নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বড় হামলার পরিকল্পনা স্থগিত
- আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
লেবাননে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এব বৈরুতে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন আলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আলোচনার সময় ট্রাম্প ইসরাইলের সাম্প্রতিক সামরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তিনি উদ্বেগ জানিয়ে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
সূত্রগুলোর মতে, ট্রাম্পের আশঙ্কা ছিল যে অতিরিক্ত সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুকে পরিস্থিতি আরও সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলার পরামর্শ দেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈরুতের একটি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা নিয়েও আপত্তি জানায় ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল, এ ধরনের হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে সমালোচনার সৃষ্টি হতে পারে।
টেলিফোন আলাপের পর ইসরাইল আপাতত বৈরুতে বড় ধরনের সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। একই সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
তবে ইসরাইলি পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ ছিল এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ইসরাইল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করে।
এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের মধ্যে এই মতপার্থক্য ভবিষ্যতের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।











