ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পত্নীতলায় চোলাইমদসহ নারী আটক পত্নীতলায় নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত ফরিদপুর পৌর সুপার মার্কেট এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা সদরপুরে মোটরসাইকেল অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত  বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ফরিদপুরে মিছিল, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি অসুবিধা ও অব্যবস্থাপনায় জরাজীর্ণ ফরিদপুরের আড়াইরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার বদলে ‘প্রাইভেট বাণিজ্য’, অবহেলায় বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর ফরিদপুর জেলা পরিষদ ও বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ৩০ বছরের ভোগান্তি, বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান দিনমজুর নুরুল ইসলাম ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান

কাক ডাকা ভোরে ফরিদপুরে চলছে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় তৈরির কর্মযজ্ঞ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫ ২৫৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ রুহুল আমিন ভূইয়া। ফরিদপুর প্রতিনিধি। 

ভোর বেলায় রস সংগ্রহ করতে বেরিয়ে পড়েন গাছিরা, গাছ থেকে নামিয়ে আনেন রস ভর্তি হাড়ি, এরপর রস নিয়ে ছুটেন চুলার কাছে। বড় পাত্রে রেখে চুলায় জ্বাল দিয়ে শুরু হয় গুর তৈরির প্রক্রিয়া। একটু একটু করে রস শুকিয়ে রূপ নেয় সুস্বাদু গুরে। ফরিদপুরে তাম্বুল থানা মেলে দেখা চলে এ কর্মযজ্ঞ।
ফরিদপুরে খেজুরের গুড় ও পাটালির খ্যাতি দেশজুড়ে, এই গুড় কিনতে ভিড় করেন বিভিন্ন জেলার মানুষগুলো। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এ গুর যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা দরে। যাচিরা বলেন আগের দিন বিকালে গাছ কেটে হাড়ি বসানো হয়। পরের দিন সকালে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর শুরু হয় গুর তৈরির প্রক্রিয়া। এ গুর বাজারে বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়।
ক্রেতারা বলেন ভেজালমুক্ত এ গুড় স্বাস্থ্যসম্মত এবং খুবই সুস্বাদু। ফরিদপুরের খেজুরের গুড় সারা দেশব্যাপী বিখ্যাত এটা সবাই জানে বলে জানান এক ক্রেতা।
খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে নিজ উদ্যোগে ৬০০ গাছ কিনেছেন তরুণ উদ্যোক্তা এনামুল হাসান গিয়াস। তিনি জানান রাজশাহী ও যশোর থেকে গাছিদের আনা হয়।
কৃষি বিভাগ বলছে, নতুন করে খেজুরে গাছ লাগানোর পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। ফরিদপুর সদরের কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন,” খেজুরের গুড় ফরিদপুরের একটা ঐতিহ্য ” সারা বাংলাদেশে গুড় উৎপাদন হলেও ফরিদপুরের গুড় বিশেষভাবে আলোচিত।
ফরিদপুর ২০২৪ সালের পরিসংখ্যানে পাওয়া গিয়েছে ১৩,৫৮০ টি খেজুরের গাছ পাওয়া গিয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাক ডাকা ভোরে ফরিদপুরে চলছে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় তৈরির কর্মযজ্ঞ

আপডেট সময় : ০৮:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

মোঃ রুহুল আমিন ভূইয়া। ফরিদপুর প্রতিনিধি। 

ভোর বেলায় রস সংগ্রহ করতে বেরিয়ে পড়েন গাছিরা, গাছ থেকে নামিয়ে আনেন রস ভর্তি হাড়ি, এরপর রস নিয়ে ছুটেন চুলার কাছে। বড় পাত্রে রেখে চুলায় জ্বাল দিয়ে শুরু হয় গুর তৈরির প্রক্রিয়া। একটু একটু করে রস শুকিয়ে রূপ নেয় সুস্বাদু গুরে। ফরিদপুরে তাম্বুল থানা মেলে দেখা চলে এ কর্মযজ্ঞ।
ফরিদপুরে খেজুরের গুড় ও পাটালির খ্যাতি দেশজুড়ে, এই গুড় কিনতে ভিড় করেন বিভিন্ন জেলার মানুষগুলো। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এ গুর যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা দরে। যাচিরা বলেন আগের দিন বিকালে গাছ কেটে হাড়ি বসানো হয়। পরের দিন সকালে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর শুরু হয় গুর তৈরির প্রক্রিয়া। এ গুর বাজারে বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়।
ক্রেতারা বলেন ভেজালমুক্ত এ গুড় স্বাস্থ্যসম্মত এবং খুবই সুস্বাদু। ফরিদপুরের খেজুরের গুড় সারা দেশব্যাপী বিখ্যাত এটা সবাই জানে বলে জানান এক ক্রেতা।
খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে নিজ উদ্যোগে ৬০০ গাছ কিনেছেন তরুণ উদ্যোক্তা এনামুল হাসান গিয়াস। তিনি জানান রাজশাহী ও যশোর থেকে গাছিদের আনা হয়।
কৃষি বিভাগ বলছে, নতুন করে খেজুরে গাছ লাগানোর পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। ফরিদপুর সদরের কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন,” খেজুরের গুড় ফরিদপুরের একটা ঐতিহ্য ” সারা বাংলাদেশে গুড় উৎপাদন হলেও ফরিদপুরের গুড় বিশেষভাবে আলোচিত।
ফরিদপুর ২০২৪ সালের পরিসংখ্যানে পাওয়া গিয়েছে ১৩,৫৮০ টি খেজুরের গাছ পাওয়া গিয়েছিল।