য অপমানজনক। এতে অনেক ব্যবসায়ী প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া আগমনী ট্রান্সপোর্ট বয়কটের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বোয়ালমারীর অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার এবং প্রয়োজনে সম্মিলিত প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে আগমনী ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় না।