ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‎মাদারীপুরে একটি পিস্তল ও ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার নওগাঁর পত্নীতলায় দাখিল পরীক্ষায় শূন্য পাস, ১৯ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য ফরিদপুর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন উপদেষ্টা এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল ও নায়াব ইউসুফ, সভাপতি হানিফ মন্ডল, সম্পাদক রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন ফরিদপুরের কানাইপুর বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল দুই দোকান ফমেক অধ্যক্ষ পদে যোগ দিলেন ডা. সৈয়দ আসিফ ছাত্রদলের শুভেচ্ছা, বহিরাগতদের মব সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ ২০ বছরের সরকারি চাকরি, যেনো আলাদিনের চাকরি ৪ কোটি টাকার বাড়ি: গণপূর্তের ক্যাশিয়ার জাহাঙ্গীরের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন  কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সকল শিক্ষার্থী  নোটিশের পর আজ বিকেল ৩টায় ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযান। কিছু মানুষ হারিয়ে যাওয়ার পরই তাদের মূল্য বোঝা যায়

ফরিদপুর নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালে সরকারি ওষুধে রোগীর চিকিৎসা, চাঞ্চল্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫ ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ডেক্স রিপোর্টঃ

 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালে সরকারি ওষুধ ব্যবহার করে রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

জানা গেছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম খাবাসপুরে অবস্থিত নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালে মোছা: বিথী আক্তার (২০) নামে এক রোগীকে ভর্তি করা হয়। তিনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আশিকের স্ত্রী।

 

বিথী আক্তারকে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ৩ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর পরিবারের সঙ্গে ৭ দিনের ওষুধের একটি প্যাকেজ চুক্তি করে মোট ১১,৫০০ টাকা নেয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, চিকিৎসার সময় প্রথম চার দিন হাসপাতালে সরকারি ওষুধ ব্যবহার করা হয় এবং বাকি তিন দিনের সরকারি ওষুধ রোগীর হাতে বুঝিয়ে দিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে রোগীর স্বজনরা স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গেলে ফার্মেসির কর্মীরা জানান, এগুলো সরকারি হাসপাতালের বিনামূল্যের ওষুধ, যা কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করার কথা নয়।

 

ঘটনাটি জানাজানি হলে রোগীর পরিবার সাংবাদিক ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওষুধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রমাণ সংগ্রহ করে।

 

এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন বা অনুমোদন সম্পন্ন করেনি। তাই সরকারি ওষুধ ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি প্রায়ই সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সাহায্যে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, এছাড়াও ঐ হাসপাতালের পরিচালক রনি সুঠাম দেহের অধিকারী সেও মাঝে মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বলে জানা গেছে এবং কয়েক মাস আগে নিউ লাইফ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা জানান, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ মিললে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সরকারি ওষুধ দিয়ে প্রাইভেট চিকিৎসা পরিচালনার এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুর নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালে সরকারি ওষুধে রোগীর চিকিৎসা, চাঞ্চল্য

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

 

 

ডেক্স রিপোর্টঃ

 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালে সরকারি ওষুধ ব্যবহার করে রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

জানা গেছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম খাবাসপুরে অবস্থিত নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালে মোছা: বিথী আক্তার (২০) নামে এক রোগীকে ভর্তি করা হয়। তিনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আশিকের স্ত্রী।

 

বিথী আক্তারকে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ৩ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর পরিবারের সঙ্গে ৭ দিনের ওষুধের একটি প্যাকেজ চুক্তি করে মোট ১১,৫০০ টাকা নেয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, চিকিৎসার সময় প্রথম চার দিন হাসপাতালে সরকারি ওষুধ ব্যবহার করা হয় এবং বাকি তিন দিনের সরকারি ওষুধ রোগীর হাতে বুঝিয়ে দিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে রোগীর স্বজনরা স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গেলে ফার্মেসির কর্মীরা জানান, এগুলো সরকারি হাসপাতালের বিনামূল্যের ওষুধ, যা কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করার কথা নয়।

 

ঘটনাটি জানাজানি হলে রোগীর পরিবার সাংবাদিক ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওষুধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রমাণ সংগ্রহ করে।

 

এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, নিউ লাইফ প্রাইভেট হাসপাতালটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন বা অনুমোদন সম্পন্ন করেনি। তাই সরকারি ওষুধ ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি প্রায়ই সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সাহায্যে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, এছাড়াও ঐ হাসপাতালের পরিচালক রনি সুঠাম দেহের অধিকারী সেও মাঝে মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বলে জানা গেছে এবং কয়েক মাস আগে নিউ লাইফ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা জানান, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ মিললে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সরকারি ওষুধ দিয়ে প্রাইভেট চিকিৎসা পরিচালনার এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।