ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী এম. টি. আখতার টুটুল এই তাড়ানোকে কেন্দ্র করে আলফাডাঙ্গায় শিশুর ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, আটক ১ সদরপুরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ কাব লিডার নির্বাচিত ভাঙ্গার শিক্ষিকা চম্পা আক্তার, এমপি বাবুলের অভিনন্দন ফরিদপুরে সশস্ত্র হামলা, কুপিয়ে আহত ৪; নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগে মামলা রাস্তার কাজে বিটুমিনের ধোঁয়ায় অসুস্থ ৩-৪ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি ১ সদরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ছালাম মিয়ার ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুরের সালথায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, থানায় এজাহার দায়ের। নওগাঁ মধ্যরাতের অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পত্নীতলায় ১৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

কানাইপুরের মূর্তিমান আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী খাজা বাহিনী এক যুবক কে চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫ ২১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবাদকঃ

ফরিদপুর কোতোয়ালী থানাধীন কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখালি গ্রামের মোঃ বিল্লাল খান এর মেঝ পুত্র ওবায়দুরকে হাতুড়ি পেটা করলো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও কানাইপুরের মূর্তিমান আতঙ্ক একাধিক হত্যা চাঁদাবাজি মাদক ছিনতাই লুটতরাজ মামলার জামিন প্রাপ্ত খায়রুল ইসলাম ওরফে খাজা। জানা যায়, ১০ জানুয়ারি আনুমানিক বিকাল ৪ টার সময় ওবায়দুর কানাইপুর পেট্রোল পাম্পে তেল নিচ্ছিল, তখন খাজা ও তার সহযোগীরা একটি প্রাইভেটকার যোগে এসে ওবায়দুর কে তুলে নিয়ে জলিল নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে নৃশংস ভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ওবায়দুরের আর্ত চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে মুমূর্ষ অবস্থায় ওবায়দুরকে দেখতে পায়। ও পরবর্তীতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওবায়দুরকে মৃত ঘোষণা করেন।এ সময় ওবায়দুরের মৃত্যুর সংবাদ শুনে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের কন্যা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। জানা যায় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী খাজা ৯ নং কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন এর আপন সহোদর। জনশ্রুতি আছে আলতাফ চেয়ারম্যান কানাইপুরে তার একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের জন্য আপন ছোট ভাই খাজার নেতৃত্বে খাজা বাহিনী নামে একটি সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট তৈরি করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীরা ওবায়দুর কে হাতুড়ি পেটা ও কুপিয়ে একটি চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করেন। ওবায়দুর মৃত্যুর আগে কয়েকজন সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের নাম বলে গেছেন এদের মধ্যে, নিজাম নিজাম, রাশেদ, নাজমুল, রাসেল,ও রেজাউলসহ আরও অনন্ত ১০-থেকে ১২ জন সন্ত্রাসীরা
ওবায়দুল কে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ সময় নিহত রাজিবের ভাই সাংবাদিকদের বলেন খাজা চেয়ারম্যানের ভাইয়ের সুবাদে কানাইপুর শিল্প অঞ্চলে ব্যাপক চাঁদাবাজি করে আসছেন বেপরোয়া ভাবে। এই খুনি খাজা বাহিনীর সিন্ডিকেটের বিচারের দাবি জানান। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিহত ওবায়দুর সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে
মারা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কানাইপুরের মূর্তিমান আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী খাজা বাহিনী এক যুবক কে চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করেন

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবাদকঃ

ফরিদপুর কোতোয়ালী থানাধীন কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখালি গ্রামের মোঃ বিল্লাল খান এর মেঝ পুত্র ওবায়দুরকে হাতুড়ি পেটা করলো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও কানাইপুরের মূর্তিমান আতঙ্ক একাধিক হত্যা চাঁদাবাজি মাদক ছিনতাই লুটতরাজ মামলার জামিন প্রাপ্ত খায়রুল ইসলাম ওরফে খাজা। জানা যায়, ১০ জানুয়ারি আনুমানিক বিকাল ৪ টার সময় ওবায়দুর কানাইপুর পেট্রোল পাম্পে তেল নিচ্ছিল, তখন খাজা ও তার সহযোগীরা একটি প্রাইভেটকার যোগে এসে ওবায়দুর কে তুলে নিয়ে জলিল নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে নৃশংস ভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ওবায়দুরের আর্ত চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে মুমূর্ষ অবস্থায় ওবায়দুরকে দেখতে পায়। ও পরবর্তীতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওবায়দুরকে মৃত ঘোষণা করেন।এ সময় ওবায়দুরের মৃত্যুর সংবাদ শুনে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের কন্যা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। জানা যায় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী খাজা ৯ নং কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন এর আপন সহোদর। জনশ্রুতি আছে আলতাফ চেয়ারম্যান কানাইপুরে তার একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের জন্য আপন ছোট ভাই খাজার নেতৃত্বে খাজা বাহিনী নামে একটি সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট তৈরি করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীরা ওবায়দুর কে হাতুড়ি পেটা ও কুপিয়ে একটি চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করেন। ওবায়দুর মৃত্যুর আগে কয়েকজন সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের নাম বলে গেছেন এদের মধ্যে, নিজাম নিজাম, রাশেদ, নাজমুল, রাসেল,ও রেজাউলসহ আরও অনন্ত ১০-থেকে ১২ জন সন্ত্রাসীরা
ওবায়দুল কে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ সময় নিহত রাজিবের ভাই সাংবাদিকদের বলেন খাজা চেয়ারম্যানের ভাইয়ের সুবাদে কানাইপুর শিল্প অঞ্চলে ব্যাপক চাঁদাবাজি করে আসছেন বেপরোয়া ভাবে। এই খুনি খাজা বাহিনীর সিন্ডিকেটের বিচারের দাবি জানান। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিহত ওবায়দুর সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে
মারা যায়।