ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বালিয়াকান্দি উপজেলা শালমারা নিশ্চিন্তপুর শালিকী গ্রাম স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ‎শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপির নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান নিহত ‎। ফরিদপুরে দেড় কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার দীর্ঘ ১৮৫ বছরের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল ফরিদপুর পৌরসভা। দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত অপশক্তির দোসররা নানা ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারী পুরুষ সহ ৩৯ জনকে আটক  নগরকান্দায় সারের ডিলার নিয়োগের জেরে যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা, আহত ৫ ‎ ‎শিবচরে শিরুয়াইল তরুণ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল ইসলাম খলিফার পরিচিতি সভা ‎ ‎ ‎ কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায়, ১৪৯ মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে শিবচরে রাতের আঁধারে জমি দখল ও গাছ কাটার অভিযোগ,ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

ফরিদপুর সদর উপজেলার জোয়াইর মোড় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কিশোর গ্যাং চুরি ছিনতাই এর মত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫ ৮৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১১ নং গেরগা ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ড ও ৯ নং ওয়ার্ড এর কিছু  তরুণ একত্রিত হয়ে নানান সময়ে নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। চুরি ছিনতাইসহ নানান ধরনের অপকর্ম প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। একাধিকবার চুরি ছিনতাই করে ধরা খাওয়ার পরও এলাকা বাঁশি সাধারণভাবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে তাদেরকে ওয়ার্নিং দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

কিন্তু সেই কিশোর জ্ঞান থেমে নেই, তাদের যত সব অপকর্ম প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে কোন কিছুর দরকার না করে। এ যেন সর্ষের মধ্যে ভূত, কিছু কিশোর যাদের অভিভাবক তাদের সন্তানেরা অপকর্ম করে ধরা খাওয়ার পরেও মনে করে থাকেন তার ছেলে ধোয়া তুলসির পাতা। এভাবেই পরিবারের হতে শাসনের পরিবর্তে আস্কারা পেয়ে তারা আরো বেশি হিংস্র হয়ে উঠছে।

এই কিশোর গ্যাঙ্গ এতটাই তৎপর তারা নেশা দ্রব্য সেবন করার অর্থ যোগান দিতে এ ধরনের অপকর্ম করে থাকে। মুষ্টিময় কিছু মানুষের জন্য ধীরে ধীরে একটা গ্রাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তারি ইফেক্ট পরছে সুশীল সমাজের ভালো ছেলেদের উপর।

আলোর নিচে অন্ধকার নাকি অন্ধকারের নিচে আলো এটাই বোঝা খুব দুষ্কর। এই ছেলেগুলোর পরিবারের অধিকাংশ গার্জিয়ানরা সুদের ব্যবসা করে থাকে, তাই তাদের ছেলেদেরকে এরকম অনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা সত্ত্বেও শাসন না করে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন। কেননা সুদের টাকা জোরপূর্ব উঠানোর জন্য তার এই ছেলেরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে কোন একদিন এই আশায় প্রতিনিয়ত প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে।

মুষ্টিময় কিছু মানুষের জন্য একটা সমাজ এভাবে ধ্বংসের দিকে যাবে এটা সুশীল সমাজ মেনে নিতে চায় না। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ রইলো আপনারা বিষয়টা গুরুত্বসহকারে দেখবেন। জোয়ারের মোর বাজার এ এসে যেকোনো কারো কাছে এদের সম্পর্কে জানতে চাইলে আপনারা সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এদের বিরুদ্ধে আইনানুর ব্যবস্থা নিলে হয়তোবা নতুন প্রজন্ম ভালোর দিকে যাবে, অন্যথায় এভাবে চলতে থাকলে নতুন প্রজন্ম সময়ের সাথে সাথে তাদের সঙ্গে শামিল হয়ে তারাও এ ধরনের অপকর্মে জড়িত হবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।

এই চোর ছেলে টা ২৩/০১/২০২৫ তারিখে রাত ২ টার দিকে জোয়ারের মোর এর ভিতরে কেশবনগর । মিলগেট তালতলা বাজারে সাব্বির এর ঘোরে শিং খুচে মোবাইল চুরি করে , টের পেয়ে সাব্বির চিৎকার করে । তার পরে এলাকার লোক হাতে নাতে ধরে । সাব্বির ছেলে টা পতি বন্দি সে হাটতে পারে না , এই পযন্ত তিন তিন বার মোবাইল চুরি করছে ।

এটাই এদের প্রথম ঘোষণা বিষয়টা এমন না, ২০২৪ সালে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ বার এই গ্রুপ ধরা খেয়েছে চুরি করে। প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ সত্যতা যাদের জন্য এই বাজারে আসলে কোন কারো থেকে তথ্য নিলেই সত্যতা পেয়ে যাবেন। যেহেতু এই ছেলেগুলোর পরিবারের অধিকাংশ সুদের ব্যবসায়ীর সাথে জড়িত, দীর্ঘ সময় ধরে এদের পারিবারিক ব্যবসা হয়েছে সুদের ব্যবসা। সুদের ব্যবসা করে তারা অনেক অর্থবিদদের মালিক হয়েছে তাই সুশীল সমাজ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে না ঘৃণা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

