অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি
- আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

শিমুল তালুকদার, সদরপুর থেকে
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় তিনি এই পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সরাসরি কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানো সেবা গ্রহীতাদের সাথে কথা বলেন। এছাড়া তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, নার্সিং ডিউটি রুম, টয়লেটের পরিবেশ, রান্নার কিচেন রুম ও ওষুধের স্টোর রুম ঘুরে দেখেন। ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদের সাথে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের আশ্বাস দেন।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসকদের সংকট, জনবল ঘাটতি ও নোংরা পরিবেশের নানা দুরবস্থার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। ভুক্তভোগীদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে ৩ জন সিনিয়র সেবিকা—রিনা রানী বিশ্বাস, সুস্মিতা কীর্তনীয়া ও শামীমা আক্তারকে অন্যত্র বদলির তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। এছাড়া সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।
হাসপাতালে ওষুধের সংকট নিরসনে তিনি ইডিসিএলের (ESSCL) ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) ফোন করে দ্রুত ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা ও অনিয়ম সহ্য করা হবে না। জনবল ঘাটতি পূরণে আমরা ইতিমধ্যেই নতুন জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা করছি। অচিরেই সারাদেশে স্বাস্থ্যখাতের জনবল ঘাটতি পূরণ করে গ্রামাঞ্চলেই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। তাছাড়া আগামীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিনের ব্যবস্থা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে গেছে। সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের একটু সময় লাগছে। তবে অচিরেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত উন্নত হবে।”
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমিনুর রহমান সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন, সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন শাহ, বিএনপির উপজেলা আহ্বায়ক কাজী বদরুজ্জামান বদু, সদস্যসচিব তরিকুল ইসলাম কবির মোল্যা প্রমুখ।




















