ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সদরপুরে ২০০ বছরের ঐতিহ্য: জরিপের ডাঙ্গীতে উৎসবমুখর ‘মুসলমানদের মেলা’ সদরপুরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারনে এস এস সি পরীক্ষার্থী চরম ভোগান্তি এগুলো দেখার কেউ নেই কালিয়াকৈরেএস এস সি পরীক্ষার্থীদের পাশে এমপি মজিবুর রহমান, শুভেচ্ছা ব্যানারে দলীয় বার্তা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনের মনোনয়ন চূড়ান্ত ফরিদপুরে আবাসিক হোটেলে হামলা, মালিককে কুপিয়ে জখম; চাঁদাবাজির অভিযোগ। ফরিদপুরে রাতের আঁধারে অবৈধ মাটি উত্তোলন, ফসলি জমির ক্ষতি ও জনদুর্ভোগ। ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকেই প্রাণ গেল পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর, ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১ ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের প্রচার সম্পাদক বহিষ্কার ফরিদপুর জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

দোলায় চড়ে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,বিজয়া দশমীর,আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে (২রা অক্টোবর)বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দুদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দুপুর ২টা থেকে নদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে শুরু হয় একে একে প্রতিমা বিসর্জন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিসর্জনের প্রধান স্থান বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী পাশাপাশি ও রাবনাবাদ নদী ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুরেও দেওয়া হয়েছে বিসর্জন।বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। বিসর্জন দেখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও নদীর পাড়ে ভিড় করেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করা হয়।
তিনি আরও জানান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের কর্মীদের পাশাপাশি এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসতে যাতে পূজার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ ছিল।’ এ বছর কঠোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশাদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতাধিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ছিল।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা সন্তানদের নিয়ে কৈলাসের স্বামীর ঘর থেকে মর্ত্যে গজে চড়ে যাত্রা শুরু করেন। আর বিজয়া দশমীতে দোলায় চড়ে ফিরে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত।

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

দোলায় চড়ে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,বিজয়া দশমীর,আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে (২রা অক্টোবর)বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দুদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দুপুর ২টা থেকে নদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে শুরু হয় একে একে প্রতিমা বিসর্জন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিসর্জনের প্রধান স্থান বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী পাশাপাশি ও রাবনাবাদ নদী ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুরেও দেওয়া হয়েছে বিসর্জন।বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। বিসর্জন দেখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও নদীর পাড়ে ভিড় করেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করা হয়।
তিনি আরও জানান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের কর্মীদের পাশাপাশি এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসতে যাতে পূজার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ ছিল।’ এ বছর কঠোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশাদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতাধিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ছিল।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা সন্তানদের নিয়ে কৈলাসের স্বামীর ঘর থেকে মর্ত্যে গজে চড়ে যাত্রা শুরু করেন। আর বিজয়া দশমীতে দোলায় চড়ে ফিরে যান।