ফরিদপুরে প্রবাসীর পরিবারের ওপর সশস্ত্র হামলা আহত ৩, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ।
- আপডেট সময় : ০১:৪০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর।
ফরিদপুর সদর উপজেলার ৬নং মাচ্চর ইউনিয়নের জয়দেবপুর গ্রামে প্রবাসীর পরিবারের ওপর সশস্ত্র হামলা, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জয়দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শামীম খান তার প্রতিবেশী সাবের খান, মুক্তার খান, আকবর খানসহ মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলার শিকার পরিবারের সদস্য আরমান খান মালয়েশিয়া প্রবাসী। অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় তার ভাই আশরাফ খান ও ভাবী মিতু বেগমের কাছে টাকা দাবি করতেন।
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) তারিখে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ওই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটের দিকে অভিযুক্তরা ধারালো চাপাতি, রামদা, লোহার রড, হাতুড়ি ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে আশরাফ খান (৫২) কে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে তিনি গুরুতর জখম হন। তাকে বাঁচাতে গেলে তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিতু বেগম (২৫) ও সীমা আক্তারকেও লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়।
আশরাফ খান বলেন, মোঃ সাকিব খান (২৩), মোঃ মুক্তার খান, মোঃ সাবের খান (৬২), বিথী (২৫), চাঁদনী (২৬), সুফিয়া বেগম (৫০), আকবর খান (৭০), মোজিরন বেগম (৪০)সহ আরো ৫-৬ জন আমাদের ওপরে অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় অভিযুক্তরা মিতু বেগম ও সীমা আক্তারের স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। যার মধ্যে প্রায় ১০ আনা করে দুটি স্বর্ণের চেইন এবং ৬ আনা ওজনের একজোড়া কানের দুল রয়েছে। এছাড়া ঘরের আলমারিতে থাকা প্রায় ১ লাখ টাকা লুট করে নেয়। হামলার সময় ঘরের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুরও করা হয়।
ভুক্তভোগীদের ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া এবং পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।






















