ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে ইভটিজিংয়ের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড কামড় দেওয়া জীবিত গোখরা সাপ নিয়েই হাসপাতালে যুবক  ফরিদপুরে নিখোঁজের ৬ দিন পর শিশুর গলিত লাশ উদ্ধার  প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি   ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে পাকা স্থাপনা উলিপুরে জমি দখল: মৃত বড় ভাইয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার ফরিদপুরে বিএসটিআই’র মোবাইল কোর্ট অভিযান: ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইজার চুরি, আটক ১ জন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইজার চুরি, আটক ১ জন ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন রাসুল সামদানী আজাদ। কালিয়াকৈরে স্ত্রীর করা নির্যাতন মামলায় আবু তালহা আটক

অসহায় নারীর জমি কূটকৌশলে লিখে নেওয়ার অভিযোগে বিতর্কে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোমা ইসলাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রেজাউল করিম- ফরিদপুর 

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১০ নং কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোমা ইসলামের বিরুদ্ধে এক অসহায় নারী সামেলা বেগমের সম্পত্তি কূটকৌশলে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সামেলা বেগমের জমির মিউটেশন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সোমা ইসলাম কৌশলে তার বাড়ির সংলগ্ন পনে দুই শতাংশ জমি নিজের নামে লিখে নেন। দীর্ঘদিন এই ঘটনা গোপনে থাকার পর সামেলা বেগম সম্প্রতি জমিটি বিক্রির উদ্যোগ নিলে কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে সত্যতা জানতে পারেন।

 

এ ঘটনার পর সামেলা বেগম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হলে উভয় পক্ষের মধ্যে এক সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে সোমা ইসলাম প্রাথমিকভাবে বিষয়টি স্বীকার করে সামেলা বেগমকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু পরে তিনি সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন।

 

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোমা ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে রাজি হননি এবং বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে অনীহা প্রকাশ করেন।

 

স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, সোমা ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িত। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। বর্তমানে এলাকাবাসীর দাবি — অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে সামেলা বেগমের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হোক অথবা জমির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করা হোক।

 

এছাড়াও ক্ষুব্ধ জনতা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন প্রতারণামূলক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক। তারা সোমা ইসলামের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

এই ঘটনাটি ফরিদপুর সদর উপজেলার জনগণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে প্রশাসনের ত্বরিত তদন্ত ও পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে স্থানীয় জনসাধারণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অসহায় নারীর জমি কূটকৌশলে লিখে নেওয়ার অভিযোগে বিতর্কে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোমা ইসলাম

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

 

 

রেজাউল করিম- ফরিদপুর 

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১০ নং কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোমা ইসলামের বিরুদ্ধে এক অসহায় নারী সামেলা বেগমের সম্পত্তি কূটকৌশলে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সামেলা বেগমের জমির মিউটেশন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সোমা ইসলাম কৌশলে তার বাড়ির সংলগ্ন পনে দুই শতাংশ জমি নিজের নামে লিখে নেন। দীর্ঘদিন এই ঘটনা গোপনে থাকার পর সামেলা বেগম সম্প্রতি জমিটি বিক্রির উদ্যোগ নিলে কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে সত্যতা জানতে পারেন।

 

এ ঘটনার পর সামেলা বেগম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হলে উভয় পক্ষের মধ্যে এক সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে সোমা ইসলাম প্রাথমিকভাবে বিষয়টি স্বীকার করে সামেলা বেগমকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু পরে তিনি সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন।

 

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোমা ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে রাজি হননি এবং বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে অনীহা প্রকাশ করেন।

 

স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, সোমা ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িত। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। বর্তমানে এলাকাবাসীর দাবি — অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে সামেলা বেগমের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হোক অথবা জমির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করা হোক।

 

এছাড়াও ক্ষুব্ধ জনতা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন প্রতারণামূলক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক। তারা সোমা ইসলামের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

এই ঘটনাটি ফরিদপুর সদর উপজেলার জনগণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে প্রশাসনের ত্বরিত তদন্ত ও পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে স্থানীয় জনসাধারণ।