ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলর তিন বন্ধু নিহত অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি

ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ( খুবি) বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.  রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীর সাথে অশালীন আচরন, যৌন হয়রানি ও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিভাগের এক ছাত্রী যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রে এই অভিযোগ করেন। ১১ আগষ্ট অভিযোগটি তদন্তের জন্য ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত বলেন, গত বৃহস্পতিবার ৭ আগষ্ট অফিস শেষে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। রোববার অফিস খোলার পর আবেদনটি দেখে সেটি যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেই। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর যেকোন হয়রানি বন্ধে বর্তমান প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমানিত হলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রের জমা দেওয়া তিন পাতার অভিযোগে ঔই  ছাত্রী ধারাবাহিকভাবে তাকে বিভিন্ন হয়রানির বর্ননা দেন। এর সাথে প্রমান হিসেবে ওয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যৌন বার্তার স্কিনশর্টও জমা দিয়েছেন। অভিযোগের অংশে শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, হঠ্যাৎ তিনি একদিন কল দেন, এবং তার সাথে দেখা করার অনুরোধ করেন।আমি নিরালা মোড়ে গেলে তিনি কিছু কথা বলার অনুরোধ করে গাড়িতে উঠতে বলেন।তখন কথা বলার একপর্যায়ে গাড়ির ভেতরে ( প্রকাশযোগ্য নয়)  সরাসরি অনৈতিক সম্পর্ক দেন। আমি কথা গুলো শুনে আপত্তি করি এবং রেগে গাড়ি থেকে বের হবার চেষ্টা করি। তিনি তখন গাড়ি  ড্রাইভ করা অবস্থায় আমার হাত চেপে ধরেন এবং বলেন, জেদ করো না। আমি যা চাই, তাই আমার করে নিই। আজ না হোক কাল আমার ভালোবাসার চিহ্ন একে দেবই। জোর করে তার হাত ছাড়ানোর পর আবার বলেন, আমি কখোনো এতদিন কারো পেছনে ঘুরিনি,কারো জন্য অপেক্ষা করিনি, তোমার জন্য এতদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমি তোমার রেজাল্টও বাড়িয়ে দেব, তোমার রেজাল্ট ৩.৫০ হয়ে যাবে। এসব শোনার পরে আমি দ্রুত তার গাড়ি থেকে নেমে কোন রকমে আত্মরক্ষা করি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যাপক ড. রুবেল আনসার সাংবাদিকদের বলেন, ঔই শিক্ষার্থীর বাবার অনুরোধে আমি তার খোজ খবর নিতাম। যে ঘটনার বর্ননা দেওয়া হয়েছে এমন কিছু তার সাথে ঘটেনি সম্পুর্ন অভিযোগই মিথ্যা। খুবির যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সভাপতি মোছাঃ তাছলিমা খাতুন বলেন, ” অভিযোগ তদন্তের জন্য ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকে কমিটি কাজ শুরু করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি।

আপডেট সময় : ০২:৪৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ( খুবি) বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.  রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীর সাথে অশালীন আচরন, যৌন হয়রানি ও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিভাগের এক ছাত্রী যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রে এই অভিযোগ করেন। ১১ আগষ্ট অভিযোগটি তদন্তের জন্য ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত বলেন, গত বৃহস্পতিবার ৭ আগষ্ট অফিস শেষে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। রোববার অফিস খোলার পর আবেদনটি দেখে সেটি যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেই। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর যেকোন হয়রানি বন্ধে বর্তমান প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমানিত হলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রের জমা দেওয়া তিন পাতার অভিযোগে ঔই  ছাত্রী ধারাবাহিকভাবে তাকে বিভিন্ন হয়রানির বর্ননা দেন। এর সাথে প্রমান হিসেবে ওয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যৌন বার্তার স্কিনশর্টও জমা দিয়েছেন। অভিযোগের অংশে শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, হঠ্যাৎ তিনি একদিন কল দেন, এবং তার সাথে দেখা করার অনুরোধ করেন।আমি নিরালা মোড়ে গেলে তিনি কিছু কথা বলার অনুরোধ করে গাড়িতে উঠতে বলেন।তখন কথা বলার একপর্যায়ে গাড়ির ভেতরে ( প্রকাশযোগ্য নয়)  সরাসরি অনৈতিক সম্পর্ক দেন। আমি কথা গুলো শুনে আপত্তি করি এবং রেগে গাড়ি থেকে বের হবার চেষ্টা করি। তিনি তখন গাড়ি  ড্রাইভ করা অবস্থায় আমার হাত চেপে ধরেন এবং বলেন, জেদ করো না। আমি যা চাই, তাই আমার করে নিই। আজ না হোক কাল আমার ভালোবাসার চিহ্ন একে দেবই। জোর করে তার হাত ছাড়ানোর পর আবার বলেন, আমি কখোনো এতদিন কারো পেছনে ঘুরিনি,কারো জন্য অপেক্ষা করিনি, তোমার জন্য এতদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমি তোমার রেজাল্টও বাড়িয়ে দেব, তোমার রেজাল্ট ৩.৫০ হয়ে যাবে। এসব শোনার পরে আমি দ্রুত তার গাড়ি থেকে নেমে কোন রকমে আত্মরক্ষা করি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যাপক ড. রুবেল আনসার সাংবাদিকদের বলেন, ঔই শিক্ষার্থীর বাবার অনুরোধে আমি তার খোজ খবর নিতাম। যে ঘটনার বর্ননা দেওয়া হয়েছে এমন কিছু তার সাথে ঘটেনি সম্পুর্ন অভিযোগই মিথ্যা। খুবির যৌন হয়রানি ও নিপিড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সভাপতি মোছাঃ তাছলিমা খাতুন বলেন, ” অভিযোগ তদন্তের জন্য ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকে কমিটি কাজ শুরু করবে।