কানাইপুরে স্থানীয় যুব সমাজের ব্যানারে মানবাধিকার কর্মী জহিরকে সংবর্ধনা
- আপডেট সময় : ০৪:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের কানাইপুরে স্থানীয় যুবসমাজের ব্যানারে মো. জহির মোল্লা নামে এক মানবাধিকারকর্মীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা (ঈবহঃবৎ ভড়ৎ ঞযব ঊহভড়ৎপবসবহঃ ঐঁসধহ জরমযঃং ধহফ খবমধষ অরফ) এর ফরিদপুর বিভাগীয় সভাপতি নির্বাচিত করায় এ ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ফরিদপুর জেলা যুবদলের সদস্য পরিচয়ে মো. রুবায়েত হোসেনের নেতৃত্ব হওয়া এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- মোহম্মদ বাদশা, মো. রাফি মোল্লা, রাশেদ শেখ, পারভেজ শেখ, জিহাদ খান, কাদের শেখ সহ আরও অনেকে। জহিরকে সাধারণ সম্পাদক থেকে সভাপতি পদে পদন্নোতি ও দায়িত্ব দিয়ে সংস্থাটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান মু. মাহমুদুল হাসান মাহমুদ জানান, দীর্ঘ তিন বছর প্রস্তাবিত পদ্মা বিভাগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছে জহির। এই সময়ে ওই অঞ্চলের প্রায় শতাতিক ব্যক্তিকে জহিরের মাধ্যমে আইনি সহায়তা দিয়েছে আমাদের সংস্থাটি। তার কাজের ওপর খুশি সন্তুষ্ট হয়ে তাকে পদন্নোতি দিয়ে সভাপতি করা হলো। আশা করি, এতে তার কাজে আরও গতি পাবে।’ মো. জহির মোল্লা তার একটি নিজস্ব ফেসবুক একাউন্টের মাধ্যমে এলাকার গণ মানুষের মানবাধিকার লংঘনের চিত্র তুলে ধরেন। এছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যমের সাথে যুক্ত হয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করেন বলে জানিয়েছেন জহির। কানাইপুর মৃধা মার্কেটের দোতলায় অনুষ্ঠিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শেষে এ সংবাদকর্মী ও মানবাধিকারকর্মী জহির এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আমি একটি রাজধানী টেলিভিশন নামের একটি গণমাধ্যমের স্থানীয় সংবাদকর্মী ছিলাম। সম্প্রতি কানাইপুরে বিভিন্ন ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি কুচক্রী মহল আমার নামে বিভিন্ন্ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে লেখালেখি করে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। যে কারণে আমাকে ওই টেলিভিশন থেকে বাদ দেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আমার মানবাধিকার সংস্থা আমার পাশে ছিলেন এবং আমাকে পদন্নোতি দিয়েছেন, এতে আমি গর্বিত। সেই সাথে আমার এলাকায় যুবনেতা রুবায়েত সহ সকলকে আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। উল্লেখ করা যেতে পারে, সেন্টার ফর দ্য এনফোর্সমেন্ট হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড (ঈবহঃবৎ ভড়ৎ ঞযব ঊহভড়ৎপবসবহঃ ঐঁসধহ জরমযঃং ধহফ খবমধষ অরফ) একটি আন্তর্জাতিক, অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ এবং এই লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। এটি বাংলাদেশ সহ বিশ্বজুড়ে ব্যক্তিদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে থাকে- বিশেষ করে যারা অধিকার বঞ্চিত, অসহায় এবং যাদের আইনি সহায়তা প্রয়োজন, তাদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করতে কাজ করে থাকে।কানাইপুরে স্থানীয় যুব সমাজের ব্যানারে মানবাধিকার কর্মী জহিরকে সংবর্ধনা
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের কানাইপুরে স্থানীয় যুবসমাজের ব্যানারে মো. জহির মোল্লা নামে এক মানবাধিকারকর্মীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা (ঈবহঃবৎ ভড়ৎ ঞযব ঊহভড়ৎপবসবহঃ ঐঁসধহ জরমযঃং ধহফ খবমধষ অরফ) এর ফরিদপুর বিভাগীয় সভাপতি নির্বাচিত করায় এ ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ফরিদপুর জেলা যুবদলের সদস্য পরিচয়ে মো. রুবায়েত হোসেনের নেতৃত্ব হওয়া এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- মোহম্মদ বাদশা, মো. রাফি মোল্লা, রাশেদ শেখ, পারভেজ শেখ, জিহাদ খান, কাদের শেখ সহ আরও অনেকে। জহিরকে সাধারণ সম্পাদক থেকে সভাপতি পদে পদন্নোতি ও দায়িত্ব দিয়ে সংস্থাটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান মু. মাহমুদুল হাসান মাহমুদ জানান, দীর্ঘ তিন বছর প্রস্তাবিত পদ্মা বিভাগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছে জহির। এই সময়ে ওই অঞ্চলের প্রায় শতাতিক ব্যক্তিকে জহিরের মাধ্যমে আইনি সহায়তা দিয়েছে আমাদের সংস্থাটি। তার কাজের ওপর খুশি সন্তুষ্ট হয়ে তাকে পদন্নোতি দিয়ে সভাপতি করা হলো। আশা করি, এতে তার কাজে আরও গতি পাবে।’ মো. জহির মোল্লা তার একটি নিজস্ব ফেসবুক একাউন্টের মাধ্যমে এলাকার গণ মানুষের মানবাধিকার লংঘনের চিত্র তুলে ধরেন। এছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যমের সাথে যুক্ত হয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করেন বলে জানিয়েছেন জহির। কানাইপুর মৃধা মার্কেটের দোতলায় অনুষ্ঠিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শেষে এ সংবাদকর্মী ও মানবাধিকারকর্মী জহির এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আমি একটি রাজধানী টেলিভিশন নামের একটি গণমাধ্যমের স্থানীয় সংবাদকর্মী ছিলাম। সম্প্রতি কানাইপুরে বিভিন্ন ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি কুচক্রী মহল আমার নামে বিভিন্ন্ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে লেখালেখি করে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। যে কারণে আমাকে ওই টেলিভিশন থেকে বাদ দেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আমার মানবাধিকার সংস্থা আমার পাশে ছিলেন এবং আমাকে পদন্নোতি দিয়েছেন, এতে আমি গর্বিত। সেই সাথে আমার এলাকায় যুবনেতা রুবায়েত সহ সকলকে আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। উল্লেখ করা যেতে পারে, সেন্টার ফর দ্য এনফোর্সমেন্ট হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড (ঈবহঃবৎ ভড়ৎ ঞযব ঊহভড়ৎপবসবহঃ ঐঁসধহ জরমযঃং ধহফ খবমধষ অরফ) একটি আন্তর্জাতিক, অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ এবং এই লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। এটি বাংলাদেশ সহ বিশ্বজুড়ে ব্যক্তিদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে থাকে- বিশেষ করে যারা অধিকার বঞ্চিত, অসহায় এবং যাদের আইনি সহায়তা প্রয়োজন, তাদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করতে কাজ করে থাকে।


























