ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার দেলোয়ার লাগামহীন দুর্নীতি কে থামাবে। ফরিদপুরে বিএসটিআই টাস্কফোর্সের মোবাইল কোর্ট : ৯ প্রতিষ্ঠানে ২ লাখ ৬ হাজার টাকা জরিমানা ফরিদপুরে ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করলেন ফরিদপুর ৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ মধুখালীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ধামইরহাট সীমান্তে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ চোরাকারবারী আটক কাম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি দালাল চক্রের প্রতারণা — ফরিদপুরের রোমান পাসপোর্ট ও অর্থ হারিয়ে বিপাকে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে রাজশাহী বিভাগজুড়ে প্রতিবাদ সভার ঘোষণা

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার দেলোয়ার লাগামহীন দুর্নীতি কে থামাবে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আমিন 

 

কক্সবাজার কারাগারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারে জেলার দেলোয়ার !

 

* নিয়মিত বন্দিদের হয়রানি আর নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।

* ভুক্তভোগীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিটেনশন আসামি দেখালেও প্রলোভনে হাতিয়ে নিলেন ৪ লাখ!

* নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বাহিরে চলছে জেলার একমাত্র কারাগার।

* রাজনৈতিক বন্দিদের ইলিশ ফাইল দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে!

 

পর্ব (১)

রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ, কথায় এবং স্লোগানে থাকলেও কিন্তু পুরো চিত্র ভিন্ন, আলোর পথ দেখেনা, অপরাধীরা ভয়ংকর হয়ে বেরিয়ে পড়েন কারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শেখে। কারণ, কারাগারে দায়িত্বে থাকা একেকটি কর্মকর্তা একেকটি ভয়ঙ্কর অপরাধীও বটে।

 

নানা অভিযোগে বারবার জর্জরিত কক্সবাজার কারাগারের দায়িত্বরত জেলাররা। অভিযোগে উঠে কারাগারের ভিতরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে। বন্দীদের প্রতি অসাধাচরণ, জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের মতো কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ অভিযোগ তুলেন হাজতি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে উঠে আসছে। গত কয়েক মাস যেতে না যেতেই জেলার আবু মুসার বদলির পর এবং বছর না পেরোতেই জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে লোমহর্ষক বর্ননা তুলে ধরেন অনেকেই।

 

এর মধ্যে বন্দিদের প্রতি অসাধাচরণ, নানা সুবিধে দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া। আলোচিত রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগ। এছাড়াও চাহিদা পরিমাণ টাকা দিতে না পারলেই আইনের ফাঁকফোকর তৈরি করে বন্দিদের কারাগার কতৃক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রাখা, মাসের পর মাস সেলে বন্দি করে রাখা, এছাড়াও খাবারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রেখে অনাহারে তিলেতিলে বন্দিদের প্রতি জুলুম নির্যাতন নিপিড়নের  মতো ঘটনা ঘটান দায়িত্বরত জেলা কারাগারের এই কর্মকর্তা।

 

জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জামিন হওয়া এক হাজতি আসামি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আমাকে ডিটেনশন আসামি দেখিয়ে সেলে বন্দি করে রাখা হয়, পরবর্তী তা বাতিল করে সাধারণ আসামিদের মতো করে দেয়ার কথা বলে কৌশলে দশ লাখ টাকা দাবি করে।  কয়েকদিন পর ৪ লাখ টাকা দেয়ার পরেও কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। একমাসের চেয়েও বেশিদিন সেলে সমস্ত সুবিধা বন্ধ করে দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। যা শারীরিক মানসিক  এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।  এমন একটি কল চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, কারারক্ষী থেকে শুরু করে সুবেদার, জমাদার সিনিয়র কারারক্ষীরাও জেলার দেলোয়ারের চত্রচ্ছায়ায় অবৈধভাবে বন্দিদের কাছ থেকে নানা ফন্দিতে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার। রোহিঙ্গা মাদক কারবারি থেকেও মাসিক টাকা তুলেন জেলার।

 

