ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাতবদল হয়েই দাম দ্বিগুণ, বিলুপ্তপ্রায় তাল ফলের বাজার চড়া মাদক ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর গোয়ালন্দঘাটে ৮.৫৮ লাখ টাকার মাদকসহ চারজন গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ভেজালবিরোধী অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা উচ্ছেদের পরও ফুটপাত দখলে, প্রশ্ন উঠছে পৌর অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে শিবচরে রেলভূমিতে ‘দখল-বাণিজ্য ধামইরহাটে নারী হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী ও চালক নিহত কণিকার বাড়িতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস সিজারের ৫১ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু, পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

দোলায় চড়ে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,বিজয়া দশমীর,আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে (২রা অক্টোবর)বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দুদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দুপুর ২টা থেকে নদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে শুরু হয় একে একে প্রতিমা বিসর্জন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিসর্জনের প্রধান স্থান বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী পাশাপাশি ও রাবনাবাদ নদী ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুরেও দেওয়া হয়েছে বিসর্জন।বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। বিসর্জন দেখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও নদীর পাড়ে ভিড় করেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করা হয়।
তিনি আরও জানান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের কর্মীদের পাশাপাশি এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসতে যাতে পূজার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ ছিল।’ এ বছর কঠোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশাদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতাধিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ছিল।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা সন্তানদের নিয়ে কৈলাসের স্বামীর ঘর থেকে মর্ত্যে গজে চড়ে যাত্রা শুরু করেন। আর বিজয়া দশমীতে দোলায় চড়ে ফিরে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত।

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

দোলায় চড়ে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,বিজয়া দশমীর,আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে (২রা অক্টোবর)বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দুদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দুপুর ২টা থেকে নদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে শুরু হয় একে একে প্রতিমা বিসর্জন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিসর্জনের প্রধান স্থান বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী পাশাপাশি ও রাবনাবাদ নদী ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুরেও দেওয়া হয়েছে বিসর্জন।বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। বিসর্জন দেখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও নদীর পাড়ে ভিড় করেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করা হয়।
তিনি আরও জানান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের কর্মীদের পাশাপাশি এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসতে যাতে পূজার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ ছিল।’ এ বছর কঠোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশাদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতাধিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ছিল।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা সন্তানদের নিয়ে কৈলাসের স্বামীর ঘর থেকে মর্ত্যে গজে চড়ে যাত্রা শুরু করেন। আর বিজয়া দশমীতে দোলায় চড়ে ফিরে যান।