ত্যাগ-সংগ্রামের স্বীকৃতি চান সাহিদা বেগম
- আপডেট সময় : ০৫:৩২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম-ফরিদপূর
রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা, দুঃসময়, নির্যাতন আর অগণিত বাধা পেরিয়ে যিনি আজও অবিচল দাঁড়িয়ে আছেন আদর্শের জায়গায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর মহানগর বার্তা:
১৭ এপ্রিল বিকাল তিনটা থেকে বিরতিহীনভাবে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন তারেক রহমান, সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রুহুল কবির রিজভী, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান সহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকারের পূর্বে রুহুল কবির রিজভী জানান, দেশের পাঁচটি বিভাগ থেকে প্রায় ৪০০ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই শত শত প্রত্যাশীর ভিড়ে আলাদা হয়ে ওঠে ফরিদপুর সদর থেকে আগত সাহিদা বেগমের বক্তব্য। তার কণ্ঠে ফুটে ওঠে দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নির্যাতন ও সংগ্রামের বেদনাময় ইতিহাস।
সাক্ষাৎকার শেষে তিনি বলেন, “আমি তিনবার নির্বাচন করেছি। আমার বসতবাড়িতে হামলা হয়েছে, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকে ভয়ভীতি দেখানো হয়, যার ফলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তবুও আমি থামিনি।”
জানা যায়, ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাহিদা বেগমের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ত্যাগ ও দলের প্রতি অবিচল আনুগত্য তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত করার দাবিদার করে তোলে।
এ বিষয়ে সাহিদা বেগম বলেন, “দল আমার ত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্যায়ন করবে—এই বিশ্বাস নিয়েই আমি এগিয়ে যাচ্ছি।”
দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি, আর সেই সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।




















