দুঃসময়ের ত্যাগী নেত্রী সাহিদা বেগম: সংগ্রাম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি
- আপডেট সময় : ০৫:০০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম- ফরিদপুর:
ফরিদপুর সদর আসনের রাজনীতিতে এক পরিচিত ও আলোচিত নাম সাহিদা বেগম। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন দুঃসময়ের সাহসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেত্রী হিসেবে।
ফরিদপুরের মাটিতেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা তাঁর। শৈশব থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মনোভাব এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা তাঁকে রাজনীতির পথে এগিয়ে দেয়। ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি ধীরে ধীরে স্থানীয় পর্যায়ে নিজের অবস্থান শক্ত করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছেন এবং গণমানুষের প্রতিনিধিত্ব করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
বিশেষ করে দেশের রাজনৈতিক দুঃসময়ে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রতিকূল পরিস্থিতি, দমন-পীড়ন এবং নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও তিনি রাজনীতির মাঠ ছাড়েননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় তাঁর ওপর একাধিক হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এমনকি তাঁর বাসভবনেও ভাঙচুর ও অতর্কিত হামলার অভিযোগ রয়েছে।
এই সংকটময় পরিস্থিতির মানসিক চাপ তাঁর পারিবারিক জীবনেও প্রভাব ফেলে। তিনি জানান, টানা উদ্বেগ ও চাপের কারণে তাঁর স্বামী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরবর্তীতে মৃত্যুবরণ করেন—যা তাঁর জীবনের এক গভীর বেদনাদায়ক অধ্যায়।
তবে এসব প্রতিকূলতা তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বরং তিনি আরও দৃঢ়ভাবে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেছেন এবং নিজেকে একজন ত্যাগী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
সাহিদা বেগম মনে করেন, “রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা।” তাঁর এই দর্শনই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
এসময় সাহেদা বেগম বলেন,আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ১৯৯৫ সাল থেকে অদ্ধবতী পর্যন্ত আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো আমার দীর্ঘদিনের এই ত্যাগ, সংগ্রাম ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা রাজনৈতিক বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান স্যারের কাছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এলাকায় তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে স্থানীয়দের দাবি সাহেদা বেগম কে মনোনীত করলে তাঁরা আরও নাগরিক সেবা পাবেন বলে জানান।





















