এবার তরূন স্বপ্ন বাজ নেতা হিমেল (রাফসান) চাকসু নির্বাচনে এ এফ রহমান হল সংসদে সহ- সভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন
- আপডেট সময় : ১২:০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

নাজমুল হুদা বাশার- বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অনেকেই রাষ্ট্র,সমাজ, শিক্ষা ও পরিবেশ নিয়ে ভাবেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু মানুষ আছেন, যারা শুধু ভাবেন না-কাজও করেন। হিমেল তেমনই একজন। নিজের সময়, শ্রম আর স্বপ্নকে তিনি উৎসর্গ করেছেন রাষ্ট্র,সমাজসেবা, পরিবেশ আন্দোলন এবং শিক্ষার্থী অধিকার আদায়ের সংগ্রামে।
সংগ্রামের শুরু
জীবনের প্রথম থেকেই দেশের মানুষের জন্য কিছু করার প্রয়াস ছিলো হিমেলের মধ্যে। এর জন্য তিনি নানান সামাজিক সংগঠন এর সাথে জড়ায় নিজেকে।ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তুলেন দেশ সেবার জন্য।২০২৪ সালের জুলাইয়ের অভ্যুত্থান থেকে শুরু হয় তার রাষ্ট্র সংস্বকারের পথ চলা। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ন্যায্য আন্দোলনেই সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। পোষ্যকোটা-বিরোধী আমরণ অনশন তার মধ্যে অন্যতম।নৈতিক ও যৌক্তিক দাবিতে নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ানোই হিমেলের পরিচয়।
শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা থেকে শুরু করে সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান—তার প্রতিটি পদক্ষেপই তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
দায়িত্ব ও নেতৃত্বঃ
বর্তমানে তিনি সামাজিক ও মানবিক সংগঠন স্বপ্ন ছোঁয়া ফাউন্ডেশন-এর সহ- প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। এখানে তিনি সমাজসেবামূলক নানা কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সংগঠক হিসেবে ফরিদপুরে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিস্টস-এ প্রশিক্ষক ও সাইক্লিস্ট ছিলেন। সাইক্লিংয়ের মাধ্যমে তিনি শুধু ক্রীড়া নয়, পরিবেশবান্ধব চলাচল ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তাও ছড়িয়েছেন।
তিনি উদ্দীপ্ত বাংলাদেশ-এর পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবেশ রক্ষায় তার কার্যক্রম প্রমাণ করে যে তিনি শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় পর্যায়েও পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন।
স্বেচ্ছাসেবার গল্প
মোঃ হিমেল খান এর জীবনের আরেকটি বড় অধ্যায় স্বেচ্ছাসেবা। তিনি থার্ড আই সংগঠন যেটা অন্ধ দের নিয়ে কাজ করে তার সাথে যুক্ত আছেন। বিডি ক্লিন ফরিদপুর-এর সঙ্গে কাজ করেছেন। সমাজের ময়লা-অবহেলা দূর করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার যে উদ্যোগ বাংলাদেশে নতুন সংস্কৃতি তৈরি করেছে, তার অংশ হয়েও কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব-এর সাবেক প্রধান মার্চেন্ডাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন , বর্তমানে তিনি এই সংগঠনের অ্যালামনাই হিসাবে আছেন । যেখানে তরুণদের অভিযাত্রা ও সৃজনশীলতার অনুপ্রেরণায় ভূমিকা রেখেছেন।
হিমেল রাফসানের দৃষ্টিভঙ্গি ও স্বপ্নঃ
ছাত্ররাজনীতির প্রচলিত লেজুড়ভিত্তিক ধারার বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান। তার লক্ষ্য—একটি জবাবদিহিতাপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও সেবামূলক হল সংসদ গড়া। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানেই ক্ষমতা নয়; রাজনীতি মানে দায়িত্ব, জবাবদিহিতা ও সেবা।
রাষ্ট্র,সমাজ, পরিবেশ, সাইক্লিং ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে তার গভীর আগ্রহ রয়েছে। তার মতে,
“ছোট ছোট উদ্যোগই বড় পরিবর্তনের পথে নিয়ে যায়।”
হিমেল প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি আর নিষ্ঠা থাকলে বয়স কোনো বাধা নয়। তরুণ বয়সেই তিনি সমাজ, শিক্ষা ও পরিবেশে যে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন, তা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে। তার স্বপ্ন—একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক, পরিচ্ছন্ন ও সচেতন বাংলাদেশ গড়ার।
তাই তিনি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)নির্বাচনে এ এফ রহমান হল সংসদে সহ- সভাপতি(ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। যেনো লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির বাইরে একটি জবাবদিহিতাপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও সেবামূলক হল সংসদ গড়তে পারেন।
















