ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবচরে আধুনিক ডাকবাংলোর শুভ উদ্বোধন সদরপুরে মোবাইল ব্যবসায়ীকে হানিট্র্যাপে ফেলে ১৮ ঘণ্টা জিম্মি ও টাকা লুটের অভিযোগ: ২ নারী আটক শারদীয়া দুর্গাপূজা ষষ্ঠ থেকে দশমি পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত সদরপুরে ৩৫টি মণ্ডপে পালিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা, আজ প্রতিমা বিসর্জন বালিয়াকান্দি উপজেলা শালমারা নিশ্চিন্তপুর শালিকী গ্রাম স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ‎শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপির নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান নিহত ‎। ফরিদপুরে দেড় কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার দীর্ঘ ১৮৫ বছরের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল ফরিদপুর পৌরসভা। দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত অপশক্তির দোসররা নানা ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারী পুরুষ সহ ৩৯ জনকে আটক 

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা-এ রাস্তার ইট অপসারণ নিয়ে বিতর্ক, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর। 

ফরিদপুর জেলা বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন-এর তেলজুড়ি গ্রামে রাস্তার ইট অপসারণ কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে, আলোচনা-সমালোচনা। অভিযুক্ত হিসেবে ভেকু মালিক মো. আফতাব হোসেন ও মো. হারুনের নাম উঠে এলেও স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখর ইউনিয়নের খালপাড় এলাকায় পূর্বে কোনো চলাচলযোগ্য রাস্তা ছিল না। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভেকু ব্যবসায়ী মো. আফতাব হোসেন ও মো. হারুন প্রায় ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করে দেন, যা মাঠের ভেতর দিয়ে বামনগাতী পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে। এতে কৃষক ও সাধারণ মানুষের চলাচলে সুবিধা সৃষ্টি হয়। তবে শর্ত ছিল, রাস্তা নির্মাণের পর অবশিষ্ট মাটি তারা বাইরে বিক্রি করবেন।

এলাকাবাসী জানান, গত বছর সরকার প্রায় ১৫০ মিটার অংশে ইটের সলিং করে দেয়। কিন্তু পাট মৌসুমে ভারী পাটবোঝাই যানবাহন চলাচলের কারণে ওই অংশের ইটের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। পরে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হলে ইটগুলো সাময়িকভাবে তুলে মাটি সমান করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, মাটি ভরাট ও সমতলকরণের পর পুনরায় সেখানে ইটের সলিং করে দেওয়া হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জাহান বেগম, রেবেকা পারভীন, স্বপ্না বেগম, আমীন, সাইফুদ্দিন, ইব্রাহিম, মোতালেব, মালেক ও হাবিবুর রহমান বলেন,
ভেকু মালিকরা আমাদের উপকার করেছেন, কোনো ক্ষতি করেননি। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

অভিযুক্ত মো. আফতাব হোসেন বলেন,
আমি নিজে থেকে মাটি কাটতে যাইনি। খালপাড়ের লোকজন রাস্তা সংস্কারের অনুরোধ করেন। ইটগুলো স্থানীয়রাই তুলেছেন। পরে মাটি ভরাট করে রাস্তা মেরামত করে আবার ইটের সলিং করে দেওয়ার কথা ছিল। এ সময় একজন আমার কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন, কিন্তু আমার বক্তব্য নেওয়া হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা-এ রাস্তার ইট অপসারণ নিয়ে বিতর্ক, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর। 

ফরিদপুর জেলা বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন-এর তেলজুড়ি গ্রামে রাস্তার ইট অপসারণ কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে, আলোচনা-সমালোচনা। অভিযুক্ত হিসেবে ভেকু মালিক মো. আফতাব হোসেন ও মো. হারুনের নাম উঠে এলেও স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখর ইউনিয়নের খালপাড় এলাকায় পূর্বে কোনো চলাচলযোগ্য রাস্তা ছিল না। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভেকু ব্যবসায়ী মো. আফতাব হোসেন ও মো. হারুন প্রায় ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করে দেন, যা মাঠের ভেতর দিয়ে বামনগাতী পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে। এতে কৃষক ও সাধারণ মানুষের চলাচলে সুবিধা সৃষ্টি হয়। তবে শর্ত ছিল, রাস্তা নির্মাণের পর অবশিষ্ট মাটি তারা বাইরে বিক্রি করবেন।

এলাকাবাসী জানান, গত বছর সরকার প্রায় ১৫০ মিটার অংশে ইটের সলিং করে দেয়। কিন্তু পাট মৌসুমে ভারী পাটবোঝাই যানবাহন চলাচলের কারণে ওই অংশের ইটের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। পরে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হলে ইটগুলো সাময়িকভাবে তুলে মাটি সমান করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, মাটি ভরাট ও সমতলকরণের পর পুনরায় সেখানে ইটের সলিং করে দেওয়া হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জাহান বেগম, রেবেকা পারভীন, স্বপ্না বেগম, আমীন, সাইফুদ্দিন, ইব্রাহিম, মোতালেব, মালেক ও হাবিবুর রহমান বলেন,
ভেকু মালিকরা আমাদের উপকার করেছেন, কোনো ক্ষতি করেননি। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

অভিযুক্ত মো. আফতাব হোসেন বলেন,
আমি নিজে থেকে মাটি কাটতে যাইনি। খালপাড়ের লোকজন রাস্তা সংস্কারের অনুরোধ করেন। ইটগুলো স্থানীয়রাই তুলেছেন। পরে মাটি ভরাট করে রাস্তা মেরামত করে আবার ইটের সলিং করে দেওয়ার কথা ছিল। এ সময় একজন আমার কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন, কিন্তু আমার বক্তব্য নেওয়া হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।