2 thoughts on “ফরিদপুর সদর উপজেলার জোয়াইর মোড় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কিশোর গ্যাং চুরি ছিনতাই এর মত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে”

  1. এদের আগে বিচার হওয়া উচিত এদের যারা সেলটার দেয়

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদপুর সদর উপজেলার জোয়াইর মোড় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কিশোর গ্যাং চুরি ছিনতাই এর মত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে

আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১১ নং গেরগা ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ড ও ৯ নং ওয়ার্ড এর কিছু  তরুণ একত্রিত হয়ে নানান সময়ে নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। চুরি ছিনতাইসহ নানান ধরনের অপকর্ম প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। একাধিকবার চুরি ছিনতাই করে ধরা খাওয়ার পরও এলাকা বাঁশি সাধারণভাবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে তাদেরকে ওয়ার্নিং দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

কিন্তু সেই কিশোর জ্ঞান থেমে নেই, তাদের যত সব অপকর্ম প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে কোন কিছুর দরকার না করে। এ যেন সর্ষের মধ্যে ভূত, কিছু কিশোর যাদের অভিভাবক তাদের সন্তানেরা অপকর্ম করে ধরা খাওয়ার পরেও মনে করে থাকেন তার ছেলে ধোয়া তুলসির পাতা। এভাবেই পরিবারের হতে শাসনের পরিবর্তে আস্কারা পেয়ে তারা আরো বেশি হিংস্র হয়ে উঠছে।

এই কিশোর গ্যাঙ্গ এতটাই তৎপর তারা নেশা দ্রব্য সেবন করার অর্থ যোগান দিতে এ ধরনের অপকর্ম করে থাকে। মুষ্টিময় কিছু মানুষের জন্য ধীরে ধীরে একটা গ্রাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তারি ইফেক্ট পরছে সুশীল সমাজের ভালো ছেলেদের উপর।

আলোর নিচে অন্ধকার নাকি অন্ধকারের নিচে আলো এটাই বোঝা খুব দুষ্কর। এই ছেলেগুলোর পরিবারের অধিকাংশ গার্জিয়ানরা সুদের ব্যবসা করে থাকে, তাই তাদের ছেলেদেরকে এরকম অনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা সত্ত্বেও শাসন না করে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন। কেননা সুদের টাকা জোরপূর্ব উঠানোর জন্য তার এই ছেলেরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে কোন একদিন এই আশায় প্রতিনিয়ত প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে।

মুষ্টিময় কিছু মানুষের জন্য একটা সমাজ এভাবে ধ্বংসের দিকে যাবে এটা সুশীল সমাজ মেনে নিতে চায় না। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ রইলো আপনারা বিষয়টা গুরুত্বসহকারে দেখবেন। জোয়ারের মোর বাজার এ এসে যেকোনো কারো কাছে এদের সম্পর্কে জানতে চাইলে আপনারা সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এদের বিরুদ্ধে আইনানুর ব্যবস্থা নিলে হয়তোবা নতুন প্রজন্ম ভালোর দিকে যাবে, অন্যথায় এভাবে চলতে থাকলে নতুন প্রজন্ম সময়ের সাথে সাথে তাদের সঙ্গে শামিল হয়ে তারাও এ ধরনের অপকর্মে জড়িত হবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।

এই চোর ছেলে টা ২৩/০১/২০২৫ তারিখে রাত ২ টার দিকে জোয়ারের মোর এর ভিতরে কেশবনগর । মিলগেট তালতলা বাজারে সাব্বির এর ঘোরে শিং খুচে মোবাইল চুরি করে , টের পেয়ে সাব্বির চিৎকার করে । তার পরে এলাকার লোক হাতে নাতে ধরে । সাব্বির ছেলে টা পতি বন্দি সে হাটতে পারে না , এই পযন্ত তিন তিন বার মোবাইল চুরি করছে ।

এটাই এদের প্রথম ঘোষণা বিষয়টা এমন না, ২০২৪ সালে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ বার এই গ্রুপ ধরা খেয়েছে চুরি করে। প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ সত্যতা যাদের জন্য এই বাজারে আসলে কোন কারো থেকে তথ্য নিলেই সত্যতা পেয়ে যাবেন। যেহেতু এই ছেলেগুলোর পরিবারের অধিকাংশ সুদের ব্যবসায়ীর সাথে জড়িত, দীর্ঘ সময় ধরে এদের পারিবারিক ব্যবসা হয়েছে সুদের ব্যবসা। সুদের ব্যবসা করে তারা অনেক অর্থবিদদের মালিক হয়েছে তাই সুশীল সমাজ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে না ঘৃণা করে।