ফরিদপুরে মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি ও ভাংচুর মামলায় জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি লিমন সহ গ্রেফতার ২
- আপডেট সময় : ০৯:০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

পার্থ প্রতিম ভদ্র ক্রাইম রিপোর্টারঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে চাঁদা না পেয়ে ১৬ টি মাহেন্দ্র গাড়ি ভাংচুর ও চালকদের পিটিয়ে আহত করার মামলায় জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান লিমন সহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে খিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গ্রেফতার অপর আসামির নাম আনন্দ শুভ্র রায়।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে শহরের ওয়ারলেস পাড়া থেকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফরিদপুর জেলা মাহেন্দ্র মালিক সমিতির সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ বাদি হয়ে ৭ জনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো অনেককে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ নম্বর আসামি জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান লিমন এবং ৭ নম্বর আসামি আনন্দ শুভ্র রায়কে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার এসআই সাহেব আলী বলেন, এ মামলায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেফতারে কাজ চলছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেলে ফরিদপুরের ব্যস্ততম ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে মাহেন্দ্র গাড়ির স্ট্যান্ডে হামলা চালিয়ে ১৬টি মাহেন্দ্র গাড়ি ভাংচুর করা হয়। প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি লাঠিসোটা নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে মাহেন্দ্র গাড়ি স্ট্যান্ডে হামলা চালিয়ে সেখানে যাত্রী পরিবহনের জন্য অপেক্ষমাণ ১৬টি মাহেন্দ্র গাড়ি ভাংচুর করে। এসময় কয়েকজন চালককে আহত করা হয়। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চাঁদা না দেওয়ায় ফরিদপুর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান লিমনের নির্দেশে এ হামলা চালানো হয় বলে মাহেন্দ্র মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ঘটনার পরপরই সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগে জানান। তারা বলেন, ৫ আগষ্টের পর ফরিদপুর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান লিমনের নেতৃত্বে ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে মাহেন্দ্র গাড়ির স্ট্যান্ড থেকে গাড়ির ট্রিপ প্রতি ৫০ টাকা চাঁদা তুলছিলো তারা। তবে গত পনেরদিন ধরে তারা লিমনকে ওই চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয় তারা যাত্রী উঠানো নিয়ে তর্কাতর্কির অজুহাতে হামলা চালায়।












