ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুর-রাজবাড়ী সীমান্তে মাটিচাপা অবস্থায় নারী ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার কালিয়াকৈরে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সদরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্বহত্যা ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে ফরিদপুরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে ফরিদপুরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ,অভিযুক্ত রিপন মল্লিক কে আটক করেছে পুলিশ  করবো কাজ, গড়বো দেশ — সবার আগে বাংলাদেশ নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জন আটক -দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

সালথায় ধর্ষিতা ১৩ বছরের ইতি আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

সেক মোহাম্মদ আফজাল  

বিশেষ প্রতিবেদক

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সিংহপ্রতাপ গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ইতি আক্তারের (১৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে নিজ ঘরের আড়ায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায় পরিবার। পরে সালথা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

 

 

ইতি আক্তার স্থানীয় সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং গট্টি ইউনিয়নের দিনমজুর মো. সিদ্দিক বিশ্বাসের একমাত্র মেয়ে। তার মা বিদেশে থাকেন, আর বাবা ও ভাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।

 

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের সোহেল রানার (২২) সঙ্গে। ১৪ মার্চ, বাড়িতে একা থাকার সুযোগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সোহেল তাকে ধর্ষণ করে। এরপর ইতির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সালথা থানায় মামলা করেন।

 

র‌্যাবের সহযোগিতায় ২০ এপ্রিল রাতে পটুয়াখালী থেকে সোহেল রানা গ্রেপ্তার হয় এবং বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

 

 

 

ইতির পরিবারের সদস্যরা জানান, সোহেল গ্রেপ্তারের পর উভয় পরিবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও, সোহেলের পরিবার বিয়েতে রাজি হয়নি। এই প্রত্যাখ্যান এবং সামাজিক চাপের কারণে ইতি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। একপর্যায়ে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে পরিবার ধারণা করছে।

 

 

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিয়ের প্রস্তাবে সোহেলের পরিবারের অস্বীকৃতি এবং মানসিক চাপ থেকেই মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।”

সালথায় ধর্ষিতা ১৩ বছরের ইতি আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সালথায় ধর্ষিতা ১৩ বছরের ইতি আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

 

সেক মোহাম্মদ আফজাল  

বিশেষ প্রতিবেদক

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সিংহপ্রতাপ গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ইতি আক্তারের (১৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে নিজ ঘরের আড়ায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায় পরিবার। পরে সালথা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

 

 

ইতি আক্তার স্থানীয় সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং গট্টি ইউনিয়নের দিনমজুর মো. সিদ্দিক বিশ্বাসের একমাত্র মেয়ে। তার মা বিদেশে থাকেন, আর বাবা ও ভাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।

 

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের সোহেল রানার (২২) সঙ্গে। ১৪ মার্চ, বাড়িতে একা থাকার সুযোগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সোহেল তাকে ধর্ষণ করে। এরপর ইতির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সালথা থানায় মামলা করেন।

 

র‌্যাবের সহযোগিতায় ২০ এপ্রিল রাতে পটুয়াখালী থেকে সোহেল রানা গ্রেপ্তার হয় এবং বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

 

 

 

ইতির পরিবারের সদস্যরা জানান, সোহেল গ্রেপ্তারের পর উভয় পরিবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও, সোহেলের পরিবার বিয়েতে রাজি হয়নি। এই প্রত্যাখ্যান এবং সামাজিক চাপের কারণে ইতি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। একপর্যায়ে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে পরিবার ধারণা করছে।

 

 

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিয়ের প্রস্তাবে সোহেলের পরিবারের অস্বীকৃতি এবং মানসিক চাপ থেকেই মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।”

সালথায় ধর্ষিতা ১৩ বছরের ইতি আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।”