ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবচরে আধুনিক ডাকবাংলোর শুভ উদ্বোধন সদরপুরে মোবাইল ব্যবসায়ীকে হানিট্র্যাপে ফেলে ১৮ ঘণ্টা জিম্মি ও টাকা লুটের অভিযোগ: ২ নারী আটক শারদীয়া দুর্গাপূজা ষষ্ঠ থেকে দশমি পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত সদরপুরে ৩৫টি মণ্ডপে পালিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা, আজ প্রতিমা বিসর্জন বালিয়াকান্দি উপজেলা শালমারা নিশ্চিন্তপুর শালিকী গ্রাম স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ‎শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপির নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান নিহত ‎। ফরিদপুরে দেড় কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার দীর্ঘ ১৮৫ বছরের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল ফরিদপুর পৌরসভা। দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত অপশক্তির দোসররা নানা ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারী পুরুষ সহ ৩৯ জনকে আটক 

বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বৃষ্টির পরপরই আকাশে সূর্যের আলো ফুটে উঠলে দেখা যায় এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য—রংধনু। ধনুকের মতো বাঁকা সাতটি রঙের এই আলোকচ্ছটা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রংধনু মূলত সূর্যের আলো এবং বৃষ্টির পানির ফোঁটার যৌথ ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। সূর্যালোক যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরণ (refraction), প্রতিফলন (reflection) এবং বিচ্ছুরণের (dispersion) মাধ্যমে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে আকাশে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, জ্যামুনি ও বেগুনি—এই সাতটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয় রংধনু।

রংধনু সাধারণত সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে এটি পশ্চিম আকাশে এবং বিকেলে পূর্ব আকাশে বেশি দেখা যায়।

গ্রামবাংলায় রংধনু নিয়ে নানা লোকজ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রংধনু উঠলে বৃষ্টি থেমে যাবে এবং রোদ উঠবে। বাস্তবেও দেখা যায়, রংধনু সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন বৃষ্টি শেষের দিকে এবং সূর্য বের হতে শুরু করে—তাই এই বিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের মিল রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, রংধনু আসলে একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন (আলোক বিভ্রম)—এটি কোনো বাস্তব বস্তু নয়, বরং আলো ও জলকণার পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে আমাদের চোখে তৈরি হওয়া দৃশ্য।

প্রতিটি জলকণা ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি ভিন্ন রঙে ভেঙে দেয়—এই কারণেই আমরা রংধনু দেখি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

 

বৃষ্টির পরপরই আকাশে সূর্যের আলো ফুটে উঠলে দেখা যায় এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য—রংধনু। ধনুকের মতো বাঁকা সাতটি রঙের এই আলোকচ্ছটা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রংধনু মূলত সূর্যের আলো এবং বৃষ্টির পানির ফোঁটার যৌথ ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। সূর্যালোক যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরণ (refraction), প্রতিফলন (reflection) এবং বিচ্ছুরণের (dispersion) মাধ্যমে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে আকাশে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, জ্যামুনি ও বেগুনি—এই সাতটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয় রংধনু।

রংধনু সাধারণত সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে এটি পশ্চিম আকাশে এবং বিকেলে পূর্ব আকাশে বেশি দেখা যায়।

গ্রামবাংলায় রংধনু নিয়ে নানা লোকজ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রংধনু উঠলে বৃষ্টি থেমে যাবে এবং রোদ উঠবে। বাস্তবেও দেখা যায়, রংধনু সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন বৃষ্টি শেষের দিকে এবং সূর্য বের হতে শুরু করে—তাই এই বিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের মিল রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, রংধনু আসলে একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন (আলোক বিভ্রম)—এটি কোনো বাস্তব বস্তু নয়, বরং আলো ও জলকণার পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে আমাদের চোখে তৈরি হওয়া দৃশ্য।

প্রতিটি জলকণা ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি ভিন্ন রঙে ভেঙে দেয়—এই কারণেই আমরা রংধনু দেখি।