ফরিদপুরে বিএসটিআইর বিশেষ অভিযান: লাইসেন্সবিহীন প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদন ও বিপণনের বিরুদ্ধে সতর্কতা
- আপডেট সময় : ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম, ফরিদপুর
ফরিদপুর সদর উপজেলায় প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটারের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সার্ভিল্যান্স (স্কোয়াড) অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সিএম লাইসেন্স ছাড়াই প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ট্রাস্ট পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, অখিল গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ (অ্যাকুয়া ফ্রেশ), জি এন ফুড প্রজেক্ট, জমজম ড্রিংকিং ওয়াটার, নহর ড্রিংকিং ওয়াটার, সাফা ড্রিংকিং ওয়াটার, কে এম পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, অ্যাকুয়া ডিএস, ওয়াটার প্লাস বাংলাদেশ, হাসান ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, রিজিক ন্যাচারাল ড্রিংকিং ওয়াটার ও ফ্রেশ ফ্লো ড্রিংকিং ওয়াটারসহ মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসে।
অভিযানকালে ট্রাস্ট পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, অখিল গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ, জি এন ফুড প্রজেক্ট ও সাদ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ও মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদিকে মা ওয়াটার, অসীম ড্রিংকিং ওয়াটার এবং তোতা ড্রিংকিং ওয়াটার প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
এছাড়া কানাইপুর, রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, নতুন বাসস্ট্যান্ড, জনতার মোড়সহ বিভিন্ন এলাকার ১৯টি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের পানি ব্যবহার ও সংগ্রহ থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযানে আরও চারটি বেকারি ও ফাস্টফুড প্রতিষ্ঠান—কাশফুল ফাস্টফুড, বিসমিল্লাহ বেকারী, ইসলামিয়া বেকারী এবং ইসলামিয়া ফাস্টফুড অ্যান্ড বেকারীকে ডেকোরেটেড কেক পণ্যের জন্য বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ও মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, ফরিদপুরের উপপরিচালক ও অফিসপ্রধান মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌশলী এস. এম. সোহরাব হোসেন, পরিদর্শক (মেট) মো. খালিদ হাসান এবং মো. জুবায়ের আল সিদ্দিকী অংশ নেন।
বিএসটিআই জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



