এছাড়াও নিজের পছন্দের হাজতিদের স্পেশাল রান্নার ব্যবস্থা করে সুযোগ সুবিধা দিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিছু কিছু মাফিয়া আসামিদের অদৃশ্যভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলের সুবিধা দিয়েও টাকা নেন জেলার দেলোয়ার ও তার নিজস্ব কারারক্ষীরা।

 

কারা হাসপাতালে সাধারণ আসামিদের রোগী বানিয়ে মাসে দশ থেকে পনের হাজার টাকা করে প্রভেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন এই কারাগারে দায়িত্বরত জেলার দেলোয়ার।

 

বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড ভেঙে দিয়ে নাড়াচাড়া করে দেয়,যার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয় কয়েদি এবং হাজতি আসামিদের। এতে নির্দিষ্ট একটা মাসিক ফি দিয়ে নিজেদের সুবিধে মতো করেও রাখতে টাকা নেন জেলার দেলোয়ারের সিন্ডিকেট।

 

কৌশলে কারা অভ্যন্তরে গাঁজা, ইয়াবা  ও নানা নিষিদ্ধ জিনিস পাচারেও সহযোগিতা করারও তথ্য রয়েছে। আলাদা গাঁজা ওয়ার্ড নামেও ওয়ার্ড রয়েছে এই কারাগারে।

 

দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় কক্সবাজার জেলা কারাগার অন্যতন একটি কারাগার, যেখানে রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে নিয়মিত তিন হাজারেরও অধিক বন্দিরা রয়েছে। অধিকাংশ আসামি ইয়াবা মাফিয়া ও বড় বড় মাদক সম্রাট।  রাজনৈতিক বড় বড় নেতা থেকে শুরু করে সবই এই কারাগারে হজম হয়েছেন, তবে কিছু কিছু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত আসামিদের গিন্জি করে রেখে অসুবিধে দেখিয়ে হয়রানিতে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। শুধুমাত্র যারা চাহিদা মতো টাকা দিতে পারবে তাদের ওয়ার্ড পরিবর্তন করে কারাগারে সমস্ত সুবিধা দিতে বাধ্য থাকেন। তবে পরিমাণ মতো টাকা দিতে না পারলে হয়রানি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

 

নুরুল আবছার, জামিন হয়ে বের হলে দেখা হয় কারাফটকে, কথা হয় কারাভ্যন্তরের বিষয়ে, সে অকপটেই বলেন যে, কারাগারে টাকা দিলেই সব মেলে, এমনকি গাঁজা, ইয়াবাসহ নানা অবৈধ সুবিধা। ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দাম হলেও এক্সট্রা রান্নার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। রান্না করা এক কেজি গরুর মাংসের মূল্য সাড়ে তিন হাজার, শুটকি আর এক কেজি আলুর দাম দুই হাজার টাকা, মোবাইলে গোপনে টাকা দিলেই ঘন্টার পর ঘন্টা কথাও বলা যায়, সবকিছুই এখন একাই নিয়ন্ত্রণ করেন জেলার দেলোয়ার। তবে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই অসুবিধে পড়তে হয়, ঢুকিয়ে দেয়া হয় সেলে, সবমিলিয়ে দেলোয়ার সাহেব একজন অবৈধ ঘুষখুর, মুখের আচরণ থেকে শুরু করে সবকিছু যেন এক ভয়ংকর অপরাধী। একইভাবে সেলিম নামের একজন জামিনে বের হয়ে আসা তিনিও এসব বিষয়ে কথা বলেন।

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে দেলোয়ারের কাছে জানতে চাইলে  তিনি বলেন যে, আপনি যার কথা বলছেন তিনি একমাত্র ডিটেনশন আসামি ছিলেন কক্সবাজারে, এটি উপরের অর্ডার ছিল। যার জন্য ঐভাবে করা হয়েছে, চার লাখ টাকা নেয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন সদুত্তরও দেননি। এবং এসব টাকার বিষয়ে টেক্সট করে ওয়াটসআপে জানতে চাইলেও কোন রিপ্লাই দেননি।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার দেলোয়ার লাগামহীন দুর্নীতি কে থামাবে।

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আমিন

কক্সবাজার কারাগারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারে জেলার দেলোয়ার !

