ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা দায়েরের দায়ে স্বামী-স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড ফরিদপুরে পল্লী জসীম মেলা পুনরায় আয়োজনের দাবিতে মানববন্ধন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতির ক্ষোভ, ‘কমিটি থাকবে, কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না’ ফরিদপুরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে ইলিশ মাছের জমজমাট বেচাকেনা ফরিদপুরে এসআরবি-১০-এর অভিযানে বিদেশি রিভলবার ও ককটেল সহ সাব্বির আহমেদ গ্রেপ্তার ফরিদপুরে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  ফরিদপুরে দুই তরুণের যাবজ্জীবন কা*রা*দ*ণ্ড ‌ কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি গ্যাসের সংকট বাড়তি দামেও মিলেনা গ্যাস মধ্যবিত্ত মানুষের এগুলো দেখার কেউ নেই ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মিরাজ শেখের ১০ বছরের কারাদণ্ড ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের কল্যাণ, ঐক্য ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ

ফরিদপুরের আজল-বেড়া গ্রামে আইনি সহায়তার মাধ্যমে ১৯ বছর পড় ফিরে পেলেন পৈতৃক সম্পত্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

গালিব মাহাবুব, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার, আজলবেড়া বড়ঘাট বাজার এলাকায়, আজ সোমবার (২ জুন) দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন, ম্যাজিস্ট্রেট (পারভীন সুলতানা লাখি ) জজ কোর্ট ফরিদপুর।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘ বছর ধরে (মৃত মোকছেদুর রহমানের) বাপ দাদার মালিকানা পৈতৃক সম্পত্তি জোরজবস্তি করে, ৯টিরও বেশি ঘর-বাড়ি গড়ে ওঠে। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট (পারভীন সুলতানা লাখি ) বলেন, জমির মালিক মোঃ মজিবর রহমান, আনুমানিক ১৮ বা ১৯ বছর যাবত আইনি লড়াই করে যাচ্ছিল, অবশেষে আজ তিনি তার নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সাব ইন্সপেক্টর  আলমগীর তিনি বলেন, মালিকানা জমিতে অবৈধভাবে দীর্ঘ অনেক বছর যাবৎ বসবাস করে যাচ্ছেন বেশ কিছু পরিবার অতঃপর জজ কোর্টের নির্দেশে অবৈধ সব স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হলো।জমির মালিক  মোঃ মজিবর রহমান  বলেন, ২০০৭ সাল থেকে এই জমি নিয়ে আমি আইনি লড়াই করে যাচ্ছি। আমার জমির দলিল পত্র এবং সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও, দীর্ঘ ১৮ – ১৯ বছর যাবৎ,

আমার বাপ দাদার মালিকানা পৈতৃক সম্পত্তি থেকে আমি বঞ্চিত ছিলাম। তবে আজ থেকে আইন অনুযায়ী এই সকল জমির মালিক আমি। আমার বাড়ির জমির পরিমাণ ৯২ শতাংশ এবং বড়ঘাট বাজার, জমির পরিমাণ ৪ শতাংশ সর্বমোট জমির পরিমাণ ৯৬ শতাংশ।মোঃ মজিবর রহমানের ছেলে, মোঃ আলিফ রহমান ( ২৫ ) আমাদেরকে আরও জানান, আমাদের এই জমির মামলা চলাকালীন বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করেছে। আমাকে এবং আমার পরিবারকে মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছে। আজ উচ্ছেদ চলাকালীন, সময়ে মোঃ নজরু,মোছাম্মৎ পলাশ-মহিলা, মোঃ নিসান, মোঃ দোলু ,মোঃ জুয়েল,মোঃ সিরাজ গংরা আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেন -এখান থেকে সাংবাদিক এবং পুলিশ প্রশাসন যাওয়ার পর তোদেরকে, কে বাঁচাবে এটাও আমরা দেখে নেব বলে হুঁশিয়ারি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদপুরের আজল-বেড়া গ্রামে আইনি সহায়তার মাধ্যমে ১৯ বছর পড় ফিরে পেলেন পৈতৃক সম্পত্তি

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

 

গালিব মাহাবুব, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার, আজলবেড়া বড়ঘাট বাজার এলাকায়, আজ সোমবার (২ জুন) দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন, ম্যাজিস্ট্রেট (পারভীন সুলতানা লাখি ) জজ কোর্ট ফরিদপুর।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘ বছর ধরে (মৃত মোকছেদুর রহমানের) বাপ দাদার মালিকানা পৈতৃক সম্পত্তি জোরজবস্তি করে, ৯টিরও বেশি ঘর-বাড়ি গড়ে ওঠে। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট (পারভীন সুলতানা লাখি ) বলেন, জমির মালিক মোঃ মজিবর রহমান, আনুমানিক ১৮ বা ১৯ বছর যাবত আইনি লড়াই করে যাচ্ছিল, অবশেষে আজ তিনি তার নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সাব ইন্সপেক্টর  আলমগীর তিনি বলেন, মালিকানা জমিতে অবৈধভাবে দীর্ঘ অনেক বছর যাবৎ বসবাস করে যাচ্ছেন বেশ কিছু পরিবার অতঃপর জজ কোর্টের নির্দেশে অবৈধ সব স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হলো।জমির মালিক  মোঃ মজিবর রহমান  বলেন, ২০০৭ সাল থেকে এই জমি নিয়ে আমি আইনি লড়াই করে যাচ্ছি। আমার জমির দলিল পত্র এবং সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও, দীর্ঘ ১৮ – ১৯ বছর যাবৎ,

আমার বাপ দাদার মালিকানা পৈতৃক সম্পত্তি থেকে আমি বঞ্চিত ছিলাম। তবে আজ থেকে আইন অনুযায়ী এই সকল জমির মালিক আমি। আমার বাড়ির জমির পরিমাণ ৯২ শতাংশ এবং বড়ঘাট বাজার, জমির পরিমাণ ৪ শতাংশ সর্বমোট জমির পরিমাণ ৯৬ শতাংশ।মোঃ মজিবর রহমানের ছেলে, মোঃ আলিফ রহমান ( ২৫ ) আমাদেরকে আরও জানান, আমাদের এই জমির মামলা চলাকালীন বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করেছে। আমাকে এবং আমার পরিবারকে মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছে। আজ উচ্ছেদ চলাকালীন, সময়ে মোঃ নজরু,মোছাম্মৎ পলাশ-মহিলা, মোঃ নিসান, মোঃ দোলু ,মোঃ জুয়েল,মোঃ সিরাজ গংরা আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেন -এখান থেকে সাংবাদিক এবং পুলিশ প্রশাসন যাওয়ার পর তোদেরকে, কে বাঁচাবে এটাও আমরা দেখে নেব বলে হুঁশিয়ারি দেন।