ফরিদপুরে সৌদি বাংলা হাসপাতালে পাইলসের বদলে গলব্লাডার অপারেশনের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন হ্যাপি আক্তার
- আপডেট সময় : ১০:৪৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম- ফরিদপুর
এবার ফরিদপুরে সৌদি বাংলা প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে আবারও ভুল চিকিৎসার গুরুতর অভিযোগ মিলেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মূহুর্তেই ছড়িয়ে যায়।সরে জমিনে যেয়ে রোগীর স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, পাইলস অপারেশনের বদলে গলব্লাডার অপারেশন করার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। যখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন রূগীটির অপারেশন ভুল হয়েছে তখন ই হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং সকল স্টাফ দ্রুত গতিতে যার যার মত করে পালিয়ে গেছেন। এই ঘটনার পর স্বাস্থ্য প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালটি বন্ধ করে দিয়েছে।
ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা থেকে এক নারী রোগী পাইলসের চিকিৎসার জন্য সৌদি বাংলা হাসপাতালে ভর্তি হন। ডা.নজরূল ইসলাম তাকে অপারেশন করেন। সোমবার রাতে অপারেশনের কথা ছিল। অপারেশনের সময় চিকিৎসক ও তার দল পাইলসের পরিবর্তে রোগীর গলব্লাডার অপারেশন করে ফেলেন।
অপারেশনের পর রোগীর অবস্থার অবনতি হলে বিষয়টি নিয়ে রোগীর স্বজনদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। তারা চিকিৎসকের কাছে জানতে চাইলে, ভুল চিকিৎসার বিষয়টি সামনে আসে। এরপরই ঘটে নাটকীয় ঘটনা। চিকিৎসক এবং হাসপাতালের সকল স্টাফ তড়িঘড়ি করে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান।
রোগীর পরিবার অভিযোগ করে জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং ভুল চিকিৎসার কারণে রোগীর জীবন এখন ঝুঁকির মুখে। বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হ্যাপি আক্তার কে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন কার্যালয় ও স্বাস্থ্য প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা হাসপাতালটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং এ ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে।
উল্লেখ্য, এই ধরনের ভুল প্রথম নয়, এর আগেও সৌদি বাংলা হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার একাধিক অভিযোগ উঠেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবসময় ম্যানেজ করেই তাদের কষাই ডাঃ দ্বারা ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন । এর আগে এক প্রসূতি মায়ের সিজার অপারেশনের সময় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও হাসপাতালটির বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং তারা বলছেন তাহলে এই হাসপাতালের মালিক পক্ষের এতো খুঁটির জোর কোথায়। এব্যাপারে হ্যাপি আক্তারের কন্যা সৌদি বাংলা হাসপাতালের ডাঃ নজরুল ইসলাম সহ কতৃপক্ষের নামে মামলা করবেন বলে জানান।














