ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বন্ধু মাসুদ রানার কন্যার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাব সভাপতির নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর: মরহুম মাসুদ রানা (রানা)–এর বড় কন্যা জান্নাতুল মাওয়া পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করেছে। ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রকাশিত হলে এ সুখবর ছড়িয়ে পড়ে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে। এ সংবাদে গভীর আনন্দ ও আবেগ প্রকাশ করেছেন ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাব–এর সভাপতি নাজমুল হুদা বাশার। তিনি বলেন, “বন্ধু রানা আজ বেঁচে থাকলে কতটাই না খুশি হতো! মেয়ের এই সাফল্য দেখে বুক ভরে যেত তার। জান্নাতুল মাওয়া যদি আজ বাবার হাত ধরে এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারতো—তাহলে মুহূর্তটি আরও পরিপূর্ণ হতো।” জান্নাতুল মাওয়া ফরিদপুরের মিয়া পাড়া, পশ্চিম খাবাশপুর এলাকার আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে। অল্প বয়সেই পিতৃহারা এই মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন কৃতিত্বে গর্বিত তার পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী। সভাপতি নাজমুল হুদা বাশার আরও স্মৃতিচারণ করে জানান, ছোটবেলায় রানা একদিন মেয়েকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তোলা একটি ছবির কথা উল্লেখ করে তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “ছবিটি তুলেছিল আমাদেরই বন্ধু রানা। আজ সে নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া স্মৃতি আর মেয়ের সাফল্য আমাদের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে।” তিনি দেশবাসীর কাছে জান্নাতুল মাওয়ার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং বলেন, “ভালো থাকিস মা, ফি আমানিল্লাহ। আল্লাহ যেন তোমাকে মানুষের মতো মানুষ হওয়ার তাওফিক দেন এবং তোমার বাবার স্বপ্ন পূরণের শক্তি দান করেন।” বন্ধুর কন্যার এই অর্জনে আনন্দের সঙ্গে মিশে আছে না-পাওয়ার বেদনা। তবুও জান্নাতুল মাওয়ার সাফল্য প্রমাণ করে—স্বপ্ন থেমে থাকে না, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তা বেঁচে থাকে ভালোবাসা ও দোয়ার শক্তিতে। ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের চাঁদাবাজ বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহার গ্রেফতার ফরিদপুরে চোর চক্রের একাধিক আসামি গ্রেপ্তার, ১৮টি ইজিবাইক উদ্ধার ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ভাঙ্গায় হত্যা ও ডাকাতি মামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ফরিদপুরে ঈদ ও রমজানে নিরাপত্তা পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার। গলাচিপা উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: সর্বস্তরের জনগণের অনুরোধে ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রতিদিন পদে লড়বেন শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া। ফরিদপুরে স্কুলশিক্ষককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম: আদালতে মামলা দায়ের। নড়াইলে দুইপক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৫ জন নিহত কক্সবাজার সদরে বনভূমি দখল করে বহুতল বভন নির্মাণের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ

ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের চাঁদাবাজ বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহার গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

কোতয়ালী থানায় মামলা হুমকির অভিযোগে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা চাইল এলাকাবাসী।

ফরিদপুর সদর উপজেলার পৌরসভা এলাকাধীন ১৪ নং ওয়ার্ডের হাড়োকানদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ইউনিব্লক নির্মাণকাজে চাঁদা দাবির অভিযোগে বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহারকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তার গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর পৌরসভার উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার মুরাদের কাছে বাহার শেখ ও তার সহযোগী আরও ৫-৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হলে পৌরসভার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ১৪ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আতিয়ার শেখ বাহারকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ঘটনার পর পুলিশ একাধিক টিম গোপনীয় তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মাহাবুব মিয়া বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৪৫, তারিখ ২৪-০২-২০২৬ ইং; ধারা ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮৫, ৫০৬, পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী মামলা রুজু হয়।

