ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গুজবের বলি ট্রাকচালক হান্নান: ২ বছরের শিশু মুসলিমা এখন দাদা-দাদির কোলে—বিচার ও সহায়তার দাবিতে এলাকাবাসী ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬” এর শুভ উদ্বোধন ফরিদপুর সদরে মনিরুজ্জামানের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী বেপরোয়া ট্রাকের তাণ্ডব: আহত বহু পথচারী, উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে চালকের মৃত্যু ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৯ নং ওয়ার্ডে উন্নয়নের অঙ্গীকার: কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মির্জা মাসুদ পারভেজের প্রতিশ্রুতি উত্তরায় বাবার সামনে থেকে স্কুলছাত্রী অপহরণ, ৯ দিন পর জীবিত উদ্ধার—স্বস্তির মাঝেও রয়ে গেছে বহু প্রশ্ন Dialyzer theft at Faridpur Medical College Hospital due to nurse Nadia Akhter’s negligence, 1 person arrested মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা কালিয়াকৈর ঢাকা টাংগাইল মহাসড়কের পাশে ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা  বৃষ্টির পর আকাশে রঙের খেলা: রংধনুর বিজ্ঞান ও গ্রামীণ বিশ্বাস

নরসিংদীর সদর উপজেলার অলি কে ৮ টুকরা করে স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের কারণে , গ্ৰেফতার (৩)

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি 

 

উত্তরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে RAB (1-7) গত শনিবার ৯ আগস্ট  অলি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২) সহ তিনজনকে  ।চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- নরসিংদী সদর থানার করিমপুর এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), মজনু মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) ও শাওন বেগম (৩২)। নিহত অলি মিয়া একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তারা সবাই টঙ্গী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) জানায় নরসিংদীর

একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় আগে থেকেই তাঁরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। একসঙ্গে চলাফেরা করতেন নিকটতম আত্বিয়ের মতন। একে অন্যের বাসায় ছিল যাতায়াত।  নিহত অলি আসামি আপেল মাহমুদ সাদেকের স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন। এতে সাদেক উত্তেজিত হন। প‌রে সাদেক ও সাজ্জাদ হোসেন রনি মিলে অলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ৬ আগস্ট কৌশলে টঙ্গীর বনমালা রেল‌গেট এলাকায় সাদেকের ভাড়া বাসায় অলিকে আনা হয়। এরপর সাদেক ও সাজ্জাদ মিলে অলিকে ট্রেনের নীচে ফেলে হত্যা করতে রেললাইনে নিয়ে যান। কিন্তু ওই সময় কোনো ট্রেন না থাকায় অলিকে নি‌য়ে সাদেকের বাসায় ফিরে আসেন তারা।

 

এর কিছুক্ষণ পর সাদেক ও রনি রুমের দরজা বন্ধ করে প্রথ‌মে অলির মু‌খে বা‌লিশ চাপা দি‌য়ে হত্যা করেন। প‌রে তার লাশ ৮ টুকরা করেন এবং মাথাটি শরীর থে‌কে আলাদা ক‌রে প‌লি‌থি‌নে পেঁচিয়ে এক‌টি ব‌্যা‌গের ভেত‌রে ভ‌রে টয়লেটের ফলস ছাদে রে‌খে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নরসিংদীর সদর উপজেলার অলি কে ৮ টুকরা করে স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের কারণে , গ্ৰেফতার (৩)

আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

 

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি 

 

উত্তরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে RAB (1-7) গত শনিবার ৯ আগস্ট  অলি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২) সহ তিনজনকে  ।চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- নরসিংদী সদর থানার করিমপুর এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), মজনু মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) ও শাওন বেগম (৩২)। নিহত অলি মিয়া একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তারা সবাই টঙ্গী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) জানায় নরসিংদীর

একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় আগে থেকেই তাঁরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। একসঙ্গে চলাফেরা করতেন নিকটতম আত্বিয়ের মতন। একে অন্যের বাসায় ছিল যাতায়াত।  নিহত অলি আসামি আপেল মাহমুদ সাদেকের স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন। এতে সাদেক উত্তেজিত হন। প‌রে সাদেক ও সাজ্জাদ হোসেন রনি মিলে অলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ৬ আগস্ট কৌশলে টঙ্গীর বনমালা রেল‌গেট এলাকায় সাদেকের ভাড়া বাসায় অলিকে আনা হয়। এরপর সাদেক ও সাজ্জাদ মিলে অলিকে ট্রেনের নীচে ফেলে হত্যা করতে রেললাইনে নিয়ে যান। কিন্তু ওই সময় কোনো ট্রেন না থাকায় অলিকে নি‌য়ে সাদেকের বাসায় ফিরে আসেন তারা।

 

এর কিছুক্ষণ পর সাদেক ও রনি রুমের দরজা বন্ধ করে প্রথ‌মে অলির মু‌খে বা‌লিশ চাপা দি‌য়ে হত্যা করেন। প‌রে তার লাশ ৮ টুকরা করেন এবং মাথাটি শরীর থে‌কে আলাদা ক‌রে প‌লি‌থি‌নে পেঁচিয়ে এক‌টি ব‌্যা‌গের ভেত‌রে ভ‌রে টয়লেটের ফলস ছাদে রে‌খে ছিলেন।