ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পত্নীতলায় বিএনপির প্রস্তুতি সভা শিবচরে চার বছর বিদ্যুৎহীন উম্মে হানি, মোমবাতির আলোয় চলছে পড়াশোনা ধামইরহাটে ১ হাজার ৫৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি নওগাঁ জেলার পোরশায় প্রায় ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ হিন্দুধর্মীয় দেবতার মূর্তি উদ্ধার নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহাবুব শেখের ঘোষণা নগরকান্দায় গ্রামভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান, পরিদর্শন করলেন ইউএনও নওগাঁয় জনগণের সহায়তায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য জিম গ্রেফতার রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে, পরিবারপ্রতি মিলবে ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ফরিদপুরে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী উদ্ধার, মাহেন্দ্রচালকসহ আটক ২ কানাইপুরে জমি বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ, আহত ৩

খুলনা জেলা পরিষদের আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবকে এবার স্টান্ড রিলিজ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের  স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে বদলির আদেশ জারি করেছে। অফিস আদেশে বলা হয়েছে এস এম মাহাবুবুর রহমানকে খুলনা জেলা পরিষদ থেকে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি ১৩ আগষ্টের মধ্যে দায়িত্বভার গ্রহন করবেন। অন্যথায় ১৪ আগষ্ট থেকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বলে গন্য হবেন। এ আবেদন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মাদ জয়নুল আবেদীনের সাক্ষরে ১২ আগষ্ট জারি করা হয়। এর আগে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে দুই দফায় বদলি করা হয়। সেই বদলিকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখান। সেখান যোগদান না করে দুইবারই থেকেছেন খুলনা জেলা পরিষদে। পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনর রশীদ ও আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় ওয়ে ওঠেন দোর্দন্ড প্রতাপশালী। পরিষদে গড়ে তোলেন অনিয়ম – দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য । অবৈধভাবে উপার্জন করেন কোটি কোটি টাকা। দ্ধিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হয়েও নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির সুযোগ সুবিধা। সেই ছিলেন জেলা পরিষদের অঘোষিত চেয়ারম্যান। পরিষদে তার কথাই শেষ কথা। তার দাপটে অফিসের কর্মচারীরা সব সময়ই থাকেন তটস্থ ও বদলী আতংকে। ৫ আগষ্টের গনঅভ্যুত্থানের পরও রয়ে যান বহাল তবিয়তে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে কোটি কোটি টাকা লোপাটই ছিল তার মুল লক্ষ্য।এসব অপকর্ম ঠেকাতে ঢাল হিসেবে অবৈধভাবে বের করেন দৈনিক একটি পত্রিকা। যার সম্পাদক ছিলেন তিনি নিজেই। কোন সাংবাদিক তার অবৈধ কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করতেন তিনি। খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা পরিষদে বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি বগুড়া জেলা পরিষদে যোগ না দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চাকুরী করেন খুলনায়। এরপর তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে আবার বদলি করে। কিন্তু সেখানে যোগ না দিয়ে খুলনা জেলা পরিষদে বহাল তবিয়তে রয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খুলনা জেলা পরিষদের আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবকে এবার স্টান্ড রিলিজ।

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের  স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে বদলির আদেশ জারি করেছে। অফিস আদেশে বলা হয়েছে এস এম মাহাবুবুর রহমানকে খুলনা জেলা পরিষদ থেকে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি ১৩ আগষ্টের মধ্যে দায়িত্বভার গ্রহন করবেন। অন্যথায় ১৪ আগষ্ট থেকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বলে গন্য হবেন। এ আবেদন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মাদ জয়নুল আবেদীনের সাক্ষরে ১২ আগষ্ট জারি করা হয়। এর আগে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে দুই দফায় বদলি করা হয়। সেই বদলিকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখান। সেখান যোগদান না করে দুইবারই থেকেছেন খুলনা জেলা পরিষদে। পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনর রশীদ ও আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় ওয়ে ওঠেন দোর্দন্ড প্রতাপশালী। পরিষদে গড়ে তোলেন অনিয়ম – দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য । অবৈধভাবে উপার্জন করেন কোটি কোটি টাকা। দ্ধিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হয়েও নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির সুযোগ সুবিধা। সেই ছিলেন জেলা পরিষদের অঘোষিত চেয়ারম্যান। পরিষদে তার কথাই শেষ কথা। তার দাপটে অফিসের কর্মচারীরা সব সময়ই থাকেন তটস্থ ও বদলী আতংকে। ৫ আগষ্টের গনঅভ্যুত্থানের পরও রয়ে যান বহাল তবিয়তে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে কোটি কোটি টাকা লোপাটই ছিল তার মুল লক্ষ্য।এসব অপকর্ম ঠেকাতে ঢাল হিসেবে অবৈধভাবে বের করেন দৈনিক একটি পত্রিকা। যার সম্পাদক ছিলেন তিনি নিজেই। কোন সাংবাদিক তার অবৈধ কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করতেন তিনি। খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানকে ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা পরিষদে বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি বগুড়া জেলা পরিষদে যোগ না দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চাকুরী করেন খুলনায়। এরপর তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে আবার বদলি করে। কিন্তু সেখানে যোগ না দিয়ে খুলনা জেলা পরিষদে বহাল তবিয়তে রয়ে যান।