* নিয়মিত বন্দিদের হয়রানি আর নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।
* ভুক্তভোগীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিটেনশন আসামি দেখালেও প্রলোভনে হাতিয়ে নিলেন ৪ লাখ!
* নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বাহিরে চলছে জেলার একমাত্র কারাগার।
* রাজনৈতিক বন্দিদের ইলিশ ফাইল দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে!

পর্ব (১)
রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ, কথায় এবং স্লোগানে থাকলেও কিন্তু পুরো চিত্র ভিন্ন, আলোর পথ দেখেনা, অপরাধীরা ভয়ংকর হয়ে বেরিয়ে পড়েন কারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শেখে। কারণ, কারাগারে দায়িত্বে থাকা একেকটি কর্মকর্তা একেকটি ভয়ঙ্কর অপরাধীও বটে।

নানা অভিযোগে বারবার জর্জরিত কক্সবাজার কারাগারের দায়িত্বরত জেলাররা। অভিযোগে উঠে কারাগারের ভিতরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে। বন্দীদের প্রতি অসাধাচরণ, জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের মতো কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ অভিযোগ তুলেন হাজতি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে উঠে আসছে। গত কয়েক মাস যেতে না যেতেই জেলার আবু মুসার বদলির পর এবং বছর না পেরোতেই জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে লোমহর্ষক বর্ননা তুলে ধরেন অনেকেই।

এর মধ্যে বন্দিদের প্রতি অসাধাচরণ, নানা সুবিধে দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া। আলোচিত রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগ। এছাড়াও চাহিদা পরিমাণ টাকা দিতে না পারলেই আইনের ফাঁকফোকর তৈরি করে বন্দিদের কারাগার কতৃক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রাখা, মাসের পর মাস সেলে বন্দি করে রাখা, এছাড়াও খাবারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রেখে অনাহারে তিলেতিলে বন্দিদের প্রতি জুলুম নির্যাতন নিপিড়নের মতো ঘটনা ঘটান দায়িত্বরত জেলা কারাগারের এই কর্মকর্তা।

জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জামিন হওয়া এক হাজতি আসামি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আমাকে ডিটেনশন আসামি দেখিয়ে সেলে বন্দি করে রাখা হয়, পরবর্তী তা বাতিল করে সাধারণ আসামিদের মতো করে দেয়ার কথা বলে কৌশলে দশ লাখ টাকা দাবি করে। কয়েকদিন পর ৪ লাখ টাকা দেয়ার পরেও কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। একমাসের চেয়েও বেশিদিন সেলে সমস্ত সুবিধা বন্ধ করে দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। যা শারীরিক মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এমন একটি কল চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কারারক্ষী থেকে শুরু করে সুবেদার, জমাদার সিনিয়র কারারক্ষীরাও জেলার দেলোয়ারের চত্রচ্ছায়ায় অবৈধভাবে বন্দিদের কাছ থেকে নানা ফন্দিতে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার। রোহিঙ্গা মাদক কারবারি থেকেও মাসিক টাকা তুলেন জেলার।

এছাড়াও নিজের পছন্দের হাজতিদের স্পেশাল রান্নার ব্যবস্থা করে সুযোগ সুবিধা দিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিছু কিছু মাফিয়া আসামিদের অদৃশ্যভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলের সুবিধা দিয়েও টাকা নেন জেলার দেলোয়ার ও তার নিজস্ব কারারক্ষীরা।

কারা হাসপাতালে সাধারণ আসামিদের রোগী বানিয়ে মাসে দশ থেকে পনের হাজার টাকা করে প্রভেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন এই কারাগারে দায়িত্বরত জেলার দেলোয়ার।

বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড ভেঙে দিয়ে নাড়াচাড়া করে দেয়,যার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয় কয়েদি এবং হাজতি আসামিদের। এতে নির্দিষ্ট একটা মাসিক ফি দিয়ে নিজেদের সুবিধে মতো করেও রাখতে টাকা নেন জেলার দেলোয়ারের সিন্ডিকেট।

