ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্ধারিত সময়ে না খোলায় পূর্ব আটখালী কমিউনিটি ক্লিনিকে ভোগান্তি।  নওগাঁ সীমান্তে ১৫০০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার, চোরাকারবারীরা পালিয়েছে পৌরসভা বিএনপি’র মতবিনিময় ও গন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি হেলেন জেরিন খান ‎ পত্নীতলায় কৃষকের তথ্য সংগ্রহের উদ্ধোধন পত্নীতলায় মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার ফরিদপুরে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: জমি মাপজোককে কেন্দ্র করে একই পরিবারের ৫ জন আহত, সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি আদালতের রায় পক্ষে গেলেও জমি বুঝে পাচ্ছেন না মস্তফা ভাঙ্গায় ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ পরিচয়ে প্রতারণা, আটক ১ ফরিদপুরে দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর পাটক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ ফরিদপুরে দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর পাটক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ

নওগাঁয় গাজর সাড়ে ৩ কোটি টাকার বিক্রির সম্ভাবনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫ ২০০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় অনুকুল আবহাওয়া ও উন্নত মানের বীজের কারণে এবারে গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার দাম আশানুরুপ হওয়ায় সারে ৩ কোটি টাকার গাজর বিক্রির আশা করছেন কৃষকরা। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাজর কন্দাল জাতীয় ফসল। নাতিশীতোঞ্চ আবহাওয়া এ চাষের জন্য উপযোগী। এবারে একটানা ঘন কুয়াশা ও দীর্ঘ মেয়াদী শৈত্য প্রবাহ ছিলো না। এ কারণে গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। মান্দা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মান্দা উপজেলায় প্রায় ৬০০ বিঘা জমিতে গাজরের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে বিলকরিল্যা, কুসুম্বা, বাদলঘাটাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে এ ফসলের চাষ বেশি হয়ে থাকে। এ চাষ থেকে অন্তত ৭২ হাজার মণ গাজর উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য সারে ৩ কোটি টাকার উপরে। রবিবার নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিলকরিল্যা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে ৯টি মেশিনের সাহায্যে গাজর পরিষ্কারের কাজ চলছে। গ্রামের গাজর চাষিরা খেত থেকে গাজর তুলে এসব মেশিনে পরিষ্কার করে নিচ্ছেন। পরে পাইকারদের কাছে দরদাম চুকিয়ে বিক্রি করে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন তারা। এদিন প্রকার ভেদে প্রতিমণ গাজর ৫২০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। উপজেলার বিলকরিল্যা গ্রামের কৃষক হানিফ উদ্দিন মণ্ডল বলেন, এবারে আমি ১৫ বিঘা জমিতে গাজরের চাষ করেছি। হালচাষ, সার-বীজ, কীটনাশক ও পরিচর্যা সহ প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ১৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। উৎপাদন হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ মণ করে। খরচ বাদে প্রতি বিঘায় আমার ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা লাভ থাকবে। একই গ্রামের কৃষক আবুল বাশার বলেন, প্রতি বারের মতো এবারেও গ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে ৯টি মেশিনের সাহায্যে গাজর পরিষ্কারের কাজ চলছে। এজন্য এক মণ গাজরে দিতে হচ্ছে ২৫ টাকা করে। প্রতিদিন এসব পয়েন্টে অন্তত ২ হাজার মণ গাজর প্রসেসিং করা হয়। এরপর ট্রাকে করে নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন বলেন, অনুকুল আবহাওয়ার কারণে এবারে গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদনের সঙ্গে বাজারে দামও ভালো। এবারে মান্দা উপজেলা থেকে সারে ৩ কোটি টাকার উপরে গাজর বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে কৃষকেরা আশানুরুপ লাভবান হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নওগাঁ #

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নওগাঁয় গাজর সাড়ে ৩ কোটি টাকার বিক্রির সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় অনুকুল আবহাওয়া ও উন্নত মানের বীজের কারণে এবারে গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার দাম আশানুরুপ হওয়ায় সারে ৩ কোটি টাকার গাজর বিক্রির আশা করছেন কৃষকরা। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাজর কন্দাল জাতীয় ফসল। নাতিশীতোঞ্চ আবহাওয়া এ চাষের জন্য উপযোগী। এবারে একটানা ঘন কুয়াশা ও দীর্ঘ মেয়াদী শৈত্য প্রবাহ ছিলো না। এ কারণে গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। মান্দা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মান্দা উপজেলায় প্রায় ৬০০ বিঘা জমিতে গাজরের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে বিলকরিল্যা, কুসুম্বা, বাদলঘাটাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে এ ফসলের চাষ বেশি হয়ে থাকে। এ চাষ থেকে অন্তত ৭২ হাজার মণ গাজর উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য সারে ৩ কোটি টাকার উপরে। রবিবার নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিলকরিল্যা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে ৯টি মেশিনের সাহায্যে গাজর পরিষ্কারের কাজ চলছে। গ্রামের গাজর চাষিরা খেত থেকে গাজর তুলে এসব মেশিনে পরিষ্কার করে নিচ্ছেন। পরে পাইকারদের কাছে দরদাম চুকিয়ে বিক্রি করে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন তারা। এদিন প্রকার ভেদে প্রতিমণ গাজর ৫২০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। উপজেলার বিলকরিল্যা গ্রামের কৃষক হানিফ উদ্দিন মণ্ডল বলেন, এবারে আমি ১৫ বিঘা জমিতে গাজরের চাষ করেছি। হালচাষ, সার-বীজ, কীটনাশক ও পরিচর্যা সহ প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ১৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। উৎপাদন হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ মণ করে। খরচ বাদে প্রতি বিঘায় আমার ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা লাভ থাকবে। একই গ্রামের কৃষক আবুল বাশার বলেন, প্রতি বারের মতো এবারেও গ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে ৯টি মেশিনের সাহায্যে গাজর পরিষ্কারের কাজ চলছে। এজন্য এক মণ গাজরে দিতে হচ্ছে ২৫ টাকা করে। প্রতিদিন এসব পয়েন্টে অন্তত ২ হাজার মণ গাজর প্রসেসিং করা হয়। এরপর ট্রাকে করে নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন বলেন, অনুকুল আবহাওয়ার কারণে এবারে গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদনের সঙ্গে বাজারে দামও ভালো। এবারে মান্দা উপজেলা থেকে সারে ৩ কোটি টাকার উপরে গাজর বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে কৃষকেরা আশানুরুপ লাভবান হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নওগাঁ #