ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলক মোবাইল নম্বর সংযুক্তির ব্যাপারে আমার কিছু কথা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আমার আহ্বান নগরকান্দায় বড় ভাইয়ের হাতের কব্জি কাটলেন ছোট ভাই ফরিদপুরে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত ফরিদপুরে বিএসটিআই’র সমন্বিত মোবাইল কোর্টে ৮ মামলায় জরিমানা ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা নগরকান্দায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও জনদুর্ভোগ চরমে Youth commits suicide over family feud in Sadarpur ফরিদপুরে মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে কানাইপুর ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা কালিয়াকৈরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু কালিয়াকৈরে ৮৪ কোটির টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাইটেক পার্ক স্টেশন এখন মাদকসেবীদের দখলে গাজীপুরে ৫ খুনের ঘটনায় জানা যাচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মো লুৎফুর রহমান রাকিব স্টাফ রিপোর্টার

 

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে চৌদ্দগ্রামে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সৌজন্য অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এক বিস্ময়কর দৃশ্য। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদার নিজ বাড়িতে আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় ১০ নং বাতিসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন মিলনকে।

 

একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতার ব্যক্তিগত আয়োজনে উপস্থিত দেখা যাওয়ায়, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক অ’স’ন্তোষ ও বি’রুপ  প্রতি’ক্রি’য়ার দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষো’ভ প্রকাশ করে বলেন, নিজাম উদ্দিন মিলন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে বিএনপি ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দ’ম’ন-পী’ড়’ন চালিয়েছেন। তিনি সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

 

তারা আরও দাবি করেন, ২০১৫ সালে চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত একটি নৃ’শং’স ঘটনায়, যেখানে একটি বাসে আ’গু’ন দিয়ে ৮ জনকে পু’ড়ি’য়ে মা’রা হয়—সে ঘটনায়ও মিলনের সম্পৃক্ততা রয়েছে ।

 

তাদের ভাষ্য, ঈদের শুভেচ্ছা হোক বা সামাজিক সৌজন্য—যে ব্যক্তি গত ১৬ বছর ধরে বিরোধীদের নি’পী’ড়’নে অগ্রভূমিকা পালন করেছে, তাকে এভাবে স্বাগত জানানো রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো নয়ই, বরং এটি মাঠের কর্মীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল।

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন একটি ঘটনায় শুধু বিএনপির অভ্যন্তরেই নয়, বরং গোটা চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এটি কৌশলগত অবস্থান বদলের ইঙ্গিত, নাকি নিছক সৌজন্যবোধ—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা।

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

 

 

মো লুৎফুর রহমান রাকিব স্টাফ রিপোর্টার

 

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে চৌদ্দগ্রামে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সৌজন্য অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এক বিস্ময়কর দৃশ্য। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদার নিজ বাড়িতে আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় ১০ নং বাতিসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন মিলনকে।

 

একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতার ব্যক্তিগত আয়োজনে উপস্থিত দেখা যাওয়ায়, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক অ’স’ন্তোষ ও বি’রুপ  প্রতি’ক্রি’য়ার দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষো’ভ প্রকাশ করে বলেন, নিজাম উদ্দিন মিলন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে বিএনপি ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দ’ম’ন-পী’ড়’ন চালিয়েছেন। তিনি সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

 

তারা আরও দাবি করেন, ২০১৫ সালে চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত একটি নৃ’শং’স ঘটনায়, যেখানে একটি বাসে আ’গু’ন দিয়ে ৮ জনকে পু’ড়ি’য়ে মা’রা হয়—সে ঘটনায়ও মিলনের সম্পৃক্ততা রয়েছে ।

 

তাদের ভাষ্য, ঈদের শুভেচ্ছা হোক বা সামাজিক সৌজন্য—যে ব্যক্তি গত ১৬ বছর ধরে বিরোধীদের নি’পী’ড়’নে অগ্রভূমিকা পালন করেছে, তাকে এভাবে স্বাগত জানানো রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো নয়ই, বরং এটি মাঠের কর্মীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল।

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন একটি ঘটনায় শুধু বিএনপির অভ্যন্তরেই নয়, বরং গোটা চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এটি কৌশলগত অবস্থান বদলের ইঙ্গিত, নাকি নিছক সৌজন্যবোধ—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে স্থানীয়রা।