ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা কালিয়াকৈর ঢাকা টাংগাইল মহাসড়কের পাশে ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা  বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস ফরিদপুরে শিশু আইরিন হত্যা রহস্য উদঘাটন, নারীসহ গ্রেফতার ৩ কালিয়াকৈরে ইভটিজিংয়ের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড কামড় দেওয়া জীবিত গোখরা সাপ নিয়েই হাসপাতালে যুবক  ফরিদপুরে নিখোঁজের ৬ দিন পর শিশুর গলিত লাশ উদ্ধার  প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি   ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে পাকা স্থাপনা উলিপুরে জমি দখল: মৃত বড় ভাইয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার ফরিদপুরে বিএসটিআই’র মোবাইল কোর্ট অভিযান: ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বৃষ্টির পরপরই আকাশে সূর্যের আলো ফুটে উঠলে দেখা যায় এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য—রংধনু। ধনুকের মতো বাঁকা সাতটি রঙের এই আলোকচ্ছটা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রংধনু মূলত সূর্যের আলো এবং বৃষ্টির পানির ফোঁটার যৌথ ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। সূর্যালোক যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরণ (refraction), প্রতিফলন (reflection) এবং বিচ্ছুরণের (dispersion) মাধ্যমে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে আকাশে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, জ্যামুনি ও বেগুনি—এই সাতটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয় রংধনু।

রংধনু সাধারণত সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে এটি পশ্চিম আকাশে এবং বিকেলে পূর্ব আকাশে বেশি দেখা যায়।

গ্রামবাংলায় রংধনু নিয়ে নানা লোকজ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রংধনু উঠলে বৃষ্টি থেমে যাবে এবং রোদ উঠবে। বাস্তবেও দেখা যায়, রংধনু সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন বৃষ্টি শেষের দিকে এবং সূর্য বের হতে শুরু করে—তাই এই বিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের মিল রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, রংধনু আসলে একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন (আলোক বিভ্রম)—এটি কোনো বাস্তব বস্তু নয়, বরং আলো ও জলকণার পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে আমাদের চোখে তৈরি হওয়া দৃশ্য।

প্রতিটি জলকণা ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি ভিন্ন রঙে ভেঙে দেয়—এই কারণেই আমরা রংধনু দেখি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

 

বৃষ্টির পরপরই আকাশে সূর্যের আলো ফুটে উঠলে দেখা যায় এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য—রংধনু। ধনুকের মতো বাঁকা সাতটি রঙের এই আলোকচ্ছটা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রংধনু মূলত সূর্যের আলো এবং বৃষ্টির পানির ফোঁটার যৌথ ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। সূর্যালোক যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরণ (refraction), প্রতিফলন (reflection) এবং বিচ্ছুরণের (dispersion) মাধ্যমে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে আকাশে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, জ্যামুনি ও বেগুনি—এই সাতটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয় রংধনু।

রংধনু সাধারণত সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে এটি পশ্চিম আকাশে এবং বিকেলে পূর্ব আকাশে বেশি দেখা যায়।

গ্রামবাংলায় রংধনু নিয়ে নানা লোকজ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রংধনু উঠলে বৃষ্টি থেমে যাবে এবং রোদ উঠবে। বাস্তবেও দেখা যায়, রংধনু সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন বৃষ্টি শেষের দিকে এবং সূর্য বের হতে শুরু করে—তাই এই বিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের মিল রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, রংধনু আসলে একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন (আলোক বিভ্রম)—এটি কোনো বাস্তব বস্তু নয়, বরং আলো ও জলকণার পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে আমাদের চোখে তৈরি হওয়া দৃশ্য।

প্রতিটি জলকণা ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি ভিন্ন রঙে ভেঙে দেয়—এই কারণেই আমরা রংধনু দেখি।