ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলক মোবাইল নম্বর সংযুক্তির ব্যাপারে আমার কিছু কথা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আমার আহ্বান নগরকান্দায় বড় ভাইয়ের হাতের কব্জি কাটলেন ছোট ভাই ফরিদপুরে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত ফরিদপুরে বিএসটিআই’র সমন্বিত মোবাইল কোর্টে ৮ মামলায় জরিমানা ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা নগরকান্দায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও জনদুর্ভোগ চরমে Youth commits suicide over family feud in Sadarpur ফরিদপুরে মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে কানাইপুর ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা কালিয়াকৈরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু কালিয়াকৈরে ৮৪ কোটির টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাইটেক পার্ক স্টেশন এখন মাদকসেবীদের দখলে গাজীপুরে ৫ খুনের ঘটনায় জানা যাচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নাজমুল হুদা বাশার- ফরিদপুর 

এবার ফরিদপুরে পুলিশের ট্রেইনি কনস্টেবল পদে মাত্র  ২২০ টাকায় সরকারি ফি’ দিয়ে ২৩ জন প্রার্থী সফলভাবে নিবাচীত হয়েছে। জানা গেছে, তারা প্রায় প্রার্থী অসচ্ছল পরিবারের।তারা  বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণের সারথি হয়ে দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখেই তারা পুলিশের চাকুরী বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

এব্যাপারে ফরিদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্র থেকে জানা যায়, আগস্ট মাসে পুলিশের কনস্টেবল পদে ফরিদপুর থেকে মোট ১২১১ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এরপর থেকে সরকারি নিয়ম নীতি অনুসরণ করে প্রতিটি কঠিন ধাপ অতিক্রম করে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৩৪৩ জন। এর মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ হন। পরে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ২৩ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। এরমধ্যে চূড়ান্ত নিয়োগ পরীক্ষায় ২৩ জনের মধ্যে তন্দ্রা আক্তারী একমাত্র নারী কনস্টেবল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার ঘনশ্যামপুর গ্রামের মোঃ তোরাব বিশ্বাসের কন্যা। তন্দ্রা আক্তারীর চাকুরীর খবর পেয়ে হাসি ফুটেছে বাবা-মা আত্মীয়-স্বজন সহ এলাকার বাসির। অভাব অনটন সংসারের মাহিন্দ্রা চালক বাবার কন্যা তন্দ্রা আক্তারী (১৮)। মাহিন্দ্রা চালক বাবার স্বপ্ন পূরণে আর পরিবারের অসচ্ছলতার মাঝে তাঁর যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি কনস্টেবল পদে নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পাওয়া

তন্দ্রা আক্তারী বলেন-  আমার বাবা একজন মাহিন্দ্রা চালক। আমার যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হয়েছে, মাত্র ২২০ টাকার বিনিময়ে চাকরিটা হয়েছে। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে আমার বাবার পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত আমার বাবা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছেন আজ আমি আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আমি আনন্দিত‌

রঘুনন্দন এলাকার সুমন মন্ডলের ছেলে তামীম মন্ডল চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, আমার বাবা ট্রাক চালক মাত্র ২২০ টাকায় পুলিশের চাকরি হবে ভাবতেই পারিনি।

বন্ধুর পোশাক ধার করে আমি মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। সিয়াম মোল্যা বলেন, আমার বাবা লাবলু মোল্যা পেশায় একজন কৃষি শ্রমিক। ছোট কাল থেকে স্বপ্ন ছিল পুলিশ হওয়ার। বাবার সাথে কৃষি কাজ করে পড়ালেখা করেছি৷ আমার মেধাকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সাফল্য আমার বাবার হাত ধরেই পেয়েছি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুরের পুলিশ ট্রেইনি কনস্টেবল পদের নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও ফরিদপুরের পুলিশ সুপার(এসপি) মো. আব্দুল জলিল বলেন, পুলিশের নিয়োগে অনেক সময় নানা ধরনের বিষয় নিয়ে অভিযোগ উঠলেও  ফরিদপুরে স্বচ্ছ ভাবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছে।।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

নাজমুল হুদা বাশার- ফরিদপুর 

এবার ফরিদপুরে পুলিশের ট্রেইনি কনস্টেবল পদে মাত্র  ২২০ টাকায় সরকারি ফি’ দিয়ে ২৩ জন প্রার্থী সফলভাবে নিবাচীত হয়েছে। জানা গেছে, তারা প্রায় প্রার্থী অসচ্ছল পরিবারের।তারা  বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণের সারথি হয়ে দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখেই তারা পুলিশের চাকুরী বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

এব্যাপারে ফরিদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্র থেকে জানা যায়, আগস্ট মাসে পুলিশের কনস্টেবল পদে ফরিদপুর থেকে মোট ১২১১ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এরপর থেকে সরকারি নিয়ম নীতি অনুসরণ করে প্রতিটি কঠিন ধাপ অতিক্রম করে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৩৪৩ জন। এর মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ হন। পরে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ২৩ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। এরমধ্যে চূড়ান্ত নিয়োগ পরীক্ষায় ২৩ জনের মধ্যে তন্দ্রা আক্তারী একমাত্র নারী কনস্টেবল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার ঘনশ্যামপুর গ্রামের মোঃ তোরাব বিশ্বাসের কন্যা। তন্দ্রা আক্তারীর চাকুরীর খবর পেয়ে হাসি ফুটেছে বাবা-মা আত্মীয়-স্বজন সহ এলাকার বাসির। অভাব অনটন সংসারের মাহিন্দ্রা চালক বাবার কন্যা তন্দ্রা আক্তারী (১৮)। মাহিন্দ্রা চালক বাবার স্বপ্ন পূরণে আর পরিবারের অসচ্ছলতার মাঝে তাঁর যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি কনস্টেবল পদে নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পাওয়া

তন্দ্রা আক্তারী বলেন-  আমার বাবা একজন মাহিন্দ্রা চালক। আমার যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হয়েছে, মাত্র ২২০ টাকার বিনিময়ে চাকরিটা হয়েছে। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে আমার বাবার পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত আমার বাবা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছেন আজ আমি আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আমি আনন্দিত‌

রঘুনন্দন এলাকার সুমন মন্ডলের ছেলে তামীম মন্ডল চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, আমার বাবা ট্রাক চালক মাত্র ২২০ টাকায় পুলিশের চাকরি হবে ভাবতেই পারিনি।

বন্ধুর পোশাক ধার করে আমি মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। সিয়াম মোল্যা বলেন, আমার বাবা লাবলু মোল্যা পেশায় একজন কৃষি শ্রমিক। ছোট কাল থেকে স্বপ্ন ছিল পুলিশ হওয়ার। বাবার সাথে কৃষি কাজ করে পড়ালেখা করেছি৷ আমার মেধাকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সাফল্য আমার বাবার হাত ধরেই পেয়েছি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুরের পুলিশ ট্রেইনি কনস্টেবল পদের নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও ফরিদপুরের পুলিশ সুপার(এসপি) মো. আব্দুল জলিল বলেন, পুলিশের নিয়োগে অনেক সময় নানা ধরনের বিষয় নিয়ে অভিযোগ উঠলেও  ফরিদপুরে স্বচ্ছ ভাবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছে।।