মাহাবুব মিয়া বলেন, “দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যেখানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও সদ্য নির্বাচিত আমাদের ফরিদপুর সদরের জননন্দিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাবা নায়াব ইউসুফ তিনি বলেছেন ফরিদপুর সদরে কোন ধরনের দুর্নীতি চাঁদাবাজী টেন্ডার বাজি করা যাবে না।এই সমাজে অন্যায়-অনিয়ম যেখানে হবে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব সকলের সবার আগে বাংলাদেশ।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাবেক মন্ত্রী মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের ছবি এই নাপিত বাহার তার নিজস্ব ফেইসবুক আইডিতে ব্যবহার করে এলাকার জনগণকে বোকা বানিয়ে নিজে নিজে নেতা সেজে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালায়।

এদিকে, বাহারের গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় অনেকে স্বস্তি প্রকাশ করেন। কেউ কেউ মিষ্টি বিতরণ করেন এবং মসজিদে মানতের অর্থ প্রদান করেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, জাতীয় দৈনিক ‘সকালের সময়’পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি হুমকির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা— চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও প্রভাব খাটিয়ে দখলবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এদিকে এই বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহার কে গ্রেফতার পরবর্তী নাপিত বাহার কে যাবিনের জন্য কোট কাঁচারীতে ব্যাপকভাবে তয়তদবীর করছেন ১৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিনান ও তার আর এক সহযোগি গাজী সোহাগ

এই বিষয়টি জানার পর এলাকাবাসীরা দাবি করেন এই গডফাদারদের ছত্রছায়ায় ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ডে দুইটি কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজ সংগঠন তৈরি হচ্ছে রাতে মোড়ে মোড়ে মহড়া। এসময় এলাকাবাসীরা বলেন আমাদের শেষ ভরসা ফরিদপুরের জননন্দিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাবা নায়াব ইউসুফ তিনি যদি এই ওয়ার্ড দুটির দিকে একটু দেখভাল করেন তবেই কেবল এই ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ড সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত হবে বলে মনে করেন। এসময় সাধারণ জনগনেরা বলেন আমাদের বিশ্বাস তিনি কামাল ইবনে ইউসুফ এর কন্যা তার বাবা যেমন আমাদের কে দেখভাল করে রাখতেন নিশ্চয় তিনি ও আমাদের কে সেই ভাবে রাখবেন। এদিকে এই চাঁদাবাজের নাম বলাতে মুরাদ সহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগের মধ্যে বসবাস করছেন। এলাকাবাসীরা বলেন কবে যে এই গডফাদারদের হাত থেকে রক্ষা পাবে ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণেররা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মরহুম বন্ধু মাসুদ রানার কন্যার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাব সভাপতির নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর: মরহুম মাসুদ রানা (রানা)–এর বড় কন্যা জান্নাতুল মাওয়া পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করেছে। ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রকাশিত হলে এ সুখবর ছড়িয়ে পড়ে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে। এ সংবাদে গভীর আনন্দ ও আবেগ প্রকাশ করেছেন ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাব–এর সভাপতি নাজমুল হুদা বাশার। তিনি বলেন, “বন্ধু রানা আজ বেঁচে থাকলে কতটাই না খুশি হতো! মেয়ের এই সাফল্য দেখে বুক ভরে যেত তার। জান্নাতুল মাওয়া যদি আজ বাবার হাত ধরে এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারতো—তাহলে মুহূর্তটি আরও পরিপূর্ণ হতো।” জান্নাতুল মাওয়া ফরিদপুরের মিয়া পাড়া, পশ্চিম খাবাশপুর এলাকার আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে। অল্প বয়সেই পিতৃহারা এই মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন কৃতিত্বে গর্বিত তার পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী। সভাপতি নাজমুল হুদা বাশার আরও স্মৃতিচারণ করে জানান, ছোটবেলায় রানা একদিন মেয়েকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তোলা একটি ছবির কথা উল্লেখ করে তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “ছবিটি তুলেছিল আমাদেরই বন্ধু রানা। আজ সে নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া স্মৃতি আর মেয়ের সাফল্য আমাদের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে।” তিনি দেশবাসীর কাছে জান্নাতুল মাওয়ার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং বলেন, “ভালো থাকিস মা, ফি আমানিল্লাহ। আল্লাহ যেন তোমাকে মানুষের মতো মানুষ হওয়ার তাওফিক দেন এবং তোমার বাবার স্বপ্ন পূরণের শক্তি দান করেন।” বন্ধুর কন্যার এই অর্জনে আনন্দের সঙ্গে মিশে আছে না-পাওয়ার বেদনা। তবুও জান্নাতুল মাওয়ার সাফল্য প্রমাণ করে—স্বপ্ন থেমে থাকে না, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তা বেঁচে থাকে ভালোবাসা ও দোয়ার শক্তিতে।

ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের চাঁদাবাজ বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহার গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:২০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

কোতয়ালী থানায় মামলা হুমকির অভিযোগে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা চাইল এলাকাবাসী।

ফরিদপুর সদর উপজেলার পৌরসভা এলাকাধীন ১৪ নং ওয়ার্ডের হাড়োকানদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ইউনিব্লক নির্মাণকাজে চাঁদা দাবির অভিযোগে বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহারকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তার গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর পৌরসভার উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার মুরাদের কাছে বাহার শেখ ও তার সহযোগী আরও ৫-৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হলে পৌরসভার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ১৪ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আতিয়ার শেখ বাহারকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ঘটনার পর পুলিশ একাধিক টিম গোপনীয় তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মাহাবুব মিয়া বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৪৫, তারিখ ২৪-০২-২০২৬ ইং; ধারা ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮৫, ৫০৬, পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী মামলা রুজু হয়।

মাহাবুব মিয়া বলেন, “দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যেখানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও সদ্য নির্বাচিত আমাদের ফরিদপুর সদরের জননন্দিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাবা নায়াব ইউসুফ তিনি বলেছেন ফরিদপুর সদরে কোন ধরনের দুর্নীতি চাঁদাবাজী টেন্ডার বাজি করা যাবে না।এই সমাজে অন্যায়-অনিয়ম যেখানে হবে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব সকলের সবার আগে বাংলাদেশ।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাবেক মন্ত্রী মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের ছবি এই নাপিত বাহার তার নিজস্ব ফেইসবুক আইডিতে ব্যবহার করে এলাকার জনগণকে বোকা বানিয়ে নিজে নিজে নেতা সেজে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালায়।

এদিকে, বাহারের গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় অনেকে স্বস্তি প্রকাশ করেন। কেউ কেউ মিষ্টি বিতরণ করেন এবং মসজিদে মানতের অর্থ প্রদান করেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, জাতীয় দৈনিক ‘সকালের সময়’পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি হুমকির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা— চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও প্রভাব খাটিয়ে দখলবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এদিকে এই বাহার শেখ ওরফে নাপিত বাহার কে গ্রেফতার পরবর্তী নাপিত বাহার কে যাবিনের জন্য কোট কাঁচারীতে ব্যাপকভাবে তয়তদবীর করছেন ১৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিনান ও তার আর এক সহযোগি গাজী সোহাগ

এই বিষয়টি জানার পর এলাকাবাসীরা দাবি করেন এই গডফাদারদের ছত্রছায়ায় ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ডে দুইটি কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজ সংগঠন তৈরি হচ্ছে রাতে মোড়ে মোড়ে মহড়া। এসময় এলাকাবাসীরা বলেন আমাদের শেষ ভরসা ফরিদপুরের জননন্দিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাবা নায়াব ইউসুফ তিনি যদি এই ওয়ার্ড দুটির দিকে একটু দেখভাল করেন তবেই কেবল এই ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ড সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত হবে বলে মনে করেন। এসময় সাধারণ জনগনেরা বলেন আমাদের বিশ্বাস তিনি কামাল ইবনে ইউসুফ এর কন্যা তার বাবা যেমন আমাদের কে দেখভাল করে রাখতেন নিশ্চয় তিনি ও আমাদের কে সেই ভাবে রাখবেন। এদিকে এই চাঁদাবাজের নাম বলাতে মুরাদ সহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগের মধ্যে বসবাস করছেন। এলাকাবাসীরা বলেন কবে যে এই গডফাদারদের হাত থেকে রক্ষা পাবে ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণেররা।