ফরিদপুরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব
- আপডেট সময় : ০৯:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

পার্থপ্রতিম ভদ্র, ক্রাইম রিপোর্টার;
ফরিদপুর জেলায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন পৌর প্রতিমা বিসর্জন ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের শুভ উদ্বোধন করেন জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা, জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুল জলিল, পিপিএম, পুলিশ সুপার, ফরিদপুর এবং জনাব মোঃ মাহমুদুল হাসান, সিভিল সার্জন, ফরিদপুর। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় পূজামণ্ডপের সভাপতি, সেক্রেটারি ও মণ্ডপে আগত সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দদের সাথে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এসময় পুলিশ সুপার বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের পাশাপাশি, সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, আনসার সদস্যরা ছিলেন সজাগ। জেলা পুলিশ, ফরিদপুরের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মণ্ডপে পোষাকধারী পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মোতায়েনকৃত পুলিশ সদস্য ছাড়াও সাদা পোশাকে ডিবি ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা মাঠে কাজ করেছে। তাছাড়া সমগ্র জেলায় পুলিশের টিম দায়িত্ব পালন করেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই উৎসব যেন নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে সেই লক্ষে ফরিদপুর জেলা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি মন্ডপগুলোয় নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়, স্থাপন করা হয় সিসি ক্যামেরা।
তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপুজা উদযাপন করতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে, বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি – এটা আমাদের যৌথ সাফল্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও প্রয়োজন।
পুলিশ সুপার মহোদয় জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা, দায়িত্বপরায়ন ও সাহসিকতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। পাশাপাশি ফরিদপুরবাসীকে পুলিশের কাজে সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন এবং জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।






















