ফরিদপুর শান্ত শহর কে অশান্তির রূপরেখায় পরিনত করে তুলছে তুষারের ছেলে- সন্ত্রাসী তূর্য
- আপডেট সময় : ০৭:২২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫ ৪৩২ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃ (ধারাবাহিক ২য় পর্ব)
ফরিদপুর শহরে একের পর এক অপকর্ম আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে পুরো শহর কে নিয়ন্ত্রন করছেন বর্তমান ফরিদপুরের আলোচিত শীষ্য কিশোর গ্যাং এর ভয়ংকর সন্ত্রাসীর গডফাদার তূর্য।এই তূর্যের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারনে ফরিদপুর শহরের ব্যবসায়ী ও গ্রাম থেকে শহরে আসা ব্যক্তিরা খুবই ভয়ের মধ্যেই থাকেন। তাদের কাছে মনে হয় কখন যে এই সন্ত্রাসী তুর্যের ভয়াবহ থাবার কবলে পড়ে যাই।এই ছিনতাইকারী তুর্য সহ তূর্য বাহিনীর সকল সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে এই কালো তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীর গড ফাদার ও শীষ্য “সন্ত্রাসী” ছিনতাইকারী তুর্য বাহিনীর সদস্যরা গভীর রাতে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে সঙ্ঘবদ্ধ দল নিয়ে প্রবেশ করে ধারালো- অস্ত্রের মুখে আবাসিক হোটেলের বর্ডারদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ও স্মার্ট ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর-২৫ তারিখ নিউমার্কেটে দুর্গাপূজার মার্কেট করার জন্য নগরকান্দা থেকে আসা বিপ্লব সাহার ছেলে সবুজ সাহাকে রাত অনুমান ১০:৩০মি: এর দিকে
পূর্বখাবাসপুরের তুষারের ছেলে তার কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী তূর্য সহ আরো চার পাঁচ জন ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিউমার্কেটের পার্শ্ববর্তী আবাসিক হোটেল গুলশানের একটি রুমের মধ্যে তালা বদ্ধ করে মারপিট করে ও ধারালো অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছে থাকা নগদ ১২০০০ হাজার টাকা জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে সবুজ সাহা জানিয়েছে। নিউ মার্কেটের অনেক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, মাঝে মাঝেই পথচারীদের ও আবাসিক হোটেলের বডারদের জিম্মি করে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করে তাদের সাথে থাকা টাকা-পয়সা স্বর্ণালংকার সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়। এব্যাপারে হোটেল কর্তৃপক্ষরা জানান, আমরা এই তুষারের ছেলে সন্ত্রাসী তুর্যের ভয়াবহ ছিনতাই কার্যক্রম প্রায় সময় আমাদের হোটেলে করে থাকে বলে স্বীকার করেন তবে হোটেল কর্তৃপক্ষরা এও বলেন ভাই আমাদের নাম বইলেন না তাহলে আমাদেরকে মেরে ফেলবে ও খুব খারাপ মানুষ এবং ওর হাত খুব লম্বা আপনারা দ্যাখেন না ও এককুনা দিয়ে জেলখানায় ঢুকে আরেক কূনা দিয়ে বের হয়ে আসে। ইতিপূর্বে ও যোথবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসী তূর্য ও তার সহধর্মিনীকে মাদক ও ধারালো অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়েছিল। কিশোর এই সদস্য তূর্যের নামে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে।
এছাড়াও জানা যায় গত বছর ফরিদপুর পতিতা পল্লীতে ছিনতাই করনরত অবস্থায় পতিতা পল্লীর নারী কর্মীরা গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। কিছুদিন আগেও হাজি শরিয়তুল্লাহ বাজারে একজন কে কুপিয়ে জখম করে। এছাড়াও ফরিদপুর পতিতা পল্লীতে আসা খদ্দেরদের কে টার্গেট করে তাদের কে মারধর করে সবকিছু কেরে নিয়ে যায় এবং মাঝে মাঝেই দেশীয় অস্ত্রসহ রথখোলার পতিতা পল্লীতে মহরা দেয়।নাম প্রকাশে অনেক যৌন কর্মীরা বলেন তূর্য মাঝে মাঝে আমাদের ও টাকা পয়সা কেরে নিয়ে যায়। তূর্য বাহিনীর জ্বালায় আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি, আমরা পেটের দায়ে ও সাংসারিক বিভিন্ন সমস্যা দুরিকরনের জন্যই এখানে বসবাস করি। আজ আমরা এই ছিনতাইকারী তুর্যর কারনেই না খেয়ে মরতে বসেছি বলে কান্না বিজড়িত কন্ঠে বলেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে নিউমার্কেট এলাকা,হাজি শরিয়তুল্লাহ বাজার ও রথখোলা পতিতা পল্লী এলাকায় এই ছিনতাইকারীর কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আমরা এই সন্ত্রাসী তুর্যের হাত থেকে বাঁচতে চাই। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এই তুর্যের বাবা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে সংগ দেন বলে অনেকেই তুর্যের বাবা তুষার কেও ভয় পান বলে জানান।
অপর দিকে সন্ত্রাসী তূর্যর বাবা তুষার তার ছেলে কে নিজের রাজনৈতিক পদপদবির জন্য ছেলেকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। একাধিক সূত্রে জানা গেছে তূর্যর নামে কোনো মামলা মোকদ্দমা হলে তুষার তার ছেলে কে জেল থেকে বের করার জন্য কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে দোর ঝাঁপ লবিং করে জামিনে বের করে আনেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান কিছুদিন আগেও আমার দোকানের ভিতরে ঢুকে জোর করে আমার দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে টাকা পয়সা নিয়ে যায়। একাধিক লোকের সাথে আলাপ করে জানা যায় এই মুহূর্তে ভয়ংকর ছিনতাইকারী ও ফরিদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী তূর্যকে যদি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা তার বিরুদ্ধে না নেন তাহলে বিপদের আর শেষ হবে না।সর্ব মহলের লোকজনেরা এই ছিনতাইকারী তুর্য সহ তূর্য বাহিনীর গ্রেফতারের দাবি জানান।













