ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে শামা ওবায়েদকে সংবর্ধনা ফরিদপুরে ইয়াবা সেবনের গ্যাস লাইটার চাওয়া কে কেন্দ্র করে অসহায় বোতল সংগ্রহকারীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিলেন মাস্টারের ছেলে অসুস্থতার ছুটি না পেয়ে রাতের ডিউটিতে শ্রমিকের মৃত্যু, কারখানার সামনে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় পরিচালকের ১০ বছরের কারাদণ্ড কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়  কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কথিত নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অস্থিতিশীলতার বি এন পির প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল  ২৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি আটক ২৭০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি আটক

ফরিদপুরের সালথায় হামলার জেরে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ, আহত ২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর।

 

ফরিদপুর জেলা সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আরুয়াকান্দি গট্টি গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নুরউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে মোঃ রাজিব মাতুব্বর (৩৩) সোমবার ৪ মে ২০২৬ইং সকালে তার সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হন। পথে মতিয়ার রহমান (৪৭) সহ আরো অনেকে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। হামলায় রাজিব মাতুব্বরের পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। এছাড়াও কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

এদিকে একই দিন সকাল আনুমানিক ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার দিকে মতিয়ার রহমানের বাবা আব্দুল কুদ্দুস মাতুব্বর (৭৩) বালিয়া গট্টি বাজারের একটি দোকানে চা পান করছিলেন। এ সময় জনি নামের এক ব্যক্তি ও ভ্যানচালক বাবা ছেলে মোট তিনজন তাকে বাড়িতে হামলার খবর বলে ডেকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পাশের একটি মাস্টার বাড়ির বাঁশঝাড়ের সামনে নিয়ে আব্দুল কুদ্দুস মাতুব্বরের ওপর হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে। জানাযায় হামলাকারীদের হাতে লাঠি ও লোহার রড ছিল। হামলায় তার দুই পা ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। বর্তমানে তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজিব মাতুব্বরের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

 

আব্দুল কুদ্দুস মাতুব্বরের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়েছে। ছেলেদের বউদের স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় এলাকায় ৪০ থেকে ৫০ জন লোক উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ইশাক নান্নুসহ কয়েকজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে জানান।

 

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে নিরীহ ও খেটে খাওয়া মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলু রহমান খানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরের সালথায় হামলার জেরে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ, আহত ২

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

 

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর।

 

ফরিদপুর জেলা সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আরুয়াকান্দি গট্টি গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নুরউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে মোঃ রাজিব মাতুব্বর (৩৩) সোমবার ৪ মে ২০২৬ইং সকালে তার সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হন। পথে মতিয়ার রহমান (৪৭) সহ আরো অনেকে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। হামলায় রাজিব মাতুব্বরের পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। এছাড়াও কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

এদিকে একই দিন সকাল আনুমানিক ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার দিকে মতিয়ার রহমানের বাবা আব্দুল কুদ্দুস মাতুব্বর (৭৩) বালিয়া গট্টি বাজারের একটি দোকানে চা পান করছিলেন। এ সময় জনি নামের এক ব্যক্তি ও ভ্যানচালক বাবা ছেলে মোট তিনজন তাকে বাড়িতে হামলার খবর বলে ডেকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পাশের একটি মাস্টার বাড়ির বাঁশঝাড়ের সামনে নিয়ে আব্দুল কুদ্দুস মাতুব্বরের ওপর হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে। জানাযায় হামলাকারীদের হাতে লাঠি ও লোহার রড ছিল। হামলায় তার দুই পা ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। বর্তমানে তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজিব মাতুব্বরের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

 

আব্দুল কুদ্দুস মাতুব্বরের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়েছে। ছেলেদের বউদের স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় এলাকায় ৪০ থেকে ৫০ জন লোক উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ইশাক নান্নুসহ কয়েকজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে জানান।

 

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে নিরীহ ও খেটে খাওয়া মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলু রহমান খানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।