ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইজার চুরি, আটক ১ জন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইজার চুরি, আটক ১ জন ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন রাসুল সামদানী আজাদ। কালিয়াকৈরে স্ত্রীর করা নির্যাতন মামলায় আবু তালহা আটক ফরিদপুরে নৃশংস হামলা: কোদালের আঘাতে নিহত ৩, গুরুতর আহত ১ ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজায় বজ্রপাতে কর্মচারী গুরুতর আহত ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে বিরল মিঠা পানির কুমির উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সম্পত্তির লোভে বোনকে হত্যার অভিযোগ নগরকান্দায় সামাজিক সচেতনতা সভা, কৃষকদের সহায়তা ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

ফরিদপুর ঈশান ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র, শিক্ষকের বেধড়ক বেত্রাঘাতে জখম হয়েছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫ ১৩০ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রেজাউল করিম বিশেষ প্রতিনিধি 

 

১৪ আগস্ট-২০২৫,  ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান ইনস্টিটিউশন উচ্চ বিদ্যালয়ে সৌদি প্রবাসী রেজোন মোল্লার পুত্র আল ইমরান মুছা কে ডিস লাইনের তার দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করলেন শিক্ষক – আঃ মালেক।  এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী আল ইমরান বলেন-  সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া কোন এক ছাত্র -স্যারের নাম ধরে ডাক দেন। তখন স্যার ভেবেছেন -আমি ওনার নাম ধরে ডেকেছি.।  মালেক স্যার আমাকে ধরে নিয়ে লাইব্রেরীর  মধ্যে নিয়ে ডিস লাইনের তার দিয়ে  এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই। পরবর্তীতে আমার জ্ঞান ফেরার পর দেখি স্থানীয় বাজারের এক পল্লীচিকিৎসক আমাকে পিঠে রক্তাক্ত জখম স্থানে মলম লাগিয়ে দিচ্ছেন এবং কেউ কেউ বরফ দিয়ে মেসেজ করে দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে মুছার মা আইরিন বেগম জানান আমার ছেলেকে বেধড়ক মারধর করার কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।  তবুও পাষণ্ড শিক্ষক আমার ছেলেকে হাসপাতালে নেননি।এছাড়াও তারা ২ ঘন্টা পর্যন্ত লাইব্রেরীতে আটক রাখেন। আমি লোক মারফতে খবর পেয়ে দ্রুত স্কুলে ছুটে যাই। পরবর্তীতে আমার ছেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় আমি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করি। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মালেক মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি তাকে তার দিয়ে পিটিয়েছি তবে তেমন কিছু হয় নাই, হাসপাতলে না নিলেও পারতো।  মূছার শরীরে বেত্রাঘাতে রক্তাক্ত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এড়িয়ে যান। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব প্রসাদ দাসের সহিত মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং বলেন -ছাত্র শিক্ষককে শাসন করবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু এটা বেশি অতিরিক্ত হয়ে গেছে, অন্যান্য শিক্ষকরা যদিও উপস্থিত ছিলেন কিন্তু উনি সবার চাইতে সিনিয়র শিক্ষক হওয়ায় জুনিয়র শিক্ষকরা তাকে  কিছু বলার সাহস পায়নি।

শিক্ষকের এমন আচরণের জন্য আল ইমরান মুছার মা আইরিন বেগম এবং তার বড় কন্যা রজনী আক্তার ও মুছার মামা সহ এলাকার লোকজনেরা এই শিক্ষকের বিচারের দাবি জানান।

শিক্ষকের এমন মার ধরের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদপুর ঈশান ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র, শিক্ষকের বেধড়ক বেত্রাঘাতে জখম হয়েছে।

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

 

 

রেজাউল করিম বিশেষ প্রতিনিধি 

 

১৪ আগস্ট-২০২৫,  ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান ইনস্টিটিউশন উচ্চ বিদ্যালয়ে সৌদি প্রবাসী রেজোন মোল্লার পুত্র আল ইমরান মুছা কে ডিস লাইনের তার দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করলেন শিক্ষক – আঃ মালেক।  এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী আল ইমরান বলেন-  সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া কোন এক ছাত্র -স্যারের নাম ধরে ডাক দেন। তখন স্যার ভেবেছেন -আমি ওনার নাম ধরে ডেকেছি.।  মালেক স্যার আমাকে ধরে নিয়ে লাইব্রেরীর  মধ্যে নিয়ে ডিস লাইনের তার দিয়ে  এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই। পরবর্তীতে আমার জ্ঞান ফেরার পর দেখি স্থানীয় বাজারের এক পল্লীচিকিৎসক আমাকে পিঠে রক্তাক্ত জখম স্থানে মলম লাগিয়ে দিচ্ছেন এবং কেউ কেউ বরফ দিয়ে মেসেজ করে দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে মুছার মা আইরিন বেগম জানান আমার ছেলেকে বেধড়ক মারধর করার কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।  তবুও পাষণ্ড শিক্ষক আমার ছেলেকে হাসপাতালে নেননি।এছাড়াও তারা ২ ঘন্টা পর্যন্ত লাইব্রেরীতে আটক রাখেন। আমি লোক মারফতে খবর পেয়ে দ্রুত স্কুলে ছুটে যাই। পরবর্তীতে আমার ছেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় আমি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করি। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মালেক মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি তাকে তার দিয়ে পিটিয়েছি তবে তেমন কিছু হয় নাই, হাসপাতলে না নিলেও পারতো।  মূছার শরীরে বেত্রাঘাতে রক্তাক্ত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এড়িয়ে যান। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব প্রসাদ দাসের সহিত মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং বলেন -ছাত্র শিক্ষককে শাসন করবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু এটা বেশি অতিরিক্ত হয়ে গেছে, অন্যান্য শিক্ষকরা যদিও উপস্থিত ছিলেন কিন্তু উনি সবার চাইতে সিনিয়র শিক্ষক হওয়ায় জুনিয়র শিক্ষকরা তাকে  কিছু বলার সাহস পায়নি।

শিক্ষকের এমন আচরণের জন্য আল ইমরান মুছার মা আইরিন বেগম এবং তার বড় কন্যা রজনী আক্তার ও মুছার মামা সহ এলাকার লোকজনেরা এই শিক্ষকের বিচারের দাবি জানান।

শিক্ষকের এমন মার ধরের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।