মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে চরকাটারী সবুজ সেনা এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঈদ আনন্দ ফুটবল টুর্নামেন্টে উৎসবমুখর পরিবেশ
- আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি :
“মাদককে না বলুন, খেলাকে হ্যাঁ বলুন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে চরকাটারী সবুজ সেনা এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপ-কমিটি সবুজ সেনা এলামনাই ক্রীড়া পরিষদ এর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চরকাটারী সবুজ সেনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ২৩টি দল এ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও খেলাধুলার চর্চা বৃদ্ধি এবং যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে দূরে রাখতে এ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সবুজ সেনা এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও ক্রীড়া পরিষদের সদস্যরা।
টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন সবুজ সেনা এলামনাই ক্রীড়া পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ মহিদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সবুজ সেনা এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. আরশাদুল্লাহ, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মো. আব্দুল করিম, সাবেক দুদক কর্মকর্তা মো. মাসুদুল করিম, কানুনগো মো. জুলফিকার আলী ভুট্টো, কানুনগো মো. বাবুল আক্তার, কানুনগো মো. সামসুল ইসলাম, দপ্তিয়র ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আলাউদ্দিন সিকদার, মো. আউলাদ হোসেন, প্রকৌশলী আজিজুল হক, প্রফেসর সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল ইসলাম (সানোয়ার), চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মন্ডল, চরকাটারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, চরকাটারী সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজিজুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান মো. বারেক মন্ডল, ওসি মো. ওয়াজেদ আলীসহ এলাকার ও বহিরাগত অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তি।
খেলাকে কেন্দ্র করে যমুনা নদীর পাড়জুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবার-পরিজন নিয়ে মাঠে উপস্থিত হয়ে উপভোগ করেন রোমাঞ্চকর সব ম্যাচ। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বিজয়ী ১১টি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ অর্জন করে। প্রতিটি দলই ফাইনালে খেলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, শিক্ষিত যুবসমাজকে মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার এমন আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তারা প্রতিবছর আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
স্থানীয়দের ভাষায়, “এ যেন শুধু ফুটবল খেলা নয়, যমুনা নদীর পাড়ে এক মিলনমেলা ও আনন্দের প্রতিযোগিতা।” টুর্নামেন্টকে ঘিরে প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান প্রজন্ম এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।









