ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলর তিন বন্ধু নিহত অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি দেশে সারের সংকট নেই, চার মাসের বাড়তি মজুত রয়েছে: কৃষিমন্ত্রী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা রোগী হয়রানি বন্ধ, দালালমুক্ত পরিবেশ ও জরুরি অবকাঠামো উন্নয়নে জোর পত্নীতলায় বিএনপির প্রস্তুতি সভা শিবচরে চার বছর বিদ্যুৎহীন উম্মে হানি, মোমবাতির আলোয় চলছে পড়াশোনা ধামইরহাটে ১ হাজার ৫৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি নওগাঁ জেলার পোরশায় প্রায় ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ হিন্দুধর্মীয় দেবতার মূর্তি উদ্ধার নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহাবুব শেখের ঘোষণা

ফরিদপুরের ‌বোয়ালমারীতে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ মামলা আসামি কয়েক শত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

পার্থ প্রতিম ভদ্র, ক্রাইম রিপোর্টার:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আগুন দিয়ে পোড়ানোর ঘটনায় দুই পক্ষেরই নামেই গতকাল  শনিবার রাতে বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

২ মামলায় আসামি করা হয়েছে কয়েক শত ‌ ব্যক্তিকে। তবে  মামলার কোন আসামি এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার নাই।

গত ৭ নভেম্বর বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপ ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি, সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ, বিএনপির অফিস ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটে।

এই সকল ঘটনায় খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়াকে প্রধান করে, জনতা পার্টির ১নং উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরকে ২ নং আসামী করে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ও অজ্ঞত ৩০০/৪০০ কে আসামী করে শনিবার থানায় এজাহার দেয়। অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া গ্রুপের সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান বাবু বাদী হয়ে খন্দকার নাসিরুল ইসলামকে ১ নম্বর করে ১৮৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ২০০/২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় এজাহার দেন। পৃথক দুটি মামলায় শনিবার রাতে নথিভুক্ত করা হয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান রবিবার সকালে বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর, মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই পৃথক দুটি বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেপ্তার নেই। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরের ‌বোয়ালমারীতে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ মামলা আসামি কয়েক শত

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

 

 

পার্থ প্রতিম ভদ্র, ক্রাইম রিপোর্টার:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আগুন দিয়ে পোড়ানোর ঘটনায় দুই পক্ষেরই নামেই গতকাল  শনিবার রাতে বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

২ মামলায় আসামি করা হয়েছে কয়েক শত ‌ ব্যক্তিকে। তবে  মামলার কোন আসামি এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার নাই।

গত ৭ নভেম্বর বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপ ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি, সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ, বিএনপির অফিস ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটে।

এই সকল ঘটনায় খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়াকে প্রধান করে, জনতা পার্টির ১নং উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরকে ২ নং আসামী করে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ও অজ্ঞত ৩০০/৪০০ কে আসামী করে শনিবার থানায় এজাহার দেয়। অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া গ্রুপের সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান বাবু বাদী হয়ে খন্দকার নাসিরুল ইসলামকে ১ নম্বর করে ১৮৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ২০০/২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় এজাহার দেন। পৃথক দুটি মামলায় শনিবার রাতে নথিভুক্ত করা হয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান রবিবার সকালে বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর, মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই পৃথক দুটি বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেপ্তার নেই। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।