ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬” এর শুভ উদ্বোধন ফরিদপুর সদরে মনিরুজ্জামানের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী বেপরোয়া ট্রাকের তাণ্ডব: আহত বহু পথচারী, উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে চালকের মৃত্যু ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৯ নং ওয়ার্ডে উন্নয়নের অঙ্গীকার: কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মির্জা মাসুদ পারভেজের প্রতিশ্রুতি উত্তরায় বাবার সামনে থেকে স্কুলছাত্রী অপহরণ, ৯ দিন পর জীবিত উদ্ধার—স্বস্তির মাঝেও রয়ে গেছে বহু প্রশ্ন Dialyzer theft at Faridpur Medical College Hospital due to nurse Nadia Akhter’s negligence, 1 person arrested মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা কালিয়াকৈর ঢাকা টাংগাইল মহাসড়কের পাশে ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা  বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস ফরিদপুরে শিশু আইরিন হত্যা রহস্য উদঘাটন, নারীসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী। ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৯৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।

ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী। ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুর আখ সেন্টার এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পুকুরের পানির নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ধরন ও সংখ্যা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধচক্র এসব অস্ত্র গোপনে মজুত করে রেখেছিল।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে পানির তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট ও বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো পুকুরের পানির নিচে ও আশপাশের মাটির স্তরে অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা না গেলেও অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল—তা উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।

ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের যৌথ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।