ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে বিএনপির নির্বাচনী মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ধানের শীষের উঠান বৈঠকে জনগণের ভালোবাসায় অশ্রুসিক্ত রবি বিশ্বাস ভাঙ্গায় জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ। ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী। ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন। কক্সবাজার মডেল প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরকে বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশনের প্রতিশ্রুতি জামায়াতের: রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে বিশাল জনসভা ফরিদপুরে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা “ভোটের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে” — ডা. শফিকুর রহমান কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ের ত্রাস ও শীর্ষ অপহরণকারী আবছার উদ্দিন গ্রেফতার নড়াইলের কলোড়ায় ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত নির্বাচন দায়িত্বের পাশাপাশি সীমান্তে কঠোর নজরদারি ধামইরহাটে ১৪ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী। ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।

ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী। ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী। ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।

ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।