ভাঙ্গায় পাওনা টাকা চাওয়ায় “পারভীনের” বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও টাকা স্বর্ণালংকার লুট করেছে দুর্বৃত্তরা
- আপডেট সময় : ০৪:২৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম- বিশেষ প্রতিনিধি
ভাংগা উপজেলার মানিকদাহ ইউনিয়নের উত্তর ব্রাহ্মণ কান্দা গ্রামের পারভিনের বসত বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা। এ ব্যাপারে পারভিন বেগম বলেন, আমার স্বামী যখন জীবিত ছিলো, তখন মুন্নুর নিকট আমার স্বামী ট্রাক বিক্রয় করে ১৪ লাখ টাকা বাকিতে। সেই পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মুন্নু মাতুববর তার সাঙ্গোপাঙ্গদের নিয়ে আমার বাড়িতে ১ জুলাই ২০২৫ তারিখ সকাল ৯ ঘটিকার সময় আমাদের দ্বিতল ভবনে উঠে জোরপূর্বক রূমে প্রবেশ করে মুন্নু মাতুব্বর গংয়েরা ঘরে থাকা কাঠের আলমারি ভেঙ্গে নগদ ১৪ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণ অলংকার নিয়ে যায় ও ঘরের আসবাবপত্র ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় আমার সন্তানেরা ভাঙচুর ও লুটপাট ফেরাতে গেলে আমার ছোট দুই ছেলে, দুই মেয়ে এমনকি বেড়াতে আসা মেয়ে জামাতাকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে আমাদের আর্তনাদ চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আমাদেরকে তাদের ভয়ানক তান্ডব থেকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে ভর্তি করান, এসময় পারভিন আরো বলেন, আমার কন্যা এবং মেয়ে জামাতার অবস্থা বেগতিক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসাকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার্ড করেন। এসময় পারভিন বেগম সাংবাদিকদের বলেন- পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে মুন্নু মাতুববর এর নেতৃত্বে ১/ জাবের মাতুববর (২০) পিতা মুন্নু মাতুববর ২/ ইব্রাহিম মাতুববর (২২) পিতা ওমর মাতুববর ৩/ আবদুল্লাহ (২০) পিতা আরিফ শেখ ৪/ বিশাল মাতুববর পিতা বাবুল মাতুববর ৫/জেবা বেগম (৫০) ৬/ খুশি বেগম (৩০) পিতা করিম মাতুববর ৭/ মিথিলা আক্তার (২৫), ৮/মিম আক্তার (২২) উভয় পিতা মুন্নু মাতুববর সর্ব সাং ব্রাহ্মণকান্দা এছাড়াও অজ্ঞাত অন্তত আরো ৫ থেকে ৬ জন মিলে আমার বসত বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে ফেলে এবং আমার কন্যা তিশার গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যার বাজার মূল্য ১,৩০০০০/- এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা, ও আমার মেঝ কন্যা লিজার গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যাহার মুল্য অনুমান ৮৫ হাজার টাকা, এছাড়াও ড্রেসিং টেবিলের ভিতরে থাকা বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণ অলংকার অনুমান আড়াই ভরি যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এবং আমার ঘরের অন্যান্য আসবাবপত্র প্রায় ১ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন। এব্যাপারে স্থানীয় বেশ কিছু ব্যক্তিরা বলেন, মুন্নু হলো এই গ্রামের অনেক ভয়ানক ডে্ঙ্গাইত প্রকৃতির লোক এরা হলো এখানকার মাতুববর সর্দার এদের উপর দিয়ে কথা বলার সাহস কারো নেই। এরা একটি নিরীহ এতিম অসহায় পরিবারের উপর দীর্ঘদিন যাবৎ জোর জুলুম নির্যাতন করে আসছেন মুন্নু গংয়েরা। এসময় কান্না বিজোরিত কন্ঠে পারভিনের ছেলে বলেন আজ যদি আমার পিতা বেঁচে থাকতো তাহলে এমন অত্যাচার নির্যাতন জুলুম আমাদের উপর করতে পারতো না আমরা এই অত্যাচারী জুলুমদের হাত থেকে বাঁচতে চাই। নারকীয় তাণ্ডবের
ব্যাপারে মুন্নু মাতুববর এর সহিত যোগাযোগ করা হলে তিনি মারামারির কথা স্বীকার করলেও স্বর্ণালংকার ও টাকা পয়সা লোটপাট এর কথা স্বীকার করেননি এবং এব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কোন ধরনের কথাবার্তা বলতে নারাজ।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী পারভিন বেগম ভাংগা থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।






















