ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান: কম পরিমাপে জ্বালানি সরবরাহের অভিযোগে ফিলিং স্টেশনের ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ ফরিদপুরে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান: কম পরিমাপে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগে ফিলিং স্টেশন বন্ধ, অনিবন্ধিত তেল জব্দ ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের মোবাইল কোর্ট: ৩ মামলায় ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের মোবাইল কোর্ট: ৩ মামলায় ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা ব্যথামুক্ত জীবনের স্বপ্ন পূরণে আস্থার নাম ডাঃ মুহাম্মদ এ হাসান নগরকান্দায় অপহরণের ২১ ঘণ্টা পর উদ্ধার সাংবাদিক টিটুল মোল্লা, হাসপাতালে ভর্তি উপ-পরিচালক শিরিন আক্তারের কঠোর অবস্থান: ফরিদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১০২ পিস ইয়াবাসহ ফিরোজ খান গ্রেফতার কানাইপুরে ১১০ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শরীফ মোল্লা গ্রেফতার নগরকান্দায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নিজস্ব প্রতিবেদক  ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে  ৫১ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বৃষ্টির পরপরই আকাশে সূর্যের আলো ফুটে উঠলে দেখা যায় এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য—রংধনু। ধনুকের মতো বাঁকা সাতটি রঙের এই আলোকচ্ছটা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রংধনু মূলত সূর্যের আলো এবং বৃষ্টির পানির ফোঁটার যৌথ ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। সূর্যালোক যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরণ (refraction), প্রতিফলন (reflection) এবং বিচ্ছুরণের (dispersion) মাধ্যমে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে আকাশে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, জ্যামুনি ও বেগুনি—এই সাতটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয় রংধনু।

রংধনু সাধারণত সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে এটি পশ্চিম আকাশে এবং বিকেলে পূর্ব আকাশে বেশি দেখা যায়।

গ্রামবাংলায় রংধনু নিয়ে নানা লোকজ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রংধনু উঠলে বৃষ্টি থেমে যাবে এবং রোদ উঠবে। বাস্তবেও দেখা যায়, রংধনু সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন বৃষ্টি শেষের দিকে এবং সূর্য বের হতে শুরু করে—তাই এই বিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের মিল রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, রংধনু আসলে একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন (আলোক বিভ্রম)—এটি কোনো বাস্তব বস্তু নয়, বরং আলো ও জলকণার পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে আমাদের চোখে তৈরি হওয়া দৃশ্য।

প্রতিটি জলকণা ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি ভিন্ন রঙে ভেঙে দেয়—এই কারণেই আমরা রংধনু দেখি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

 

বৃষ্টির পরপরই আকাশে সূর্যের আলো ফুটে উঠলে দেখা যায় এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য—রংধনু। ধনুকের মতো বাঁকা সাতটি রঙের এই আলোকচ্ছটা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রংধনু মূলত সূর্যের আলো এবং বৃষ্টির পানির ফোঁটার যৌথ ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। সূর্যালোক যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরণ (refraction), প্রতিফলন (reflection) এবং বিচ্ছুরণের (dispersion) মাধ্যমে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে আকাশে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, জ্যামুনি ও বেগুনি—এই সাতটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয় রংধনু।

রংধনু সাধারণত সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে এটি পশ্চিম আকাশে এবং বিকেলে পূর্ব আকাশে বেশি দেখা যায়।

গ্রামবাংলায় রংধনু নিয়ে নানা লোকজ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রংধনু উঠলে বৃষ্টি থেমে যাবে এবং রোদ উঠবে। বাস্তবেও দেখা যায়, রংধনু সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন বৃষ্টি শেষের দিকে এবং সূর্য বের হতে শুরু করে—তাই এই বিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের মিল রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, রংধনু আসলে একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন (আলোক বিভ্রম)—এটি কোনো বাস্তব বস্তু নয়, বরং আলো ও জলকণার পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে আমাদের চোখে তৈরি হওয়া দৃশ্য।

প্রতিটি জলকণা ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি ভিন্ন রঙে ভেঙে দেয়—এই কারণেই আমরা রংধনু দেখি।