কৌশলে কারা অভ্যন্তরে গাঁজা, ইয়াবা ও নানা নিষিদ্ধ জিনিস পাচারেও সহযোগিতা করারও তথ্য রয়েছে। আলাদা গাঁজা ওয়ার্ড নামেও ওয়ার্ড রয়েছে এই কারাগারে।

দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় কক্সবাজার জেলা কারাগার অন্যতন একটি কারাগার, যেখানে রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে নিয়মিত তিন হাজারেরও অধিক বন্দিরা রয়েছে। অধিকাংশ আসামি ইয়াবা মাফিয়া ও বড় বড় মাদক সম্রাট। রাজনৈতিক বড় বড় নেতা থেকে শুরু করে সবই এই কারাগারে হজম হয়েছেন, তবে কিছু কিছু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত আসামিদের গিন্জি করে রেখে অসুবিধে দেখিয়ে হয়রানিতে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। শুধুমাত্র যারা চাহিদা মতো টাকা দিতে পারবে তাদের ওয়ার্ড পরিবর্তন করে কারাগারে সমস্ত সুবিধা দিতে বাধ্য থাকেন। তবে পরিমাণ মতো টাকা দিতে না পারলে হয়রানি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

নুরুল আবছার, জামিন হয়ে বের হলে দেখা হয় কারাফটকে, কথা হয় কারাভ্যন্তরের বিষয়ে, সে অকপটেই বলেন যে, কারাগারে টাকা দিলেই সব মেলে, এমনকি গাঁজা, ইয়াবাসহ নানা অবৈধ সুবিধা। ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দাম হলেও এক্সট্রা রান্নার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। রান্না করা এক কেজি গরুর মাংসের মূল্য সাড়ে তিন হাজার, শুটকি আর এক কেজি আলুর দাম দুই হাজার টাকা, মোবাইলে গোপনে টাকা দিলেই ঘন্টার পর ঘন্টা কথাও বলা যায়, সবকিছুই এখন একাই নিয়ন্ত্রণ করেন জেলার দেলোয়ার। তবে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই অসুবিধে পড়তে হয়, ঢুকিয়ে দেয়া হয় সেলে, সবমিলিয়ে দেলোয়ার সাহেব

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার দেলোয়ার লাগামহীন দুর্নীতি কে থামাবে।

আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

 

 

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আমিন 

 

কক্সবাজার কারাগারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারে জেলার দেলোয়ার !

 

* নিয়মিত বন্দিদের হয়রানি আর নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।

* ভুক্তভোগীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিটেনশন আসামি দেখালেও প্রলোভনে হাতিয়ে নিলেন ৪ লাখ!

* নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বাহিরে চলছে জেলার একমাত্র কারাগার।

* রাজনৈতিক বন্দিদের ইলিশ ফাইল দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে!

 

পর্ব (১)

রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ, কথায় এবং স্লোগানে থাকলেও কিন্তু পুরো চিত্র ভিন্ন, আলোর পথ দেখেনা, অপরাধীরা ভয়ংকর হয়ে বেরিয়ে পড়েন কারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শেখে। কারণ, কারাগারে দায়িত্বে থাকা একেকটি কর্মকর্তা একেকটি ভয়ঙ্কর অপরাধীও বটে।

 

নানা অভিযোগে বারবার জর্জরিত কক্সবাজার কারাগারের দায়িত্বরত জেলাররা। অভিযোগে উঠে কারাগারের ভিতরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে। বন্দীদের প্রতি অসাধাচরণ, জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের মতো কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ অভিযোগ তুলেন হাজতি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে উঠে আসছে। গত কয়েক মাস যেতে না যেতেই জেলার আবু মুসার বদলির পর এবং বছর না পেরোতেই জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে লোমহর্ষক বর্ননা তুলে ধরেন অনেকেই।

 

এর মধ্যে বন্দিদের প্রতি অসাধাচরণ, নানা সুবিধে দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া। আলোচিত রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগ। এছাড়াও চাহিদা পরিমাণ টাকা দিতে না পারলেই আইনের ফাঁকফোকর তৈরি করে বন্দিদের কারাগার কতৃক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রাখা, মাসের পর মাস সেলে বন্দি করে রাখা, এছাড়াও খাবারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রেখে অনাহারে তিলেতিলে বন্দিদের প্রতি জুলুম নির্যাতন নিপিড়নের  মতো ঘটনা ঘটান দায়িত্বরত জেলা কারাগারের এই কর্মকর্তা।

 

জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জামিন হওয়া এক হাজতি আসামি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আমাকে ডিটেনশন আসামি দেখিয়ে সেলে বন্দি করে রাখা হয়, পরবর্তী তা বাতিল করে সাধারণ আসামিদের মতো করে দেয়ার কথা বলে কৌশলে দশ লাখ টাকা দাবি করে।  কয়েকদিন পর ৪ লাখ টাকা দেয়ার পরেও কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। একমাসের চেয়েও বেশিদিন সেলে সমস্ত সুবিধা বন্ধ করে দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। যা শারীরিক মানসিক  এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।  এমন একটি কল চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, কারারক্ষী থেকে শুরু করে সুবেদার, জমাদার সিনিয়র কারারক্ষীরাও জেলার দেলোয়ারের চত্রচ্ছায়ায় অবৈধভাবে বন্দিদের কাছ থেকে নানা ফন্দিতে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার। রোহিঙ্গা মাদক কারবারি থেকেও মাসিক টাকা তুলেন জেলার।

 

এছাড়াও নিজের পছন্দের হাজতিদের স্পেশাল রান্নার ব্যবস্থা করে সুযোগ সুবিধা দিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিছু কিছু মাফিয়া আসামিদের অদৃশ্যভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলের সুবিধা দিয়েও টাকা নেন জেলার দেলোয়ার ও তার নিজস্ব কারারক্ষীরা।

 

কারা হাসপাতালে সাধারণ আসামিদের রোগী বানিয়ে মাসে দশ থেকে পনের হাজার টাকা করে প্রভেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন এই কারাগারে দায়িত্বরত জেলার দেলোয়ার।

 

বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড ভেঙে দিয়ে নাড়াচাড়া করে দেয়,যার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয় কয়েদি এবং হাজতি আসামিদের। এতে নির্দিষ্ট একটা মাসিক ফি দিয়ে নিজেদের সুবিধে মতো করেও রাখতে টাকা নেন জেলার দেলোয়ারের সিন্ডিকেট।

 

কৌশলে কারা অভ্যন্তরে গাঁজা, ইয়াবা  ও নানা নিষিদ্ধ জিনিস পাচারেও সহযোগিতা করারও তথ্য রয়েছে। আলাদা গাঁজা ওয়ার্ড নামেও ওয়ার্ড রয়েছে এই কারাগারে।

 

দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় কক্সবাজার জেলা কারাগার অন্যতন একটি কারাগার, যেখানে রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে নিয়মিত তিন হাজারেরও অধিক বন্দিরা রয়েছে। অধিকাংশ আসামি ইয়াবা মাফিয়া ও বড় বড় মাদক সম্রাট।  রাজনৈতিক বড় বড় নেতা থেকে শুরু করে সবই এই কারাগারে হজম হয়েছেন, তবে কিছু কিছু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত আসামিদের গিন্জি করে রেখে অসুবিধে দেখিয়ে হয়রানিতে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। শুধুমাত্র যারা চাহিদা মতো টাকা দিতে পারবে তাদের ওয়ার্ড পরিবর্তন করে কারাগারে সমস্ত সুবিধা দিতে বাধ্য থাকেন। তবে পরিমাণ মতো টাকা দিতে না পারলে হয়রানি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

 

