ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মিরাজ শেখের ১০ বছরের কারাদণ্ড ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের কল্যাণ, ঐক্য ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা

শ্রীপুরে হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্র করে গোপনাঙ্গে মরিচের গুড়া দিয়ে নির্যাতন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫ ২১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ সুলতান মাহমুদ , গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্রকরে গোপনাঙ্গে মরিচের গুড়া দিয়ে কামড়ে ক্ষত বিক্ষত করে এক নারীকে মধ্যযোগীয় বরবর কায়দায় নিয়াতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভূক্তভোগী নারী চব্বিশ ঘন্ট ধরে উপজেলা হাসপাতালে কাতরাচ্ছেণ। ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের গলদাপাড়া গ্রামে। নির্যাতিত রোজিনা (৪০) ওই গ্রামের মো. সাহাবুদ্দিনের স্ত্রী। অভিযুক্তরা হলো জোগিরসিট গ্রামের মিনারা খাতুন(৫০), আকলিমা(৩৩),রিমা(৩০) এবং গলদাপাড়া গ্রামের নাজমিনআক্তার(৩৫) ও তাছলিমা (৪৫)। এঘটনায় ভূক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

জানাযায়, রোজিনার পরিবারের সাথে অভিযুক্তদের পূর্ব বিরোধ রয়েছে। সোমবার দুপুরে ১২টার সময় রোজিনা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা তাকে রস্তা থেকে টেনে হিঁছড়ে মিনারার বাড়িতে নিয়ে যায়। সে খানে তাকে বেধরক পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে নির্যাতিত নারীকে পড়নের জামা কাপড় ছিড়ে বিবস্ত্র করা হয়। অভিযুক্তরা তার হাত-পা বেঁধে গোপনাঙ্গে শুকনো মরিচের গুড়া লাগিয়ে নির্যাতন করে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে ওই নারী জ্ঞান হারায়। স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকরে। রোজনা বলেন, তাকে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। শরীরের বিভিন্ন স্থানে কারিয়ে আহত করে। পড়নের কাপড় খুলে হাত-পা বেঁধে গোপনাঙ্গে শুকনো মরিচের গুড়া দিয়ে নির্যাতন করে। তার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন ম,ন্পডল বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত,করে ব্যবস্থা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শ্রীপুরে হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্র করে গোপনাঙ্গে মরিচের গুড়া দিয়ে নির্যাতন

আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

 

মোঃ সুলতান মাহমুদ , গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্রকরে গোপনাঙ্গে মরিচের গুড়া দিয়ে কামড়ে ক্ষত বিক্ষত করে এক নারীকে মধ্যযোগীয় বরবর কায়দায় নিয়াতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভূক্তভোগী নারী চব্বিশ ঘন্ট ধরে উপজেলা হাসপাতালে কাতরাচ্ছেণ। ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের গলদাপাড়া গ্রামে। নির্যাতিত রোজিনা (৪০) ওই গ্রামের মো. সাহাবুদ্দিনের স্ত্রী। অভিযুক্তরা হলো জোগিরসিট গ্রামের মিনারা খাতুন(৫০), আকলিমা(৩৩),রিমা(৩০) এবং গলদাপাড়া গ্রামের নাজমিনআক্তার(৩৫) ও তাছলিমা (৪৫)। এঘটনায় ভূক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

জানাযায়, রোজিনার পরিবারের সাথে অভিযুক্তদের পূর্ব বিরোধ রয়েছে। সোমবার দুপুরে ১২টার সময় রোজিনা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা তাকে রস্তা থেকে টেনে হিঁছড়ে মিনারার বাড়িতে নিয়ে যায়। সে খানে তাকে বেধরক পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে নির্যাতিত নারীকে পড়নের জামা কাপড় ছিড়ে বিবস্ত্র করা হয়। অভিযুক্তরা তার হাত-পা বেঁধে গোপনাঙ্গে শুকনো মরিচের গুড়া লাগিয়ে নির্যাতন করে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে ওই নারী জ্ঞান হারায়। স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকরে। রোজনা বলেন, তাকে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। শরীরের বিভিন্ন স্থানে কারিয়ে আহত করে। পড়নের কাপড় খুলে হাত-পা বেঁধে গোপনাঙ্গে শুকনো মরিচের গুড়া দিয়ে নির্যাতন করে। তার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন ম,ন্পডল বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত,করে ব্যবস্থা