খুলনা জেলা পরিষদের আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবকে এবার স্টান্ড রিলিজ।
- আপডেট সময় : ০৫:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :
স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে বদলির আদেশ জারি করেছে। অফিস আদেশে বলা হয়েছে এস এম মাহাবুবুর রহমানকে খুলনা জেলা পরিষদ থেকে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি ১৩ আগষ্টের মধ্যে দায়িত্বভার গ্রহন করবেন। অন্যথায় ১৪ আগষ্ট থেকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বলে গন্য হবেন। এ আবেদন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মাদ জয়নুল আবেদীনের সাক্ষরে ১২ আগষ্ট জারি করা হয়। এর আগে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে দুই দফায় বদলি করা হয়। সেই বদলিকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখান। সেখান যোগদান না করে দুইবারই থেকেছেন খুলনা জেলা পরিষদে। পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনর রশীদ ও আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় ওয়ে ওঠেন দোর্দন্ড প্রতাপশালী। পরিষদে গড়ে তোলেন অনিয়ম – দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য । অবৈধভাবে উপার্জন করেন কোটি কোটি টাকা। দ্ধিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হয়েও নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির সুযোগ সুবিধা। সেই ছিলেন জেলা পরিষদের অঘোষিত চেয়ারম্যান। পরিষদে তার কথাই শেষ কথা। তার দাপটে অফিসের কর্মচারীরা সব সময়ই থাকেন তটস্থ ও বদলী আতংকে। ৫ আগষ্টের গনঅভ্যুত্থানের পরও রয়ে যান বহাল তবিয়তে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে কোটি কোটি টাকা লোপাটই ছিল তার মুল লক্ষ্য।এসব অপকর্ম ঠেকাতে ঢাল হিসেবে অবৈধভাবে বের করেন দৈনিক একটি পত্রিকা। যার সম্পাদক ছিলেন তিনি নিজেই। কোন সাংবাদিক তার অবৈধ কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করতেন তিনি। খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা পরিষদে বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি বগুড়া জেলা পরিষদে যোগ না দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চাকুরী করেন খুলনায়। এরপর তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে আবার বদলি করে। কিন্তু সেখানে যোগ না দিয়ে খুলনা জেলা পরিষদে বহাল তবিয়তে রয়ে যান।












