ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বড় হামলার পরিকল্পনা স্থগিত ফরিদপুরে বিএসটিআই ও জেলা প্রশাসনের যৌথ মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা সদরপুরে হত্যা মামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মিরপুরে বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার: বয়স্কদের নিরাপত্তা ও পারিবারিক দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন গজারিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন ফরিদপুর প্রতিনিধি: মো:নজরুল ইসলাম হিরু গাজারিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ২০২৬ সালের নতুন কমিটি গঠন ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা: শিশুসহ নিহত ৫, আহত ২ ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ দোয়া মাহফিল কালিয়াকৈরে হাইটেক সিটি রেলস্টেশনে রেললাইন মেরামতের বিশেষ রেলগাড়ির মালামাল চুরি ১ জন আটক নগরকান্দার ডাঙ্গীতে যোগদান সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক

নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বড় হামলার পরিকল্পনা স্থগিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

লেবাননে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এব বৈরুতে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন আলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আলোচনার সময় ট্রাম্প ইসরাইলের সাম্প্রতিক সামরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তিনি উদ্বেগ জানিয়ে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

সূত্রগুলোর মতে, ট্রাম্পের আশঙ্কা ছিল যে অতিরিক্ত সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুকে পরিস্থিতি আরও সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলার পরামর্শ দেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈরুতের একটি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা নিয়েও আপত্তি জানায় ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল, এ ধরনের হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে সমালোচনার সৃষ্টি হতে পারে।

টেলিফোন আলাপের পর ইসরাইল আপাতত বৈরুতে বড় ধরনের সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। একই সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

তবে ইসরাইলি পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ ছিল এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ইসরাইল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করে।

এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের মধ্যে এই মতপার্থক্য ভবিষ্যতের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বড় হামলার পরিকল্পনা স্থগিত

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

লেবাননে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এব বৈরুতে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন আলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আলোচনার সময় ট্রাম্প ইসরাইলের সাম্প্রতিক সামরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তিনি উদ্বেগ জানিয়ে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

সূত্রগুলোর মতে, ট্রাম্পের আশঙ্কা ছিল যে অতিরিক্ত সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুকে পরিস্থিতি আরও সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলার পরামর্শ দেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈরুতের একটি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা নিয়েও আপত্তি জানায় ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল, এ ধরনের হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে সমালোচনার সৃষ্টি হতে পারে।

টেলিফোন আলাপের পর ইসরাইল আপাতত বৈরুতে বড় ধরনের সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। একই সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

তবে ইসরাইলি পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ ছিল এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ইসরাইল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করে।

এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের মধ্যে এই মতপার্থক্য ভবিষ্যতের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।