নগরীতে ব্যাংকে বোরকা পরে সাড়ে আট লক্ষ টাকা ডাকাতি।
- আপডেট সময় : ১০:৫১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ৪৫৫ বার পড়া হয়েছে

রাব্বি খান, স্টাফ রিপোর্ট
নগরীর কদমতলা মোড়ে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে বোরকা পরে নারী সেজে অভিনব পদ্ধতিতে ডাকাতি। এজেন্টকে বেধে ৮ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা লুট। ডাকাতকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে আশপাশের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। তবে ৪৮ ঘন্টার ও বেশি সময় পার হলেও টাকা উদ্ধার করেতে পারেনি পুলিশ। ব্যবসায়ী মহলে আতংক ও ক্ষোভ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর কদমতলা মোড়ে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের শাখায় বোরকা পরে ব্যাগ হাতে এক নারী প্রবেশ করে। এর পর তিনি ছুরি বের করে এজেন্ট মেসার্স নিউ মোদিনা ভান্ডার এর প্রোপাইটার বেলায়েত হোসেন বকুলকে ভয় দেখান। এসময় বেলায়েত হোসেন বকুল তাকে প্রতিহত করতে গেলে দোকানের মধ্যে পড়ে যায়। পরে ডাকাত তার হাত পা মুখ বেধে ক্যাশ থেকে ৮ লাখ ৫৪ হাজার ৯শত আশি টাকা নিয়ে যায়। এসময় হাত পা মুখ বাধা অবস্থায় এজেন্ট বকুল দোকান থেকে বের হয়ে চেচামেচি করলে আশপাশের ব্যাসায়ীরা ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে বাহিরে থাকা ডাকাতের সহযোগীরা টাকার ব্যাগ নিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে বেলায়েত হোসেন বকুল বলেন, আমি দুপুরে নিজেই একা কাউন্টারে বসে ছিলাম। এসময় বোরকা পরে ডাকাত দলের সদস্য ভিতরে প্রবেশ করে ছুরি বের করে। আমি নারী ভেবে ছুরি হাতে তাকে দেখে প্রথমে ভীত সন্ত্রস্ত হই এবং তাকে প্রতিহত করতে গেলে নিচে মেঝেতে পরে যায়। পরে সে আমার হাত, পা এবং মুখ বেঁধে ক্যাশ থেকে টাকা নিয়ে বের হয়ে বাহিরে থাকা অপর সদস্যদের কাছে ব্যাগ দিয়ে দেয়। আমি কোন রকম বের হয়ে আশপাশের লোকজনকে ডাক দিলে তারা বোরকা পরা ডাকাত সদস্য মাসুদ রানা সাজ্জাদকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি। এবিষয়ে খুলনা সদর থানায় আমি মামলা দায়ের করেছি। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই সাঈদ বলেন, গ্রেফতারকৃত মাসুদ রানা সাজ্জাদ বাগেরহাটের মোল্লার হাটের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে আছে। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার সানোয়ার হোসেন মাসুম বলেন, এঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। এঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে কদমতলা বাজার এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। ব্যাবসায়ীরা বলছেন ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পার হলেও ডাকাতি করে নেওয়া টাকাও উদ্ধার হয়নি ও চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এটি আমাদের ব্যবসায়ীদের জন্য হুমকি স্বরুপ। এই চক্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।





















