জোরপূর্বক বাড়ি নির্মাণে বাধার অভিযোগে- মধুখালীর ম্যাক্সমী ইউনিয়নের পার আশাপুর গ্রামে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ১২:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম- ফরিদপুর
ফরিদপুরের মধুখালী থানাধীন মেক্সামি ইউনিয়নের পার আশাপুর গ্রামে পৈতৃক জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে নিজ বাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার ১০ ভাই-বোন বসবাস করে আসছেন। তবে একই এলাকার মোঃ ইলিয়াস ফকির ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে নানা ধরনের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ইলিয়াস ফকির গং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের পরিবারকে একের পর এক হয়রানি করছে। কখনো কখনো প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়ের কথা উল্লেখ করে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “২০২১ সালে আমাদের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় চলতি জানুয়ারি ২০২৬ সালে আবারও ১৪৪ ধারা জারি করে আমাদের বৈধ বাড়ি নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়া হয়। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আপাতত নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছি।”
এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের পরিবারকে তাদের ন্যায্য সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে ইলিয়াস ফকির গং পরিকল্পিতভাবে মামলা-মোকদ্দমার মাধ্যমে হয়রানি করে আসছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন সময় এলাকায় অশান্তি ও বিরোধ সৃষ্টিতেও ওই গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নারী-পুরুষসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ইলিয়াস ফকির গং-এর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যেন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা তাদের পৈতৃক ও বৈধ জমির ন্যায্য অধিকার ফিরে পান।
ভুক্তভোগী পরিবার আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার পেলে তারা হয়রানি থেকে মুক্ত হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ ভিটেমাটিতে বসবাস করতে পারবেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইলিয়াস ফকিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।











