ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ফরিদপুরে মিছিল, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি অসুবিধা ও অব্যবস্থাপনায় জরাজীর্ণ ফরিদপুরের আড়াইরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার বদলে ‘প্রাইভেট বাণিজ্য’, অবহেলায় বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর ফরিদপুর জেলা পরিষদ ও বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ৩০ বছরের ভোগান্তি, বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান দিনমজুর নুরুল ইসলাম ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান কালিয়াকৈরে জাল রাজস্ব স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ২৫ লক্ষ টাকার নকল সিগারেট জব্দ আটক ২ জন মোট চার দিনের ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছুটি উপভোগ করার জন্য উত্তরবঙ্গের পথে ছুটছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দায় অভিযান: ২২০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ একজন গ্রেফতার সীমান্ত থেকে ৯৪.৭৫০ কেজি ওজনের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

ক্ষমতা অপব্যবহার করে যোগ্য প্রার্থীদের ফেল করিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের  নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুর রহমান  খান সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। গত ২৭ জুলাই দুদকের সমম্বিত জেলা কার্যালয়ের সংস্থাটির উপ পরিচালক সুচিত্রা সেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া, যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা এবং ভুয়া নথি পত্র তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিরা হলেন- সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড.  মোঃ শহীদুর রহমান খান ও সাবেক রেজিস্ট্রার খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার। এছাড়া আসামি করা হয়েছে নিয়োগ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা কর্মকর্তা মো: জসীমউদ্দিন, হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা মুরাদ বিল্লাহ, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট আনিসুর রহমান রিন্টু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা খায়রুল বাশার রিয়াজ, কম্পিউটার অপারেটর মো: মাসুদ রানা, কম্পিউটার অপারেটর শাহরীন ইসলাম মীম, ল্যাব টেকনিশিয়ান রীনা খাতুন, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট এ বি এম আরিফুল ইসলাম তুরান একই পদে মো: শহিদুল ইসলাম, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মোঃ হাবিবুর রহমান, অফিস সহায়ক মো: ওয়াহিদুজ্জামান ও আছিয়া খাতুনকে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়োগের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। পাস না করা প্রার্থীদের পাস দেখানো হয়। আবার কাগজপত্রে ভুয়া সাক্ষর ও সুপারিশ যুক্ত করা হয়। ফলে যোগ্য প্রার্থীরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়। এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান খান ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নিয়োগ পাওয়া রেজিস্ট্রার, কয়েকজন কর্মকর্তা, সহকারি ল্যাব টেকনিশিয়ান ও অফিস সহায়ক। মামলায় অবৈধভাবে পাস করিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ৩ নম্বর থেকে ১৭ নম্বর আসামিদের নিয়োগ দিয়ে দন্ড বিধি ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা।

আপডেট সময় : ১১:২৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

ক্ষমতা অপব্যবহার করে যোগ্য প্রার্থীদের ফেল করিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের  নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুর রহমান  খান সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। গত ২৭ জুলাই দুদকের সমম্বিত জেলা কার্যালয়ের সংস্থাটির উপ পরিচালক সুচিত্রা সেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া, যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা এবং ভুয়া নথি পত্র তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিরা হলেন- সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড.  মোঃ শহীদুর রহমান খান ও সাবেক রেজিস্ট্রার খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার। এছাড়া আসামি করা হয়েছে নিয়োগ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা কর্মকর্তা মো: জসীমউদ্দিন, হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা মুরাদ বিল্লাহ, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট আনিসুর রহমান রিন্টু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা খায়রুল বাশার রিয়াজ, কম্পিউটার অপারেটর মো: মাসুদ রানা, কম্পিউটার অপারেটর শাহরীন ইসলাম মীম, ল্যাব টেকনিশিয়ান রীনা খাতুন, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট এ বি এম আরিফুল ইসলাম তুরান একই পদে মো: শহিদুল ইসলাম, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মোঃ হাবিবুর রহমান, অফিস সহায়ক মো: ওয়াহিদুজ্জামান ও আছিয়া খাতুনকে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়োগের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। পাস না করা প্রার্থীদের পাস দেখানো হয়। আবার কাগজপত্রে ভুয়া সাক্ষর ও সুপারিশ যুক্ত করা হয়। ফলে যোগ্য প্রার্থীরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়। এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান খান ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নিয়োগ পাওয়া রেজিস্ট্রার, কয়েকজন কর্মকর্তা, সহকারি ল্যাব টেকনিশিয়ান ও অফিস সহায়ক। মামলায় অবৈধভাবে পাস করিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ৩ নম্বর থেকে ১৭ নম্বর আসামিদের নিয়োগ দিয়ে দন্ড বিধি ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।।