ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাতবদল হয়েই দাম দ্বিগুণ, বিলুপ্তপ্রায় তাল ফলের বাজার চড়া মাদক ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর গোয়ালন্দঘাটে ৮.৫৮ লাখ টাকার মাদকসহ চারজন গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ভেজালবিরোধী অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা উচ্ছেদের পরও ফুটপাত দখলে, প্রশ্ন উঠছে পৌর অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে শিবচরে রেলভূমিতে ‘দখল-বাণিজ্য ধামইরহাটে নারী হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী ও চালক নিহত কণিকার বাড়িতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস সিজারের ৫১ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু, পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

ইমামকে বিয়ে করেই অনশন ভাঙলেন মাদ্রাসার ছাত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ রুহুল আমিন ভূইয়া

স্টাফ রিপোর্টার 

টাঙ্গাইলের ভুঁইয়াপুরে ইমামের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনরত মাদ্রাসা ছাত্রী শেষ পর্যন্ত বিয়ে করে অনশন ভেঙেছেন। অভিযুক্ত প্রেমিক মাহাদি হাসান (২৭) তিনি পেশায় একজন মসজিদের ইমাম। সামাজিক ও পারিবারিক চাপে মেয়েটিকে বিয়ে করতে বাধ্য হন মাহাদি।

ভুক্তভোগী তানহা তমা (১৬) স্থানীয় সবুজ সংঘ দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী এবং উপজেলার বরকতপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে। প্রেমিক মাহাদি হাসান বরকতপুর জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং উপজেলার কয়রা গ্রামে মহিউদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এলাকাবাসী মাহাদি হাসানের বিরুদ্ধে অনৈতিকতার অভিযোগ তুলে তাকে ইমামের দায়িত্ব থেকে অপসারণে দাবি জানায়। উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এবং তাকে মসজিদ ত্যাগ করতে বলে পরে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়ে যায়। পুলিশ এসে মাহাদির পক্ষে তালা ভেঙে প্রবেশ করে এবং খাটের নিচে লুকিয়ে থাকা তার নাকি উদ্ধার করে। তিস্তা নদীর মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়

পরে ওই রাতেই তানহা প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। তিনি সাপ জানিয়ে দেন মাহাদী যদি তাকে বিয়ে না করে তবে তিনি আত্মহত্যা করবেন। প্রথমে মাহাদী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই আমি তাকে আমার পক্ষে আসতেও বলিনি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তবে সামাজিক ও পারিবারিক চাপে তিনি বিয়ে করতে রাজি হন।
পরে রোববার গভীর রাতে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে মাহাদী হাসান ও তানহার বিয়ে সম্পন্ন হয় তবে বিয়ের পরপরই নব দম্পতি আত্মগোপনে চলে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইমামকে বিয়ে করেই অনশন ভাঙলেন মাদ্রাসার ছাত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মোঃ রুহুল আমিন ভূইয়া

স্টাফ রিপোর্টার 

টাঙ্গাইলের ভুঁইয়াপুরে ইমামের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনরত মাদ্রাসা ছাত্রী শেষ পর্যন্ত বিয়ে করে অনশন ভেঙেছেন। অভিযুক্ত প্রেমিক মাহাদি হাসান (২৭) তিনি পেশায় একজন মসজিদের ইমাম। সামাজিক ও পারিবারিক চাপে মেয়েটিকে বিয়ে করতে বাধ্য হন মাহাদি।

ভুক্তভোগী তানহা তমা (১৬) স্থানীয় সবুজ সংঘ দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী এবং উপজেলার বরকতপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে। প্রেমিক মাহাদি হাসান বরকতপুর জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং উপজেলার কয়রা গ্রামে মহিউদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এলাকাবাসী মাহাদি হাসানের বিরুদ্ধে অনৈতিকতার অভিযোগ তুলে তাকে ইমামের দায়িত্ব থেকে অপসারণে দাবি জানায়। উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এবং তাকে মসজিদ ত্যাগ করতে বলে পরে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়ে যায়। পুলিশ এসে মাহাদির পক্ষে তালা ভেঙে প্রবেশ করে এবং খাটের নিচে লুকিয়ে থাকা তার নাকি উদ্ধার করে। তিস্তা নদীর মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়

পরে ওই রাতেই তানহা প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। তিনি সাপ জানিয়ে দেন মাহাদী যদি তাকে বিয়ে না করে তবে তিনি আত্মহত্যা করবেন। প্রথমে মাহাদী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই আমি তাকে আমার পক্ষে আসতেও বলিনি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তবে সামাজিক ও পারিবারিক চাপে তিনি বিয়ে করতে রাজি হন।
পরে রোববার গভীর রাতে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে মাহাদী হাসান ও তানহার বিয়ে সম্পন্ন হয় তবে বিয়ের পরপরই নব দম্পতি আত্মগোপনে চলে যান।