ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‎মাদারীপুরে একটি পিস্তল ও ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার নওগাঁর পত্নীতলায় দাখিল পরীক্ষায় শূন্য পাস, ১৯ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য ফরিদপুর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন উপদেষ্টা এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল ও নায়াব ইউসুফ, সভাপতি হানিফ মন্ডল, সম্পাদক রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন ফরিদপুরের কানাইপুর বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল দুই দোকান ফমেক অধ্যক্ষ পদে যোগ দিলেন ডা. সৈয়দ আসিফ ছাত্রদলের শুভেচ্ছা, বহিরাগতদের মব সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ ২০ বছরের সরকারি চাকরি, যেনো আলাদিনের চাকরি ৪ কোটি টাকার বাড়ি: গণপূর্তের ক্যাশিয়ার জাহাঙ্গীরের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন  কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সকল শিক্ষার্থী  নোটিশের পর আজ বিকেল ৩টায় ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযান। কিছু মানুষ হারিয়ে যাওয়ার পরই তাদের মূল্য বোঝা যায়

গোয়ালন্দে বিএনপির নামে সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ ওয়াজেদ আলী, রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির যৌথ সভার নামে সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল ১৭ জুন মঙ্গলবার সকালে গোয়ালন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মিজান উদ্দিন শেখ, সহ-সভাপতি আয়ুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ আহম্মেদ মুসা, সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হুদা উজ্জল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সরদার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, রাজবাড়ী -১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম গত ১৬ জুন গোয়ালন্দ রোকন উদ্দিন প্লাজায় যৌথ সভা করেছেন, নাম দিয়েছেন গোয়ালন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথসভা। আমাদের প্রশ্ন তিনি এ রকম একটা শিরোনাম দিয়ে যৌথ সভা করতে পারেন কি-না? অনুষ্ঠানে যারা বক্তব্য দিয়েছেন তারা সকলেই প্রাক্তন ডেজিগনেশন ধারণ করে বক্তব্য দিয়েছেন। কারো কোন পদ-পদবী নেই। সুতরাং এই তথা কথিত যৌথসভা আহবান করা মুল্য হীন। প্রকৃত পক্ষে সভাটি ছিলো যারা কাউন্সিলে পরাজিত হয়েছিল তারা এবং আওয়ামীলীগ থেকে আগত, সতের বছর নিস্ক্রিয় এবং ৫ আগষ্টের পর যারা লুটপাটে ব্যাস্ত। বক্তব্যে আরো বলেন, খৈয়ম সাহেব নিজস্ব দৃষ্টিকোন থেকে রাজনীতি করেন, দলের শৃংখলা মানেন না। ১/১১ এর সময় নিজ স্বার্থে তিনি মান্নান ভূইয়ার সাথে সংস্কারে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি পল্টি খেয়ে সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তারা আরও বলেন, আমাদের পরীক্ষিত নেতা এ্যাড আসলাম মিয়া ১/১১ এর সময় সেনাবাহিনী তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করেছিলো, তবু তিনি দলের সাথে বেঈমানী করেন নাই। তিনি সকল দলীয় কর্মসুচি বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি সকল প্রতিকুলতার সময় নিজস্ব স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। আমরা দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কোন কাজকে মেনে নিব না। আমরা উক্ত যৌথ সভার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সম্মেলনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গোয়ালন্দে বিএনপির নামে সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:২১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

মোঃ ওয়াজেদ আলী, রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির যৌথ সভার নামে সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল ১৭ জুন মঙ্গলবার সকালে গোয়ালন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মিজান উদ্দিন শেখ, সহ-সভাপতি আয়ুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ আহম্মেদ মুসা, সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হুদা উজ্জল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সরদার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, রাজবাড়ী -১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম গত ১৬ জুন গোয়ালন্দ রোকন উদ্দিন প্লাজায় যৌথ সভা করেছেন, নাম দিয়েছেন গোয়ালন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথসভা। আমাদের প্রশ্ন তিনি এ রকম একটা শিরোনাম দিয়ে যৌথ সভা করতে পারেন কি-না? অনুষ্ঠানে যারা বক্তব্য দিয়েছেন তারা সকলেই প্রাক্তন ডেজিগনেশন ধারণ করে বক্তব্য দিয়েছেন। কারো কোন পদ-পদবী নেই। সুতরাং এই তথা কথিত যৌথসভা আহবান করা মুল্য হীন। প্রকৃত পক্ষে সভাটি ছিলো যারা কাউন্সিলে পরাজিত হয়েছিল তারা এবং আওয়ামীলীগ থেকে আগত, সতের বছর নিস্ক্রিয় এবং ৫ আগষ্টের পর যারা লুটপাটে ব্যাস্ত। বক্তব্যে আরো বলেন, খৈয়ম সাহেব নিজস্ব দৃষ্টিকোন থেকে রাজনীতি করেন, দলের শৃংখলা মানেন না। ১/১১ এর সময় নিজ স্বার্থে তিনি মান্নান ভূইয়ার সাথে সংস্কারে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি পল্টি খেয়ে সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তারা আরও বলেন, আমাদের পরীক্ষিত নেতা এ্যাড আসলাম মিয়া ১/১১ এর সময় সেনাবাহিনী তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করেছিলো, তবু তিনি দলের সাথে বেঈমানী করেন নাই। তিনি সকল দলীয় কর্মসুচি বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি সকল প্রতিকুলতার সময় নিজস্ব স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। আমরা দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কোন কাজকে মেনে নিব না। আমরা উক্ত যৌথ সভার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সম্মেলনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।