নুরুল আবছার, জামিন হয়ে বের হলে দেখা হয় কারাফটকে, কথা হয় কারাভ্যন্তরের বিষয়ে, সে অকপটেই বলেন যে, কারাগারে টাকা দিলেই সব মেলে, এমনকি গাঁজা, ইয়াবাসহ নানা অবৈধ সুবিধা। ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দাম হলেও এক্সট্রা রান্নার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। রান্না করা এক কেজি গরুর মাংসের মূল্য সাড়ে তিন হাজার, শুটকি আর এক কেজি আলুর দাম দুই হাজার টাকা, মোবাইলে গোপনে টাকা দিলেই ঘন্টার পর ঘন্টা কথাও বলা যায়, সবকিছুই এখন একাই নিয়ন্ত্রণ করেন জেলার দেলোয়ার। তবে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই অসুবিধে পড়তে হয়, ঢুকিয়ে দেয়া হয় সেলে, সবমিলিয়ে দেলোয়ার সাহেব একজন অবৈধ ঘুষখুর, মুখের আচরণ থেকে শুরু করে সবকিছু যেন এক ভয়ংকর অপরাধী। একইভাবে সেলিম নামের একজন জামিনে বের হয়ে আসা তিনিও এসব বিষয়ে কথা বলেন।

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে দেলোয়ারের কাছে জানতে চাইলে  তিনি বলেন যে, আপনি যার কথা বলছেন তিনি একমাত্র ডিটেনশন আসামি ছিলেন কক্সবাজারে, এটি উপরের অর্ডার ছিল। যার জন্য ঐভাবে করা হয়েছে, চার লাখ টাকা নেয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন সদুত্তরও দেননি। এবং এসব টাকার বিষয়ে টেক্সট করে ওয়াটসআপে জানতে চাইলেও কোন রিপ্লাই দেননি।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার দেলোয়ার লাগামহীন দুর্নীতি কে থামাবে।

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আমিন

কক্সবাজার কারাগারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারে জেলার দেলোয়ার !

* নিয়মিত বন্দিদের হয়রানি আর নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।
* ভুক্তভোগীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিটেনশন আসামি দেখালেও প্রলোভনে হাতিয়ে নিলেন ৪ লাখ!
* নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বাহিরে চলছে জেলার একমাত্র কারাগার।
* রাজনৈতিক বন্দিদের ইলিশ ফাইল দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে!

পর্ব (১)
রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ, কথায় এবং স্লোগানে থাকলেও কিন্তু পুরো চিত্র ভিন্ন, আলোর পথ দেখেনা, অপরাধীরা ভয়ংকর হয়ে বেরিয়ে পড়েন কারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শেখে। কারণ, কারাগারে দায়িত্বে থাকা একেকটি কর্মকর্তা একেকটি ভয়ঙ্কর অপরাধীও বটে।

নানা অভিযোগে বারবার জর্জরিত কক্সবাজার কারাগারের দায়িত্বরত জেলাররা। অভিযোগে উঠে কারাগারের ভিতরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে। বন্দীদের প্রতি অসাধাচরণ, জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের মতো কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ অভিযোগ তুলেন হাজতি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে উঠে আসছে। গত কয়েক মাস যেতে না যেতেই জেলার আবু মুসার বদলির পর এবং বছর না পেরোতেই জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে লোমহর্ষক বর্ননা তুলে ধরেন অনেকেই।

এর মধ্যে বন্দিদের প্রতি অসাধাচরণ, নানা সুবিধে দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া। আলোচিত রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগ। এছাড়াও চাহিদা পরিমাণ টাকা দিতে না পারলেই আইনের ফাঁকফোকর তৈরি করে বন্দিদের কারাগার কতৃক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রাখা, মাসের পর মাস সেলে বন্দি করে রাখা, এছাড়াও খাবারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রেখে অনাহারে তিলেতিলে বন্দিদের প্রতি জুলুম নির্যাতন নিপিড়নের মতো ঘটনা ঘটান দায়িত্বরত জেলা কারাগারের এই কর্মকর্তা।

জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জামিন হওয়া এক হাজতি আসামি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আমাকে ডিটেনশন আসামি দেখিয়ে সেলে বন্দি করে রাখা হয়, পরবর্তী তা বাতিল করে সাধারণ আসামিদের মতো করে দেয়ার কথা বলে কৌশলে দশ লাখ টাকা দাবি করে। কয়েকদিন পর ৪ লাখ টাকা দেয়ার পরেও কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। একমাসের চেয়েও বেশিদিন সেলে সমস্ত সুবিধা বন্ধ করে দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। যা শারীরিক মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এমন একটি কল চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কারারক্ষী থেকে শুরু করে সুবেদার, জমাদার সিনিয়র কারারক্ষীরাও জেলার দেলোয়ারের চত্রচ্ছায়ায় অবৈধভাবে বন্দিদের কাছ থেকে নানা ফন্দিতে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার। রোহিঙ্গা মাদক কারবারি থেকেও মাসিক টাকা তুলেন জেলার।

এছাড়াও নিজের পছন্দের হাজতিদের স্পেশাল রান্নার ব্যবস্থা করে সুযোগ সুবিধা দিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিছু কিছু মাফিয়া আসামিদের অদৃশ্যভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলের সুবিধা দিয়েও টাকা নেন জেলার দেলোয়ার ও তার নিজস্ব কারারক্ষীরা।

কারা হাসপাতালে সাধারণ আসামিদের রোগী বানিয়ে মাসে দশ থেকে পনের হাজার টাকা করে প্রভেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন এই কারাগারে দায়িত্বরত জেলার দেলোয়ার।

বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড ভেঙে দিয়ে নাড়াচাড়া করে দেয়,যার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয় কয়েদি এবং হাজতি আসামিদের। এতে নির্দিষ্ট একটা মাসিক ফি দিয়ে নিজেদের সুবিধে মতো করেও রাখতে টাকা নেন জেলার দেলোয়ারের সিন্ডিকেট।

কৌশলে কারা অভ্যন্তরে গাঁজা, ইয়াবা ও নানা নিষিদ্ধ জিনিস পাচারেও সহযোগিতা করারও তথ্য রয়েছে। আলাদা গাঁজা ওয়ার্ড নামেও ওয়ার্ড রয়েছে এই কারাগারে।

দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় কক্সবাজার জেলা কারাগার অন্যতন একটি কারাগার, যেখানে রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে নিয়মিত তিন হাজারেরও অধিক বন্দিরা রয়েছে। অধিকাংশ আসামি ইয়াবা মাফিয়া ও বড় বড় মাদক সম্রাট। রাজনৈতিক বড় বড় নেতা থেকে শুরু করে সবই এই কারাগারে হজম হয়েছেন, তবে কিছু কিছু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত আসামিদের গিন্জি করে রেখে অসুবিধে দেখিয়ে হয়রানিতে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। শুধুমাত্র যারা চাহিদা মতো টাকা দিতে পারবে তাদের ওয়ার্ড পরিবর্তন করে কারাগারে সমস্ত সুবিধা দিতে বাধ্য থাকেন। তবে পরিমাণ মতো টাকা দিতে না পারলে হয়রানি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

নুরুল আবছার, জামিন হয়ে বের হলে দেখা হয় কারাফটকে, কথা হয় কারাভ্যন্তরের বিষয়ে, সে অকপটেই বলেন যে, কারাগারে টাকা দিলেই সব মেলে, এমনকি গাঁজা, ইয়াবাসহ নানা অবৈধ সুবিধা। ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দাম হলেও এক্সট্রা রান্নার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। রান্না করা এক কেজি গরুর মাংসের মূল্য সাড়ে তিন হাজার, শুটকি আর এক কেজি আলুর দাম দুই হাজার টাকা, মোবাইলে গোপনে টাকা দিলেই ঘন্টার পর ঘন্টা কথাও বলা যায়, সবকিছুই এখন একাই নিয়ন্ত্রণ করেন জেলার দেলোয়ার। তবে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই অসুবিধে পড়তে হয়, ঢুকিয়ে দেয়া হয় সেলে, সবমিলিয়ে দেলোয়ার সাহেব