ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ফরিদপুরে শালিস বৈঠক ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬ ৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর।

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতয়ালী থানাধীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাট গোবিন্দপুর এলাকায় শালিস বৈঠককে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মো. আজাদ মৃধা (৪০) শনিবার (২ মে ২০২৬) কোতয়ালী থানায় দায়ের করা এক এজাহারে অভিযোগ করেন, পূর্ব বিরোধের জেরে একাধিক ব্যক্তি তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে, তার স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করে এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে।

 

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় বিরোধের জেরে গত ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার বসতবাড়িতে একটি শালিস বৈঠক বসে। ওই বৈঠকের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে ও তার স্ত্রীকে লোহার রড দিয়ে মারধর করে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ি ফিরে আসেন।

 

এরপর গত ১৯ এপ্রিল দুপুরে অভিযুক্তরা পুনরায় সংঘবদ্ধভাবে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে তিনটি টিনের ঘর ও একটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ সময় তার স্ত্রীকে মারধর করে শারীরিকভাবে আহত করা হয় এবং তার পরনে থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘরের ভেতরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়।

 

ঘটনার সময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে এজাহারে বলা হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

পরবর্তীতে ২ মে দুপুরে একই এলাকায় আরেকটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ভুক্তভোগীর ছেলে কথা বললে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবার জানায়।

 

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট থানার একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে শালিস বৈঠক ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০২:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর।

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতয়ালী থানাধীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাট গোবিন্দপুর এলাকায় শালিস বৈঠককে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মো. আজাদ মৃধা (৪০) শনিবার (২ মে ২০২৬) কোতয়ালী থানায় দায়ের করা এক এজাহারে অভিযোগ করেন, পূর্ব বিরোধের জেরে একাধিক ব্যক্তি তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে, তার স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করে এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে।

 

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় বিরোধের জেরে গত ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার বসতবাড়িতে একটি শালিস বৈঠক বসে। ওই বৈঠকের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে ও তার স্ত্রীকে লোহার রড দিয়ে মারধর করে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ি ফিরে আসেন।

 

এরপর গত ১৯ এপ্রিল দুপুরে অভিযুক্তরা পুনরায় সংঘবদ্ধভাবে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে তিনটি টিনের ঘর ও একটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ সময় তার স্ত্রীকে মারধর করে শারীরিকভাবে আহত করা হয় এবং তার পরনে থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘরের ভেতরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়।

 

ঘটনার সময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে এজাহারে বলা হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

পরবর্তীতে ২ মে দুপুরে একই এলাকায় আরেকটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ভুক্তভোগীর ছেলে কথা বললে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবার জানায়।

 

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট থানার একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।